বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
আগামীর সময়
মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
আগামীর সময়
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • ইপেপার
EN
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিশ্ব
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • চট্টগ্রাম
  • শিক্ষা
  • বিচিত্রা
  • ইপেপার
  • EN

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলীগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করতে পারবে ভারত?

বিবিসিপ্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২২
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করতে পারবে ভারত?

তারেক রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সাধারণ নির্বাচনে ভূমিধস জয় পাওয়ার পর সতর্ক উষ্ণতা দেখিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলায় এক বার্তায় বিএনপি নেতা তারেক রহমানকে ‘ভূমিধস জয়’-এর জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি একটি ‘গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক’ প্রতিবেশী দেশের প্রতি ভারতের সমর্থনের কথা জানান। পাশাপাশি তিনি দুই দেশের ‘বহুমাত্রিক সম্পর্ক’ আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বার্তাটির সুর ছিল ভবিষ্যতমুখী এবং সতর্ক। জুলাই আন্দোলনের পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নিলে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়ে এবং পারস্পরিক অবিশ্বাস গভীর হয়। শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ সম্প্রতি হয়ে যাওয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি।

অনেক বাংলাদেশি মনে করেন, ক্রমশ কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠা হাসিনাকে সমর্থন দিয়েছিল দিল্লি। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড, পানিবণ্টন বিরোধ, বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ এবং উসকানিমূলক বক্তব্য নিয়ে পুরনো অসন্তোষ। ভিসা সেবা প্রায় বন্ধ, সীমান্তবর্তী ট্রেন ও বাস চলাচল স্থগিত, এবং ঢাকা-দিল্লি ফ্লাইটও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

দিল্লির জন্য প্রশ্ন হলো বিএনপি সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা উচিত কি-না তা নয়; বরং তারা কীভাবে সম্পর্ক স্থাপন করবে সেটি। ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সন্ত্রাসবাদ ও বিদ্রোহ সংক্রান্ত নিজেদের রেড লাইন নিশ্চিত করা এবং এমন বক্তব্য কমানো, যা বাংলাদেশের বিষয়টিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির আলোচ্য বিষয়ে পরিণত করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব। তবে তার জন্য সংযম ও পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

লন্ডনের সোয়াস ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শিক্ষক অভিনাশ পালিওয়াল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী দল হিসেবে বিএনপি ভারতের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পছন্দ হতে পারে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, তারেক রহমান কীভাবে দেশ পরিচালনা করবেন? তিনি স্পষ্টতই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক স্থিতিশীল করতে চান। কিন্তু বাস্তবে তা করা সহজ নয়।

দিল্লির কাছে বিএনপি কোনো অজানা সত্তা নয়।

তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলটি যখন ২০০১ সালে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করে ক্ষমতায় ফিরে আসে, তখনই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক দ্রুত শীতল হয়ে পড়ে। বিএনপি-জামায়াত আমল ছিল অস্থিরতা ও গভীর পারস্পরিক অবিশ্বাসে ভরা।



শুরুর দিকে সৌজন্যমূলক আচরণ থাকলেও ভারতের তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রাজেস মিশ্রা ছিলেন খালেদা জিয়াকে অভিনন্দন জানানো প্রথম বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তি। যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে বিএনপির স্বাচ্ছন্দ্যময় সম্পর্ক দিল্লির সন্দেহ বাড়ায় যে ঢাকা কৌশলগতভাবে অন্যদিকে ঝুঁকছে।

শিগগিরই ভারতের দুটি রেড লাইন পরীক্ষার মুখে পড়ে। এক. উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বিদ্রোহীদের প্রতি সমর্থন বন্ধ করা এবং হিন্দু সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ভোলা ও যশোরের মতো জেলায় হিন্দুদের ওপর হামলা দিল্লিকে উদ্বিগ্ন করে। আরও বড় ধাক্কা ছিল ২০০৪ সালের এপ্রিলে চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র জব্দের ঘটনা। অভিযোগ ছিল এগুলো ভারতীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর জন্য পাঠানো হচ্ছিল।


অর্থনৈতিক সম্পর্কও ভালো ছিল না। টাটা গ্রুপের প্রস্তাবিত ৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে বিরোধে আটকে যায় এবং শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালে ভেস্তে যায়।

সম্পর্ক ক্রমেই অবনতির দিকে যেতে থাকে। ২০১৪ সালে খালেদা জিয়া নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা বলে তৎকালীন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক বাতিল করেন, যা ব্যাপকভাবে দিল্লির প্রতি অবজ্ঞা হিসেবে দেখা হয়।

এই অস্বস্তিকর ইতিহাসই ব্যাখ্যা করে কেন ভারত পরবর্তীতে শেখ হাসিনার ওপর এত বেশি বিনিয়োগ (রাজনৈতিক সমর্থন) করেছিল।

ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ১৫ বছরে হাসিনা দিল্লির কাছে সবচেয়ে মূল্যবান বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছিলেন। এক. বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা সহযোগিতা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং চীনের বদলে ভারতের সঙ্গে মোটামুটি সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সরকার।

বর্তমানে দিল্লিতে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের আদালত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। তাকে প্রত্যর্পণ করতে ভারতের অস্বীকৃতি ঢাকার সঙ্গে ইতিমধ্যেই উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে ঢাকায় আসেন এবং সেই সুযোগে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সম্প্রতি এক সমাবেশে বিএনপি নেতা ঘোষণা দেন, না দিল্লি, না পিন্ডি — সবার আগে বাংলাদেশ। যা দিল্লি এবং পাকিস্তানের সামরিক সদর দপ্তর রাওয়ালপিন্ডি— উভয়ের কাছ থেকে স্বাধীন অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে।

হাসিনার পতনের পর ঢাকা দ্রুত ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়। ১৪ বছর বিরতির পর গত মাসে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়। এর আগে ১৩ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো একজন পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করেন। এছাড়া দুই দেশের বাণিজ্যও যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। সব মিলিয়ে চিত্রটি স্পষ্ট, একসময়ের শীতল সম্পর্ক উষ্ণ হতে শুরু করেছে।

দিল্লিভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর ডিফেন্স স্টাডিজ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস-এর স্মৃতি পট্টনায়েক বলেন, বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখছে এতে আমাদের উদ্বেগ নেই। একটি সার্বভৌম দেশ হিসেবে সেটি তার অধিকার। অস্বাভাবিক ছিল হাসিনার শাসনামলে প্রায় সম্পূর্ণ যোগাযোগহীনতা। দোলকটি একদিকে খুব বেশি দুলে গিয়েছিল; এখন তা অন্যদিকে অতিরিক্ত দুলে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সম্পর্ক পুনর্গঠনের আরেকটি বড় বাধা হচ্ছে হাসিনার অব্যাহতভাবে আশ্রয় দিয়ে যাওয়া।




বিশ্লেষক স্মৃতি পট্টনায়েকের মতে, বিএনপিকে এই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে যে হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা কম। একই সময়ে, ঢাকার বিরোধী দলগুলো সরকারকে ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে বলবে যাতে তাকে ফেরত আনা হয়।

এটি যদিও সহজ হবে না।

খবরে বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মী ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন।

ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত বলেন, যদি দিল্লি তার মাটিতে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠবে। নির্বাসন থেকে হাসিনার নির্বাচনের আগে দেওয়া সংবাদ সম্মেলনগুলো ছিল বিস্ময়কর। তিনি অনুতাপের ইঙ্গিত না দিলে বা নেতৃত্ব পরিবর্তনের সুযোগ দিতে সরে না দাঁড়ালে, তার উপস্থিতি সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

এর পাশাপাশি রয়েছে সীমান্তপারের উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য— ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও টেলিভিশন স্টুডিও থেকে উসকানিমূলক মন্তব্য, যা বাংলাদেশে এই ধারণাকে আরও জোরদার করেছে যে দিল্লি দেশটিকে একটি সার্বভৌম সমমর্যাদার রাষ্ট্র হিসেবে নয়, বরং সহজে প্রভাবিত করা যায় এমন ‘পেছনের উঠান’ হিসেবে দেখে।

বিশ্লেষক পালিওয়ালের মতে, ভবিষ্যতে সম্পর্কের উন্নতি হবে কিনা তা নির্ভর করবে ঢাকার নতুন নেতৃত্ব ভারতবিরোধী মনোভাব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে কি-না এবং দিল্লি নিজেও তার উত্তেজনাপূর্ণ বার্তা কমাতে পারে কি না তার ওপর। যদি তারা ব্যর্থ হয় তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রিত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেই রয়ে যাবে।

নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, অস্থির সম্পর্কের মাঝেও নিরাপত্তা সহযোগিতাই এখনো প্রধান ভরকেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।

ভারত ও বাংলাদেশ প্রতিবছর যৌথ সামরিক মহড়া চালায়, সমন্বিত নৌ টহল পরিচালনা করে, বার্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপ আয়োজন করে এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার জন্য ভারতের ৫০ কোটি ডলারের ঋণসুবিধা ব্যবহার করে।

স্মৃতি পট্টনায়েক বলেন, আমি মনে করি না বিএনপি এই সহযোগিতা বাতিল করবে।

সব অস্থিরতার মাঝেও ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা দুই দেশকে একসঙ্গে বেঁধে রেখেছে। এগুলো হলো-- ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত, গভীর নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার, আর এশিয়ায় ভারতের বাজারই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ বাস্তবসম্মত নয়। তবে টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রয়োজন রয়ে গেছে।

পালিওয়াল বলেন, বিএনপির সঙ্গে ভারতের অতীত সম্পর্ক জটিল এবং বোঝাপড়ার চেয়ে অবিশ্বাসই বেশি ছিল। কিন্তু বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান অতীতকে ভবিষ্যতের শত্রু হতে না দেওয়ার যে রাজনৈতিক পরিপক্বতা দেখিয়েছেন এবং দিল্লিও যে বাস্তববাদী সম্পৃক্ততায় আগ্রহী— এগুলো আশাব্যঞ্জক লক্ষণ।

প্রশ্ন হলো— প্রথম পদক্ষেপ নেবে কে?

শ্রীরাধা দত্ত বলেন, বড় প্রতিবেশী হিসেবে ভারতেরই উদ্যোগ নেওয়া উচিত। ভারতেরই যোগাযোগ বাড়ানো উচিত। বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী নির্বাচন সম্পন্ন করেছে; এখন সম্পৃক্ত হোন, দেখুন কোথায় সহায়তা করা যায়। আমি আশাবাদী যে বিএনপি অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েছে।

অর্থাৎ শুধু বক্তব্য বা আশ্বাস দিয়ে নয়; বাস্তবে সাহসী ও ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরই সম্পর্কের উন্নতি নির্ভর করবে।



বিএনপিপাকিস্তানভারততারেক রহমানসুসম্পর্কসম্পর্ক পুনর্গঠন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    সিডিএ চেয়ারম্যান কোথায় ক্ষোভ মেয়রের

    সিডিএ চেয়ারম্যান কোথায় ক্ষোভ মেয়রের

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২১:২৬

    অধিগ্রহণ খবরে ‘জেড’ ক্যাটাগরির আলিফ দর বৃদ্ধির শীর্ষে

    অধিগ্রহণ খবরে ‘জেড’ ক্যাটাগরির আলিফ দর বৃদ্ধির শীর্ষে

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৫৩

    রঘু রাই— সেই ঐশ্বরিক চোখ

    রঘু রাই— সেই ঐশ্বরিক চোখ

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৫৪

    দুদিনের ঝড়-বৃষ্টিতে লন্ডভন্ড মৌলভীবাজার, বন্যার আশঙ্কা

    দুদিনের ঝড়-বৃষ্টিতে লন্ডভন্ড মৌলভীবাজার, বন্যার আশঙ্কা

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৫০

    ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ২৫ বিলিয়ন ডলার

    ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ২৫ বিলিয়ন ডলার

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৩৮

    নিজামীপুত্র নাদিমুর নাম লেখাচ্ছেন এনসিপিতে

    নিজামীপুত্র নাদিমুর নাম লেখাচ্ছেন এনসিপিতে

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:০৩

    মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

    মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৩৭

    বুথফেরত জরিপে হেরে যাচ্ছেন মমতা!

    বুথফেরত জরিপে হেরে যাচ্ছেন মমতা!

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৬

    লন্ডনের দুই উৎসবে প্রিয়াম অর্চি, সামনে ‘দেশলাই’

    লন্ডনের দুই উৎসবে প্রিয়াম অর্চি, সামনে ‘দেশলাই’

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২২:২৮

    বিশ্ব নৃত্য দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজন

    বিশ্ব নৃত্য দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজন

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:২৪

    অপেক্ষায় থাকা শিশু জানে না,  বাবা আর কখনোই ফিরবেন না

    অপেক্ষায় থাকা শিশু জানে না, বাবা আর কখনোই ফিরবেন না

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২০:১২

    বুড়োদের মাথার ভেলকিতে উত্তপ্ত ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড

    বুড়োদের মাথার ভেলকিতে উত্তপ্ত ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:২২

    বেকারত্ব থেকে উদ্যোক্তা: শাওনের অনন্য সাফল্য

    বেকারত্ব থেকে উদ্যোক্তা: শাওনের অনন্য সাফল্য

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৫৫

    পানির নিচে চাপা সোনালি স্বপ্ন, দিশেহারা কৃষক

    পানির নিচে চাপা সোনালি স্বপ্ন, দিশেহারা কৃষক

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪০

    স্বর্ণ লুটের অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক-ছাত্রদলের ৬ নেতা বহিষ্কার

    স্বর্ণ লুটের অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক-ছাত্রদলের ৬ নেতা বহিষ্কার

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২২:১৭

    advertiseadvertise