নেপালে আন্তর্জাতিক তায়কোয়ানডোয় বাংলাদেশের ৪ স্বর্ণসহ ১৮ পদক জয়

ছবি: আগামীর সময়
নেপালে অনুষ্ঠিত প্রথম সাওরাহা ইন্টারন্যাশনাল ওপেন তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশিপে চারটি স্বর্ণসহ মোট ১৮টি পদক জিতেছে বাংলাদেশ। ১৬ খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণে অর্জিত এসব পদকের মধ্যে রয়েছে চারটি স্বর্ণ, তিনটি রৌপ্য ও ১১টি তাম্রপদক। পদকজয়ীদের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বর্তমান ও সাবেক ছয় প্রতিনিধি এবং রাজশাহীর দুটি তায়কোয়ানডো অ্যাকাডেমির ১০ খেলোয়াড় রয়েছেন।
বয়সভিত্তিক পুমসে ও কিয়োরুগি বিভাগে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের হয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. শাহীন আলী এবং চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রিদওয়ান তাসকিন রাতুল।
এ ছাড়া বাংলা বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী মো. নাঈম আলী ৩৩ থেকে ৪৯ বছর বয়সীদের মাস্টার ক্যাটাগরির ব্যক্তিগত পুমসে বিভাগে রৌপ্যপদক অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবাহ কানেতা তারিক ও কামরুজ্জামান এবং শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের মারিয়াম তাম্রপদক জেতেন।
অন্যদিকে, রাজশাহীর এআরসি গ্লোবাল তায়কোয়ানডো অ্যাকাডেমির খেলোয়াড়দের মধ্যে জান্নাতিন ঝুমারা পুমসে বিভাগে স্বর্ণ ও কিয়োরুগিতে তাম্রপদক অর্জন করেন। রোসানা আরিয়া পাশা পুমসে বিভাগে স্বর্ণ এবং আহমেদ জাইন পাশা রৌপ্যপদক পান। নাফিয়া নাওয়াল ভূঁইয়া নোফে, ওমায়ার ভূঁইয়া ওয়াদি ও আহিয়া তাসমিয়া পুমসে বিভাগে তাম্রপদক অর্জন করেন। এ ছাড়া তাইয়েবা আহমেদ পুমসে বিভাগে রৌপ্য ও কিয়োরুগিতে তাম্রপদক জেতেন।
এদিকে, তায়কোয়ানডো স্পোর্টস অ্যাকাডেমির খেলোয়াড় আদনান বিন নাজিম, আইরিস হোসেন ও আদোয়া আনজুম পুমসে বিভাগে তাম্রপদক অর্জন করেন।
তাম্রপদক জয়ী গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সাবেহ কানেতা তারেক বললেন, এটা আমার প্রথম আন্তর্জাতিক পর্যায় খেলা ছিলো। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় খেলার গন্ডি পেরিয়ে নেপালে সওরাহা ওপেন ইন্টারন্যাশনাল তায়কোয়ান্ডো চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমরা অনেক গর্ববোধ করছি। কিন্তু এই ধরনের প্রতিযোগিতায় যদি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় আরো উৎসাহ ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে থাকে তাহলে আমরা ভবিষ্যতে আরো ভালো অর্জন নিয়ে আসতে পারবো বলে বিশ্বাস করি।



