Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনাবেতনে পাঠদান ৭০ বছর
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়স পুনর্বিবেচনার সময় এসেছে

মো: আনোয়ারুল ইসলাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৩০
সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়স পুনর্বিবেচনার সময় এসেছে

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরের বয়স বর্তমানে ৫৯ বছর। অথচ সার্কভুক্ত দেশগুলোতে সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়স বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সাধারণভাবে সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরের বয়স ৬০ বছর বা তার বেশি। মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং কর্মক্ষম জীবনের পরিধি সম্প্রসারিত হওয়ার বাস্তবতায় বাংলাদেশেও সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়স পুনর্বিবেচনার সময় এসেছে।

একজন সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী দীর্ঘ কর্মজীবনের মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা অর্জন করেন। চাকরির প্রথম দিকে তিনি মূলত শিখতে থাকেন; পরবর্তী সময়ে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে প্রশাসনিক ও কারিগরি অভিজ্ঞতা অর্জন করেন; আর কর্মজীবনের শেষ পর্যায়ে এসে তিনি নীতি প্রণয়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নেতৃত্ব প্রদান এবং জটিল সমস্যা সমাধানের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রস্তুত হয়ে ওঠেন। দুঃখজনক হলেও সত্য, একজন সরকারি চাকরিজীবী যখন দেশে-বিদেশে অর্জিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ এবং দীর্ঘ বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে রাষ্ট্র ও জনগণের সেবায় সর্বোচ্চ অবদান রাখার মতো অবস্থানে পৌঁছান, তখনই তাকে অবসরে যেতে হয়।

বর্তমান বাস্তবতায় ৫৯ বছর বয়সকে কর্মজীবনের শেষ সীমা হিসেবে বিবেচনা করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, সে প্রশ্ন নতুন করে সামনে এসেছে। বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৭২.৩ বছর। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি, খাদ্য ও পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের ফলে আজকের ৫৯ বছর বয়সী অনেক মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে যথেষ্ট কর্মক্ষম। বিশেষত সরকারি প্রশাসন, প্রকৌশল, শিক্ষা, চিকিৎসা, গবেষণা, নীতি প্রণয়ন এবং ব্যবস্থাপনার মতো পেশায় অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞা বয়সের সঙ্গে আরও সমৃদ্ধ হয়।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অবসরের বয়সেও ভিন্নতা রয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবসরের বয়স ৬৫ বছর এবং বিচারপতিদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা আরও বেশি, যা ৬৭ বছর পর্যন্ত। একই দেশের, একই সমাজ ও একই পরিবেশে বেড়ে ওঠা একজন সরকারি চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে অবসরের বয়স মাত্র ৫৯ বছর—এ বৈষম্যের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। কর্মক্ষমতা কেবল বয়সের সংখ্যায় নির্ধারিত হয় না; কাজের ধরন, শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক সুস্থতা, অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য।

সরকারি চাকরিতে একজন কর্মকর্তাকে দক্ষ করে তুলতে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ রয়েছে। প্রাথমিক প্রশিক্ষণ, চাকরিজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশিক্ষণ, দেশি ও বিদেশি উচ্চতর প্রশিক্ষণ, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, নীতি ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে একজন কর্মকর্তার পেছনে রাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করে। কিন্তু প্রায়শই দেখা যায়, এই দীর্ঘ বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সুফল পাওয়ার সময়ই তিনি অবসরে চলে যান। এর ফলে রাষ্ট্রের অর্জিত মানবসম্পদের একটি বড় অংশের অভিজ্ঞতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান পুরোপুরি কাজে লাগানোর সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।

বিশেষত প্রযুক্তিনির্ভর ও বিশেষায়িত খাতগুলোতে এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, গবেষণা, অবকাঠামো এবং নীতি প্রণয়নের মতো ক্ষেত্রে দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবলের বিকল্প রাতারাতি তৈরি করা সম্ভব নয়। একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তার দক্ষতা কেবল ব্যক্তিগত সক্ষমতার বিষয় নয়; তাঁর সঙ্গে যুক্ত থাকে বহু বছরের প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতি, বাস্তব অভিজ্ঞতা, নেটওয়ার্ক এবং জটিল সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা।

তবে সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়স বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে প্রশ্নটি হলো নতুন প্রজন্মের কর্মসংস্থান। বিপুলসংখ্যক শিক্ষিত তরুণ সরকারি চাকরির জন্য অপেক্ষা করছেন। ফলে অবসরের বয়স একযোগে এবং উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হলে নতুন নিয়োগ, পদোন্নতি এবং ক্যারিয়ার অগ্রগতির ওপর প্রভাব পড়তে পারে। এ বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সমীচীন হবে না।

কিন্তু এটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন যে, সরকারি চাকরিতে বর্তমানে বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য রয়েছে। বিভিন্ন হিসাব ও আলোচনায় প্রায় ৫ লাখ শূন্য পদের কথা উঠে আসে। এত বিপুলসংখ্যক পদে নিয়োগ সম্পন্ন করতে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষা, নিয়োগ এবং যোগদানের সময় বিবেচনায় অন্তত কয়েক বছর সময় লাগবে। ফলে এ মুহূর্তে অবসরের বয়স এক বছর বৃদ্ধি করে ৬০ বছর করা হলে নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা সীমিত।
বরং একটি বাস্তবসম্মত ও ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য নীতি গ্রহণ করা যেতে পারে। প্রথম পর্যায়ে সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়স ৫৯ বছর থেকে ৬০ বছর করা যেতে পারে। এরপর সরকারি কর্মসংস্থান পরিস্থিতি, শূন্য পদ পূরণের অগ্রগতি, পদোন্নতির অবস্থা এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা মূল্যায়ন করে পর্যায়ক্রমে তা ৬২ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।
এ ক্ষেত্রে সরকারের আর্থিক দিকটিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সরকারের সামনে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন ব্যয়সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বেতন, পেনশন, গ্র্যাচুইটি ও অন্যান্য আর্থিক দায়ের একটি পূর্ণাঙ্গ Fiscal Impact Assessment করা প্রয়োজন।

এখানে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—অবসরের বয়স বৃদ্ধির অর্থ শুধু চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি নয়; এটি রাষ্ট্রের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত। অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দীর্ঘ সময় কাজে লাগানোর পাশাপাশি তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি গ্রহণ করা জরুরি।

একই সঙ্গে বিশেষায়িত পেশাগুলোতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবলের প্রয়োজন বিবেচনায় আরও নমনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রাখা যেতে পারে। চিকিৎসা, প্রকৌশল, গবেষণা, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের পেশায় কর্মক্ষমতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে অভিজ্ঞ জনবলকে আরও দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রীয় কাজে সম্পৃক্ত রাখার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, স্মার্ট প্রশাসন এবং দক্ষ জনসেবার যুগে অভিজ্ঞ মানবসম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করাও সমানভাবে প্রয়োজনী

সুতরাং, সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়স বৃদ্ধির বিষয়টিকে শুধু সরকারি কর্মচারীদের ব্যক্তিগত সুবিধার প্রশ্ন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি রাষ্ট্রের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা সংরক্ষণ, প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতি, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে নীতিরও পরিবর্তন প্রয়োজন। মানুষের আয়ু বেড়েছে, কর্মক্ষম জীবনের পরিধি বেড়েছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের কাজও ক্রমশ জটিল ও বিশেষায়িত হয়েছে। এই বাস্তবতায় সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়স অন্তত ৬২ বছর করার বিষয়ে এখনই একটি বাস্তবসম্মত ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় এসেছে।

তবে নতুন প্রজন্মের কর্মসংস্থানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই পরিবর্তন একবারে না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। প্রথম ধাপে অবসরের বয়স ৫৯ থেকে ৬০ বছর এবং পরবর্তী পর্যায়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ৬২ বছর করা হতে পারে একটি যুক্তিসঙ্গত, ভারসাম্যপূর্ণ এবং সময়োপযোগী নীতিগত সিদ্ধান্ত। অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয়েই গড়ে উঠতে পারে একটি দক্ষ, গতিশীল ও ভবিষ্যতমুখী জনপ্রশাসন।

লেখক: প্রকৌশলী

সরকারি চাকরিঅবসরের বয়স
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কাদের-নাছিম-আরাফাতদের কার কত সম্পদ?

    কাদের-নাছিম-আরাফাতদের কার কত সম্পদ?

    শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে প্রি-ওপেনিং ও বাইব্যাক চালুর দাবি

    শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে প্রি-ওপেনিং ও বাইব্যাক চালুর দাবি

    হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব, ঘটনাটি নোয়াখালীর নয় নেপালের

    হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব, ঘটনাটি নোয়াখালীর নয় নেপালের

    মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

    মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

    ‘বাক্‌স্বাধীনতা অভূতপূর্ব’ উপদেষ্টা বলার পর টিআইবি দেখাল ৫২টি ঘটনা

    ‘বাক্‌স্বাধীনতা অভূতপূর্ব’ উপদেষ্টা বলার পর টিআইবি দেখাল ৫২টি ঘটনা

    গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ধাক্কা নিট পোশাকে, কমল রপ্তানির অর্ডার

    গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ধাক্কা নিট পোশাকে, কমল রপ্তানির অর্ডার

    ভারতকে ১০০% শুল্কের তালিকায় কেন রাখতে চান মার্কিন আইনপ্রণেতারা

    ভারতকে ১০০% শুল্কের তালিকায় কেন রাখতে চান মার্কিন আইনপ্রণেতারা

    এমপি আমির হামজার শাস্তির দাবিতে মহিলা দলের ঝাড়ু মিছিল

    এমপি আমির হামজার শাস্তির দাবিতে মহিলা দলের ঝাড়ু মিছিল

    দরিদ্র তালিকায় খরচ বাড়ল ১৭৯৪ কোটি টাকা

    দরিদ্র তালিকায় খরচ বাড়ল ১৭৯৪ কোটি টাকা

    দুই বছর পর বাড়িতে গিয়ে গ্রেপ্তার যুবলীগ সভাপতি

    দুই বছর পর বাড়িতে গিয়ে গ্রেপ্তার যুবলীগ সভাপতি

    বিএনপি নেতার গোয়ালঘরে চুরির গরু, তদন্তে পুলিশ

    বিএনপি নেতার গোয়ালঘরে চুরির গরু, তদন্তে পুলিশ

    কড়া নাড়ছে এজিআই

    কড়া নাড়ছে এজিআই

    বিনাবেতনে পাঠদান ৭০ বছর

    বিনাবেতনে পাঠদান ৭০ বছর

    সাদ্দাম-ইনানদের ফাঁসির রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

    সাদ্দাম-ইনানদের ফাঁসির রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

    ‘ভয়ের মুখোমুখি হতে চেয়েছিলাম...’

    ‘ভয়ের মুখোমুখি হতে চেয়েছিলাম...’