Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
যেখানে সংকট সেখানেই বাবলু
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় কলাম

রান্নাঘরে রাঁধুনি একজন থাকাই ভালো

সাঈদ জুবেরী
সাঈদ জুবেরী
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ০৯:২৩
রান্নাঘরে রাঁধুনি একজন থাকাই ভালো

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

আহা রান্নাঘর! পরম পবিত্র স্থান। যেখানে সরষে ইলিশের সুবাস ছড়ায়। পোলাওয়ের চাল দমে বসে। কিন্তু সেই রান্নাঘরে যদি রাজনীতির খিচুড়ি পাকতে শুরু করে? তাও আবার রাষ্ট্র চালানোর খিচুড়ি? তবে বুঝতে হবে, ডাল আর চালের অনুপাত কোথাও একটা গোলমাল হয়ে গেছে।

আজকাল বাজারে একটা নতুন শব্দ ভাসছে। ‘কিচেন কেবিনেট’। বাছা বাছা বাবুর্চিদের গোপন আস্তানা। যেখানে ডাল-ভাতের চেয়ে বেশি ফোড়ন পড়ে দেশের ভাগ্যে। ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের কিচেন কেবিনেটের আলাপই দিচ্ছি। সাতজনের এক অতি গোপন হেঁশেল। প্রতি মঙ্গলবার সেখানে নাকি সুস্বাদু সব সিদ্ধান্ত রান্না হতো। বাকি উপদেষ্টারা বাইরে ডাইনিং টেবিলে বসে শুধু গন্ধ শুঁকতেন। প্লেট হাতে চেয়ে থাকতেন। কিন্তু আসল পদটি তাদের পাতে পড়ত না।

রান্নাঘর ছাড়া কি আর কোনো জমানায় সংসার চলেছে? রাজা-বাদশাদের আমল থেকেই আসল খেলাটা শোবার ঘর আর রান্নাঘরেই হতো। দরবার কক্ষ তো কেবলই সই-সাবুদ করার একটা পোশাকি মঞ্চ।

দিল্লি দূরস্ত। সেই ইন্দিরা গান্ধীর আমলেও কাশ্মীরি বাবুর্চিরা মনমোহন মসলা পিষতেন। ইন্দিরাজি যা শুনতেন, হেঁশেল থেকেই শুনতেন। ডাউনিং স্ট্রিটে মার্গারেট থ্যাচার তো মন্ত্রীদের ড্রয়িংরুমে বসিয়ে রেখে সোজা রান্নাঘরে চলে যেতেন। সেখানে চার্লস আর বার্নার্ডের সঙ্গে চলত কড়া কফির আড্ডা। আয়রন লেডি লোহার কড়াইয়ে কী রাঁধছেন, তা বাকি কেবিনেট টের পেত বিল পাস হওয়ার পর। মার্কিন মুলুকে অ্যান্ড্রু জ্যাকসন তো হোয়াইট হাউসের আসল রান্নাঘরে বসেই পুরো দেশের ভূগোল বদলে দিয়েছিলেন। সেই থেকেই এই ‘কিচেন কেবিনেট’ শব্দের উৎপত্তি। সুতরাং, ইউনূস সাহেব নতুন কোনো রেসিপি আবিষ্কার করেননি। তিনি শুধু পুরনো কড়াইয়ে নতুন তেল ঢেলেছেন।

আমাদের নিজেদের ঘরের দাওয়ার খোঁজ নেওয়া যাক। বিগত ১৫ বছর এই বঙ্গে কি কম ঘি-চর্বির রান্না হয়েছে? শেখ হাসিনার আমলের সেই রাজকীয় রন্ধনশিল্পীদের কথা কি এত দ্রুত ভুলে গেলেন দেশবাসী? তারা এমন ক্ষীর তৈরি করতেন যে, পুরো দেশটাই এক গ্রাসে গিলে ফেলা যেত। বাকি মন্ত্রীরা তখন কেবল ডাইনিং টেবিলের ক্লথ পরিষ্কার করতেন। আর চামচ চকমক করছে কি না, তা দেখতেন। ওটাই ছিল একচেটিয়া মোগলাই রান্না।

তবে তফাৎ একটা আছে। আগের বাবুর্চিরা বুক ফুলিয়ে রাঁধতেন। লোকে জানত, অমুক ভাই বা তমুক আপা নাড়ু পাকাচ্ছেন। কার উনুনে কতটা আঁচ, তা বাইরে থেকে স্পষ্ট বোঝা যেত। কিন্তু অন্তর্বর্তী হেঁশেলটা একটু বেশিই ঘোলাটে ছিল। কারণ, এই বাবুর্চিরা এসেছিলেন এক বিরাট অভ্যুত্থানের পর। তারা এসে বলেছিলেন, তারা নাকি তেল-মসলা ছাড়া একদম অর্গানিক ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়াবেন জাতিকে।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, কোথায় কী অর্গানিক খাবার! নিজেদের জন্য অর্গানিক আর দেশের জন্য গোলমরিচের ঝাল লুকিয়ে ছিল। একই ফর্মুলা। খোদ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ সাহেব নাকি জানতেনই না, তার রান্নাঘরে কবে মার্কিন সস দিয়ে মস্ত বড় চুক্তি তৈরি হয়ে গেছে! তিনি যখন নিজের দপ্তরে বসে ডাল সাঁতরাচ্ছেন, তখন অন্য কেউ পেছনের দরজা দিয়ে এসে ডেজার্ট সার্ভ করে দিয়েছে। তাও আবার জাতীয় নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে! সেই মিষ্টির স্বাদ কেমন ছিল, তা এখন বর্তমান নির্বাচিত সরকার হাতড়ে বেড়াচ্ছে। তৌহিদ সাহেব এখন আফসোস করে বলছেন, তিনি নাকি তিন তিনবার অ্যাপ্রোন খুলে পদত্যাগের কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত থেকে গেলেন কি সুস্বাদু পদের মোহে?

গণতন্ত্রে একটা অলিখিত নিয়ম আছে। আপনি রেস্তোরাঁয় কী রাঁধছেন, তা অন্তত মেনু কার্ডে লেখা থাকতে হবে। বিল দেওয়ার সময় যেন গ্রাহক, অর্থাৎ জনগণ চমকে না যান। কিন্তু অন্তর্বর্তী হেঁশেলের বাবুর্চিরা ভাবলেন অন্য কথা। তারা ভাবলেন, আমরা তো জনগণের ভোটে রেস্তোরাঁর লাইসেন্স পাইনি। আমরা এসেছি এক ঝোড়ো রাতে, জানলা গলে। সুতরাং, আমাদের আবার রেসিপি দেখানোর দায় কিসের? আমরা স্যুপ বানাব, আপনারা চোখ বন্ধ করে চামচ নাড়িয়ে খাবেন। টক হলেও গিলবেন, মিষ্টি হলেও গিলবেন।

একটি অন্তর্বর্তী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাজ আর পাঁচটা রাজনৈতিক সরকারের মতো নয়। তাদের কাজ হলো ভাঙা উনুনটা মেরামত করে নতুন বাবুর্চির হাতে তুলে দেওয়া। নিজেরা বসে ভূরিভোজ করা নয়। কিন্তু যখন দেখা যায়, মেরামত বাদ দিয়ে তারা নিজেরাই নতুন নতুন রেসিপি ট্রাই করছেন, তখনই জনতার পেট গুড়গুড় করতে শুরু করে।

এখন অবশ্য সেই অন্তর্বর্তী হেঁশেল ভেঙে গেছে। নতুন নির্বাচিত সরকার এসেছে। নতুন রাঁধুনিরা উনুনে আঁচ দিয়েছেন। পুরনো বাবুর্চিরা এখন টেলিভিশনের পর্দায় এসে হাত ধুয়ে বলছেন, ‘ভাই রে, নুনটা কিন্তু আমি কম দিইনি। ওই যে বাকি সাতজন, ওরাই তরকারিতে চিনি বেশি ঢেলেছিল।’ সাখাওয়াত সাহেব বলছেন তিনি জানতেন না, আসিফ সাহেব বলছেন তিনি টেরই পাননি। তাহলে রান্নাটা করল কে? ভূত? নাকি কোনো অদৃশ্য বিদেশি শেফ এসে বাটি চালনা করে দিয়ে গেল?

রাজনীতিতে আসলে আসল কেবিনেট হলো দুধের মতো। তার একটা পুষ্টিগুণ আছে, প্রাতিষ্ঠানিক চেহারা আছে। আর কিচেন কেবিনেট হলো ঘোলের মতো। দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে গিয়ে বাঙালি চিরকালই পেট খারাপ করে মরে। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না।

সব শেষে একটা বিনীত প্রশ্ন তোলা যাক। পরবর্তী হেঁশেলটা কার? মসলা বাটা কি শুরু হয়ে গেছে? উনুনে আঁচ পড়ল বলে! নতুন রাঁধুনিরা যেন মনে রাখেন, বেশি বাবুর্চিতে কিন্তু চিরকালই ডিজিটাল এবং অ্যানালগ, উভয় প্রকারের ঝোলই নষ্ট হয়। ওলন্দাজদের সেই পুরনো প্রবাদটি মাথায় রাখা ভালো, রান্নাঘরে রাঁধুনি একজনই থাকা ভালো, বাকিরা শুধু থালা ধোয়ার কাজ করুক। তা না হলে, ক্ষমতার লোভের সেই ঝোলে শেষ পর্যন্ত মাছিই পড়বে, জনগণের পেট ভরবে না।

লেখক: কবি ও সাংবাদিক

    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement placeholder
    Advertisement placeholder
    মক্কা জোটে নতুন দেশ যুক্ত করার প্রস্তুতি, প্রথম বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হলো

    মক্কা জোটে নতুন দেশ যুক্ত করার প্রস্তুতি, প্রথম বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হলো

    ৩১ আগস্ট ২০২৬, ২১:০৩

    গুম প্রতিরোধ আইনের ভয়ংকর দিক

    গুম প্রতিরোধ আইনের ভয়ংকর দিক

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৯

    অন্নাভাবে অন্নদাতা

    অন্নাভাবে অন্নদাতা

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১০

    পাহারা দিয়ে পাহাড় রক্ষা করা যাবে না

    পাহারা দিয়ে পাহাড় রক্ষা করা যাবে না

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১০

    নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন ‘এ সপ্তাহেই’

    নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন ‘এ সপ্তাহেই’

    ৩১ আগস্ট ২০২৬, ২১:০০

    সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা

    সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা

    ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪৫

    রান্না থেকে ত্রাণ সংগ্রহ, বন্যার্তদের পাশে নেপালের তারকারা

    রান্না থেকে ত্রাণ সংগ্রহ, বন্যার্তদের পাশে নেপালের তারকারা

    ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪৬

    যেখানে সংকট সেখানেই বাবলু

    যেখানে সংকট সেখানেই বাবলু

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬

    পে স্কেল নিয়ে বেসরকারিরা শঙ্কায়

    পে স্কেল নিয়ে বেসরকারিরা শঙ্কায়

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬

    পে-স্কেলের ফলে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বাড়তে পারে : তথ্য উপদেষ্টা

    পে-স্কেলের ফলে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বাড়তে পারে : তথ্য উপদেষ্টা

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৩৭

    মার্কিন বাহিনীর ‘ড্রোন গাই’ খ্যাত সচিবের পদত্যাগ

    মার্কিন বাহিনীর ‘ড্রোন গাই’ খ্যাত সচিবের পদত্যাগ

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৮

    রানা প্লাজা নির্মাণে দুর্নীতি, মামলা রায় থেকে ফের যুক্তিতর্কে

    রানা প্লাজা নির্মাণে দুর্নীতি, মামলা রায় থেকে ফের যুক্তিতর্কে

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৭

    লোডশেডিংয়ের ধাক্কা ছাপাখানায়, সময়মতো বই পাবে কি শিক্ষার্থীরা

    লোডশেডিংয়ের ধাক্কা ছাপাখানায়, সময়মতো বই পাবে কি শিক্ষার্থীরা

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৬

    টুপাক শাকুর হত্যা মামলায় সাবেক গ্যাং লিডার দোষী সাব্যস্ত

    টুপাক শাকুর হত্যা মামলায় সাবেক গ্যাং লিডার দোষী সাব্যস্ত

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৩৭

    এখন কেউ গায়ে হাত দিলে রাস্তায় বস্ত্র খুলে দাঁড় করাব : ঋতাভরী

    এখন কেউ গায়ে হাত দিলে রাস্তায় বস্ত্র খুলে দাঁড় করাব : ঋতাভরী

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৩৫

    advertiseadvertise