Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
দুর্ঘটনা থেকে বাঁচালেন ক্যাপ্টেন আসিফ
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

দায়টা কে নেবে?

মুসলিমা জাহান সেতু
মুসলিমা জাহান সেতু
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ০৭:০৬
দায়টা কে নেবে?

দেশে হামের টিকা নিয়ে যে সংকট, তার দায় অন্তর্বর্তী সরকারের বলে অভিযোগ অনেকের। ওই সময় টিকা ক্রয়-প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনায় সময়মতো টিকা মেলেনি বলে জানায় ইউনিসেফ। তবে দাতানির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ প্রক্রিয়ার পরিকল্পনা করা হয় বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।

বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় টিকা ক্রয় পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ ছিল। কিন্তু এতে প্রয়োজনীয় পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না, যার কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে টিকা কার্যক্রম। তবে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে আরও আগে, ২০২২ সালের দিকে। এর পাশাপাশি করোনার সময় টিকা সরবরাহের ঘাটতিও হাম বিস্ফোরণে জ্বালানি জুগিয়েছে। একাধিক জনস্বাস্থ্যবিদের ভাষ্য, হামের আজকের এই পরিস্থিতির মূল কারণ, জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সরকারের গুরুত্বহীনতা। হামে এত শিশু না মারা গেলে হয়তো বিষয়টি এখনো উপেক্ষিতই থাকত। সরকারি কর্মকর্তারা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ শোনেন না। আমলে নেননি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতাও।

‘হামের প্রথম টিকা সরবরাহ ভেঙে পড়ে করোনাকালে। তখন ২০২০-২১ সালের টিকা ক্যাম্পেইন থেকে বাদ পড়ে বড় সংখ্যক শিশু। এই বাদ পড়া শিশুদের জন্য দ্রুতই আরেকটি ক্যাচ-অাপ ক্যাম্পেইন দরকার ছিল, যা হয়নি। এরপর ২০২২ সাল থেকে তৎকালীন আওয়ামী সরকার টিকা কেনার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করে। সে অনুযায়ী তারা টিকা ক্রয়-প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনতে চায়, যেখানে সরকার নিজেরা সরাসরি টিকা কিনবে। এই পরিকল্পনা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উদ্যোগে পরিণত হয়। এই উদ্যোগে হামের টিকা সরবরাহে দেখা দেয় ঘাটতি। এই ঘাটতিতে ২০২৪ সালের নির্ধারিত হামের ক্যাম্পেইন বন্ধ হয়ে যায়। এতে টিকার আওতার বাইরে থেকে যায় অনেক শিশু। ভেঙে পড়ে হামের হার্ড ইমিউনিটি। যার ফলে হামের টিকার ক্ষেত্রে উদাহরণ তৈরি করা বাংলাদেশ এখন প্রতিদিন প্রত্যক্ষ করছে প্রতিরোধযোগ্য শিশুমৃত্যু’, নেপথ্য কারণ জানালেন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তিন জনস্বাস্থ্যবিদ।

আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত জনস্বাস্থ্যবিদ ইশতিয়াক মান্নানের অভিযোগ, হামে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে টিকা পায়নি অন্তত ৭০ শতাংশ। টিকা সরবরাহের ঘাটতির কারণে যে এরকম পরিস্থিতি হতে পারে, তা বুঝতে পারেননি নীতিনির্ধারকরাও। তাদের সিদ্ধান্তের কারণে দেশ এখন হামের মহামারীর মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, মারা যাচ্ছে শিশুরা।

সম্প্রতি ইউনিসেফ মতবিনিময় সভায় দাবি করেছে, অন্তর্বর্তী সরকারকে চিঠি ও বৈঠকের মাধ্যমে অন্তত ১৬ বার সম্ভাব্য টিকা সংকটের বিষয়ে সতর্ক করেছে। কিন্তু বিষয়টি আমলে নেননি অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকর্তারা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে পাঁচ-ছয়টি চিঠি দিয়ে এবং ১০টি মিটিংয়ে সরকারের কর্মকর্তাদের কাছে এই কথা জানানো হয়েছিল। এমনকি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদেরও জানানো হয়। অন্তর্বর্তী সরকার টিকা ক্রয় প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনায় দেশে সময়মতো টিকা আসেনি।

সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে দাতা সংস্থার সহায়তায় ১৯৯৮ সালে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত কর্মসূচি (এইচপিএনএসপি) চালু করে। পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসূচিটি সেক্টর প্রোগ্রাম নামে পরিচিত। যার আওতায় সারা দেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) পরিচালিত হয়। এতদিন ইউনিসেফের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব সংস্থা গ্যাভির আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ সরকার টিকা কেনে। এটি বাস্তবায়ন করা হতো অপারেশন প্ল্যানের (ওপি) মাধ্যমে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে ওপি বাদ দিয়ে নিজেরা টিকা কেনার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগের ইতিবাচক দিক তুলে ধরলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন। তার ভাষ্য, দাতানির্ভরতা কমানোর জন্য সেক্টর প্রোগ্রাম থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার পরিকল্পনা প্রশংসনীয়। কিন্তু সঠিকভাবে তার বাস্তবায়ন করা হয়নি। বরং এমন সিদ্ধান্তে হামের মহামারীর মধ্য দিয়ে যাচ্ছে পুরো দেশ।

এ বিষয়ে কথা বলতে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক সায়েদুর রহমানের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা হলেও সাড়া দেননি তিনি। 

 

হামের টিকান্তর্বর্তী সরকারঅভিযোগদাতানির্ভরতাআইইডিসিআর
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১২ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    নরওয়ে
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    ১২ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৭:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    সুইজারল্যান্ড
    ০
    ১৫ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    স্পেন
    ০
    advertisement
    advertisement
    ৫ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যান চলাচল

    ৫ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যান চলাচল

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০০:২৭

    ‘মেসি যে ৮টা অসাধারণ গোল করেছে, ওরা তা দেখে না’

    ‘মেসি যে ৮টা অসাধারণ গোল করেছে, ওরা তা দেখে না’

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৮

    কক্সবাজারে পাহাড়ধসে গৃহবধূর মৃত্যু

    কক্সবাজারে পাহাড়ধসে গৃহবধূর মৃত্যু

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:২৯

    ভক্তদের বিশ্বরেকর্ড

    ভক্তদের বিশ্বরেকর্ড

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:২২

    এক পাতিলের সংসার

    এক পাতিলের সংসার

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫

    advertiseadvertise