রোনালদো সম্পদ নাকি বোঝা

পর্তুগাল তাদের প্রথম ম্যাচটি কঙ্গোর সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছিল। যেটা তাদের প্রত্যাশার সঙ্গে একেবারেই যায়নি। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে জোয়াও নেভেসের গোলে লিড নিলেও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ওইসা হেডে গোল করে খেলায় সমতা আনেন। দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনো গোল হয়নি, যদিও পর্তুগাল কিছু সুযোগ পেয়েছিল, সেটি তারা কনভার্ট করতে পারেনি।
প্রথম ম্যাচের পর পর্তুগিজ মিডিয়া থেকে গোটা দুনিয়াই ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে সমালোচনামুখর হয়ে উঠেছে। রোনালদো এই মুহূর্তে পর্তুগালের সম্পদ নাকি বোঝা, সেটি নিয়ে হচ্ছে জোর আলোচনা। কঙ্গোর বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিট রোনালদো পুরোপুরি নিষ্প্রভই ছিলেন। দু-একটা গোলের সুযোগ পেয়েও কনভার্ট করতে পারেননি। তার ওয়ার্ক রেটও ছিল অনেক কম। তাকে নিয়ে দলের ভেতরেও একটি অসন্তোষ রয়েছে বলে শোনা যায়। রোনালদোর সঙ্গে অন্যদের একটা দূরত্ব রয়েছে এবং সেই জিনিসগুলো মাঠের পারফরম্যান্সে একটা নেতিবাচক প্রভাব অবশ্যই ফেলে।
রবার্তো মার্তিনেজ প্রথম ম্যাচে ৪-২-৩-১ ফরমেশনে প্রথম একাদশ সাজান। মাঝমাঠে ভিতিনহা, জোয়াও নেভেস এবং ব্রুনো ফের্নান্দেসের মতো ক্রিয়েটিভ মিডফিল্ডার অনেক দলেই নেই। ভিতিনহা এবং জোয়াও নেভেস সম্প্রতি চ্যাম্পিয়নস লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পিএসজির হয়ে। আর ব্রুনো ফের্নান্দেস ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের প্রাণভোমরা। তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স আসলে তাকে একটু আলাদা করেই রাখে। অন্যদিকে বের্নার্ডো সিলভা ম্যানচেস্টার সিটির গত কয়েক মৌসুমের অন্যতম সেরা তারকাদের একজন। তবে বের্নার্ডো সিলভাকে ৪-২-৩-১ ফরমেশনে ওয়াইড মিডফিল্ড পজিশনে খেলিয়ে পর্তুগিজ দলে কতটুকু সার্ভিস পাবেন বা প্রত্যাশিত পারফরম্যান্সটা বের করে আনা যাবে, সেটি আসলে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। পর্তুগালের বেঞ্চে ফ্ল্যাংক এরিয়াতে জোয়াও ফেলিক্স কিংবা ফ্রান্সেসকা কনসেসাও, রাফায়েল লেওর মতো খেলোয়াড় আছেন, আবার ত্রিনকাওয়ের মতো স্ট্রাইকারও রয়েছেন।




