পররাষ্ট্রমন্ত্রী
শ্রমিক পাঠানোর খরচ কমাতে রাজি কুয়ালালামপুর ও ঢাকা

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর খরচ কমাতে রাজি হয়েছে কুয়ালালামপুর ও ঢাকা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সময়ে চীন ও মালয়েশিয়া সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
তিনি বলছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে দুই দেশের মধ্যে ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি আসিয়ানের ডায়ালগ পার্টনার হতেও বাংলাদেশকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছে কুয়ালালামপুর।
এ ছাড়াও চীনের সঙ্গে ‘চায়না-বাংলাদেশ কমিউনিটি উইথ এ শেয়ারড ফিউচার’ সম্পর্ক তৈরি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, সাংহাই কো-অপারেশন ও ব্রিকসে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বেইজিং।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
গত সপ্তাহে মালয়েশিয়া সফরকালে বাংলাদেশিদের জন্য সে দেশের শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি আহ্বান জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান মন্তব্য করেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ এবং দ্রুত শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনার কথা বলেছি। পাশাপাশি অনিয়মিত শ্রমিকদের বৈধকরণ এবং আটক বাংলাদেশিদের সম্ভাব্য প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও উত্থাপন করেছি।’
‘আমরা একমত হয়েছি যে শ্রমিক নিয়োগপ্রক্রিয়া হতে হবে স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী, যাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা কমে এবং শ্রমিকদের ব্যয় হ্রাস পায়’, যোগ করেন তিনি।





