Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

নারী দিবস

সৃজনশীল প্রকাশনা শিল্পে নারীর অংশগ্রহণ কম কেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৩
সৃজনশীল প্রকাশনা শিল্পে নারীর অংশগ্রহণ কম কেন?

ছবিঃ আগামীর সময়

অমর একুশে বইমেলার মাঠে কথা হচ্ছিল বলাকা প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী শরিফা বুলবুলের সঙ্গে। ২০০৫ সাল থেকে নিয়মিত বইমেলায় অংশ নিলেও এবারের মেলায় তিনি স্টল নেননি। তিনি বলেন, ‘বইমেলা নিয়ে এবার তো নানা রকম জটিলতা ছিল। মেলা হবে কিনা, তা নিয়েই সন্দিহান ছিলাম। তাছাড়া কভিডের পর থেকেই টানা লোকসান গুণতে হচ্ছে। আর নারীদের জন্য প্রকাশনা শিল্পে আসাটাই তো একটা বড় চ্যালেঞ্জ।’

তবে প্রকাশনা জগতে নারীর লড়াইকে আলাদা করে দেখতে চান না দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহরুখ মহিউদ্দিন। তার ভাষায়, ‘আমি ‘নারী প্রকাশক’ হিসেবে নয়, প্রকাশক পরিচয়েই স্বাচ্ছন্দবোধ করি।’

প্রকাশনা শিল্পে কী ধরনের সংকট রয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, ‘অন্য যে কোনো পেশায় নারীরা যে ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন, প্রকাশনা শিল্পেও খুব ভিন্ন কিছু নয়।’

মেলার মাঠে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের পাশেই ছোটদের প্রকাশনী ‘ময়ূরপঙ্খী’র স্টল। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মিতিয়া ওসমান মনে করেন, সমাজে নারীর সামগ্রিক অবস্থানের প্রতিফলনই দেখা যায় প্রকাশনা শিল্পেও।

তিনি বলেন, ‘সমাজের বাস্তবতায় নারীর অবস্থান যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, প্রকাশনা শিল্পেও তার প্রতিফলন দেখা যায়। এ কারণে অনেক নারী হয়তো এখনো এই খাতে যুক্ত হওয়ার কথা ভাবেন না। তাছাড়া অর্থনৈতিক ঝুঁকিও এখানে কম নয়।’

সংখ্যার দিক থেকে দেশে অন্তত সাত শতাধিক সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থা থাকলেও এর মধ্যে নারীর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে অর্ধশতাধিক। মেলার মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, অন্তত ২৫টির বেশি প্রকাশনা সংস্থার স্টলের নেতৃত্বে রয়েছেন নারী।

তবে সামগ্রিক চিত্রে এখনো সংখ্যার দিক থেকে প্রকাশনা শিল্পে পুরুষের আধিপত্যই বেশি। লেখকদের তালিকাতেও নারী লেখকের তুলনায় পুরুষের সংখ্যা বেশি।

‘বই উদ্যান’ প্রকাশনীর প্রকাশক শেখ জান্নাতুন নিসা জানান, দেশে অর্ধশতাধিক নারী পরিচালিত প্রকাশনা সংস্থা থাকলেও এবারের বইমেলায় অংশ নিয়েছেন হাতে গোনা কয়েকজন। তিনি বলেন, ‘করোনা মহামারির পর থেকেই বই বিক্রি কমে গেছে। ফলে অনেক প্রকাশকের পক্ষেই মেলায় অংশ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।’

‘জলপরি’ প্রকাশনা সংস্থার স্বত্বাধিকারী ও শিশু সাহিত্যিক সাফিয়া খন্দকার রেখা জানান, লেখালেখি ও বইয়ের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি প্রকাশনা জগতে এসেছেন।

শুধু প্রকাশকই নয়, নারী লেখকদের বইও এবারের বইমেলায় পাঠকদের আগ্রহ কেড়েছে। বাতিঘর স্টলের ম্যানেজার তারেক আবদুর রব জানান, নারীকেন্দ্রিক গবেষণাধর্মী বইয়ের প্রতি পাঠকদের আগ্রহ বাড়ছে। নারী লেখকের সংখ্যাও ধীরে ধীরে বাড়ছে।

বাতিঘর স্টলে ভালো বিক্রি হচ্ছে মিশু চৌধুরীর ‘বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের অভিযাত্রা’ এবং হাসান মোরশেদের ‘নারী সাক্ষ্যে জেনোসাইড’ বই দুটি।

বিদ্যা প্রকাশ থেকে এসেছে পলি শাহীনার ‘না জীবন না মৃত্যু’, তাসলিমা জামান পান্নার ‘কাছে থেকেও দূরে তুমি’, পিওনা আফরোজের ‘বিকেলের অনেক রং’ এবং রিমি রুম্মানের ‘নোঙর’।

বেহুলা প্রকাশনী প্রকাশ করেছে শর্মি দে’র কবিতার বই ‘একটি বিষণ্ন বেহালা’। পাশাপাশি গবেষণাধর্মী বইয়ের মধ্যে চন্দন চৌধুরীর সংগ্রহ ও সম্পাদনায় ‘বাংলা বিজ্ঞাপনে নারী’ বইটিও পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

শনিবার ছিল অমর একুশে বইমেলার দশম দিন। মেলা বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে। এর মধ্যে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ছিল শিশুপ্রহর।

মেলার তথ্যকেন্দ্রে এদিন নতুন বই জমা পড়েছে ১৮৫টি। ‘লেখক বলছি’ অনুষ্ঠানে নিজের বই নিয়ে আলোচনা করেন মুস্তাফা মজিদ।

অমর একুশে উদযাপনের অংশ হিসেবে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় শিশুকিশোর সংগীত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব।

বিকেল ৩টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় জন্মশতবর্ষ: নূরজাহান বেগম শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইসরাইল খান। আলোচনায় অংশ নেন সোহরাব হাসান। সভাপতিত্ব করেন লুভা নাহিদ চৌধুরী।

বিকেল ৪টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন মিনহাজুল হক। আবৃত্তি পরিবেশন করেন সাহিদা পারভীন রেখা, আনজুমান আরা ও আজহারুল ইসলাম রনি। সংগীত পরিবেশন করেন ফেরদৌস আরা, পিয়াল হাসান, নিশাত আহমেদ, মো. ইউসুফ আহমেদ খান, জয় শাহরিয়ার, নির্ঝর চৌধুরী ও মো. শফিউদ্দিন। যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন কাজী মো. ইমতিয়াজ সুলতান (তবলা), মো. নূর এ আলম সজীব (কীবোর্ড), মো. মনিরুজ্জামান (বাঁশি) এবং মো. মেজবাহ উদ্দিন (অক্টোপ্যাড)।

রবিবার মেলা শুরু হবে দুপুর ২টায় এবং চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। বিকেল ৩টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে আসাদ চৌধুরী শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন কুদরত-ই-হুদা। আলোচনায় অংশ নেবেন সৈকত হাবিব। সভাপতিত্ব করবেন সৈয়দ আজিজুল হক। বিকেল ৪টায় রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অমর একুশে বইমেলাবইমেলানারী দিবসনারী প্রকাশক
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise