মাহবুব আলী খানের রুহের মাগফিরাতে দোয়া মাহফিল

মাহবুব আলী খানের রুহের মাগফিরাতে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্বশুর ও সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের রুহের মাগফিরাত কামনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহবুব আলীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আজ বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব রাজধানীর ধানমন্ডিতে মরহুমের বাসভবন ‘মাহবুব ভবনে’ এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। ১৯৮৪ সালের ৬ আগস্ট মাহবুব আলী খান ইন্তেকাল করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মাহবুব আলী খানের কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ মরহুমের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজন এই দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।
এ ছাড়া জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবর্গ, সংসদের চিফ হুইপ, হুইপবৃন্দ, সংসদ সদস্য, সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।
এ সময় সাবেক রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খানের জীবন ও কর্মের ওপর আলোকপাত করেন দেশের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদগণ। পরে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। একইসঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এর আগে সকালে বনানীতে মাহবুব আলী খানের কবর জিয়ারত করেন ডা. জুবাইদা রহমান ও জাইমা রহমান। এ ছাড়া ঢাকার বিভিন্ন এতিমখানা, মাদ্রাসা ও মসজিদে কোরআন খতম হয়েছে। সিলেটের বিরাহিমপুরে নিজ বাসায় জোহরের পর মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বগুড়ার বিভিন্ন মসজিদ ও মাজারেও কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল হয়।
মাহবুব আলীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে কাবা শরীফে মোনাজাত করা হয়। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।





