Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রবাসী বাকারের টাকায় শিক্ষার প্রসার
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সহযোগীদের খবর

আইএমএফের নতুন ঋণ কি জনজীবনে চাপ আরও বাড়াবে?

বিবিসি বাংলা
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ১৭:৩১
আইএমএফের নতুন ঋণ কি জনজীবনে চাপ আরও বাড়াবে?

সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা আইএমএফের সঙ্গে চলমান ঋণ কর্মসূচিতে স্থবিরতার মধ্যেই সংস্থাটি থেকে নতুন করে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার ঋণ চাইছে বাংলাদেশ- এমন খবর বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকেও এক বিলিয়ন ডলার ঋণ চাওয়া হয়েছে বলে এসব খবরে বলা হচ্ছে।

মূলত অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি ওয়াশিংটন সফরে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সঙ্গে বৈঠকের সময়ে এমন প্রস্তাব দিয়ে কিছুটা ইতিবাচক সাড়াও পেয়েছেন বলে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আভাস দিচ্ছেন।

যদিও কর্মকর্তারা বলেছেন, পর্দার অন্তরালে চলা আলোচনা নিয়ে দুই পক্ষ চূড়ান্ত সমঝোতায় উপনীত হলেই শুধু এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা ঘোষণা আসবে।

কিন্তু এই আলোচনার খবর এমন সময় সামনে এলো যখন ২০২৩ সালে সংস্থাটির সঙ্গে শুরু হওয়া ঋণ কর্মসূচির ষষ্ঠ কিস্তির টাকাই আটকে গেছে।

এমনকি বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী ওয়াশিংটনে গিয়ে বৈঠকের পরেও ঋণ পাওয়া নিয়ে জটিলতা কাটেনি। সে কারণে জুনের মধ্যে আইএমএফের কাছ থেকে এক দশমিক তিন বিলিয়ন বা ১৩০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার কথা থাকলেও সেটি পাচ্ছে না বাংলাদেশ।

এখন কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, এসব নিয়ে আলোচনার জন্য জুনে বাংলাদেশের সংসদে জাতীয় বাজেট ঘোষণার পর আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলছেন, ‘বাজেটে ঋণ কর্মসূচিতে থাকা সংস্কার প্রস্তাবগুলোর কতটা প্রতিফলন থাকে হয়তো সেটা দেখেই আইএমএফ ঢাকায় আসতে পারে।’

সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অর্থনীতিবিদ মুস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, ‘জুনে আইএমএফ প্রতিনিধিরা ঢাকায় আসার পর চলমান ঋণ কর্মসূচির আটকে থাকা কিস্তিগুলো ছাড়ের সিদ্ধান্ত হলে বাংলাদেশ তখন নতুন ঋণের প্রস্তাব দিতে পারে।’

নতুন ঋণ চাপ বাড়াবে, না কমাবে

ঢাকায় অর্থ মন্ত্রণালয় ও ইআরডির কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, মূলত ইরান যুদ্ধের জেরে জ্বালানি ব্যয় ব্যাপক বেড়ে যাওয়ার প্রতিক্রিয়া সামলানোর জন্য অর্থাৎ জনজীবনে তৈরি হওয়া চাপ সহজ করার জন্য নতুন ঋণ চাওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে।

আবার কেউ কেউ বলছেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতা ও বাংলাদেশের নতুন পরিস্থিতিকে সামনে রেখে আইএমএফ নিজেও এ ধরনের প্রস্তাব দিয়ে থাকতে পারে।

যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন করে ঋণ নিতে গেলেও আইএমএফ চলমান ঋণ কর্মসূচির জন্য আগে যেসব শর্ত দিয়েছিল, সেগুলোতেই নতুন করে জোর দেওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

অর্থাৎ সরকারের ভর্তুকি কমানো, রাজস্ব খাতে সংস্কার, ব্যাংক খাতে সংস্কার, করছাড় বাতিল করা কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে কর বাড়ানোর মতো বিষয়গুলোই গুরুত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

‘আইএমএফের মূল শর্তই তো এগুলো। এখন নতুন করে ঋণ দিতে হলেও তারা নিশ্চয়ই আগে জানতে চাইবে, এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পরিকল্পনা এখন কী হবে। আর ভর্তুকি কমালে, ট্যাক্স বাড়লে মানুষের ওপরেই তো এর চাপ পড়বে। আবার ঋণ না নিলে রিজার্ভের অর্থ ব্যয় করতে হবে, সেটিও জনজীবনে চাপ তৈরি করবে,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন জাহিদ হোসেন।

যদিও আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়াও নিয়ে কাজ করছে একটি কমিটি।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, একটি ঋণ কর্মসূচি চলমান থাকা অবস্থায় নতুন করে ঋণ প্রস্তাবের আলোচনা উঠছে কেন?

জানা গেছে, সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বৈঠকের সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন ঋণের বিষয়টি তাদের মৌখিকভাবে অবহিত করেছেন।

ঢাকার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে অবশ্য এমন ধারণাও পাওয়া যাচ্ছে যে, সরকার আইএমএফের সঙ্গে চলমান ঋণ কর্মসূচির ষষ্ঠ ও সপ্তম কিস্তি পাওয়ার চেয়ে নতুন করে ঋণ পেতেই বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে।

যদিও এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তখনকার অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন যে, ‘ঋণ কর্মসূচির আওতায় বড় শর্তগুলো পূরণ হয়ে গেছে। কিছু অধ্যাদেশ হয়েছে। নির্বাচিত সরকার এসব অধ্যাদেশ সংশোধন করে হলেও আইনে পরিণত করলে আইএমএফ আপত্তি করবে না বলেই আশা করি।

কিন্তু বাস্তবতা হলো বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে ব্যাংক খাত নিয়ে করা ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ এমনভাবে সংশোধন করে সংসদে পাস করেছে, তা ব্যাংক সংস্কারকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলেই মনে করেন। ওই সংশোধনীর ফলে দুর্বল ব্যাংকের পুরনো শেয়ারধারীদের আবারও ব্যাংকের মালিকানায় ফেরার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জাহিদ হোসেন বলছেন, ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ একটা কমফোর্ট দিয়েছিল। কিন্তু পাস হওয়া আইনে সেই স্পিরিট থাকল না। আবার আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী প্রতি মাসের শুরুতে তেলের দাম নির্ধারণ শুরু হয়েছিল কিন্তু গত দুমাসে তা হয়নি। এনবিআর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সেপারেশন হলো কিন্তু অধ্যাদেশটি পাস হলো না। আমার মনে হয় আইএমএফ এসব বিষয়ে প্রশ্ন তুলবে’।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এত কিছুর পরেও সরকার যদি শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে আইএমএফের কাছে নতুন করে ঋণ চায় এবং সংস্থাটি যদি সেটি অনুমোদন করে, তাহলে সেটি কী মানুষের ওপর আরও চাপ তৈরি করবে কি-না।

অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলছেন, প্রথমত বাংলাদেশকে আইএমএফের সঙ্গে চলমান থাকা ঋণ কর্মসূচির ষষ্ঠ ও সপ্তম কিস্তির ১৩০ কোটি ডলার পেতে হবে এবং তারপর নতুন ঋণ চাইতে পারে।

‘কিন্তু আগের শর্ত তো বাংলাদেশ পালন করতে পারেনি। শর্ত অনুযায়ী শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি বাড়েনি। এ বছর টার্গেট থেকে আরও অনেক পেছনে। পাশাপাশি ভর্তুকি প্রত্যাহার কিংবা কর ছাড় বাতিল করা আইএমএফ যেভাবে চাইবে সেটা করা সরকারের জন্য কঠিন হতে পারে,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

অবশ্য নতুন করে ঋণ প্রস্তাব চাওয়ার চিন্তাভাবনার ক্ষেত্রে যে বিষয়টি আলোচনায় আসছে, তাহলো ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির জন্য সরকারকে অতিরিক্ত প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে; কিন্তু অর্থনীতিতে চাপ পড়বে বলে সরকার এটি রিজার্ভ থেকে খরচ করতে চাইছে না।

‘আমার ধারণা এ কারণেই সরকার বিশ্বব্যাংক, আইডিবি আর আইএমএফের মতো সংস্থাগুলোর কাছে আরও ঋণ নেওয়ার চিন্তা করছে। কারণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে হাত দিলে আমদানি সক্ষমতা ও ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা কমে যাবে এবং মুদ্রার বিনিময় হারে ব্যাপক প্রভাব পড়বে। তখন মানুষের ওপর ট্যাক্স বাড়াতে হবে,’ বলছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।

জাহিদ হোসেন অবশ্য বলছেন, এটি সত্যি যে যুদ্ধের কারণে নগদ অর্থের প্রয়োজন বেড়েছে কিন্তু নতুন করে ঋণ চাইলেও সরকারকে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে যে –‘যেই সংকট মোকাবেলার জন্য নতুন ঋণ চাইছেন সেই সংকট মোকাবেলায় বা ব্যবস্থাপনায় সরকারের কর্মপরিকল্পনা কী। অর্থাৎ টাকাটা কোথায় ব্যয় হবে’।

‘না হলে চলমান ঋণ কর্মসূচি আছে। এখন সেটা বাদ দিয়ে নতুন আরেকটা কর্মসূচির মাধ্যমে ঋণ নেওয়া জাস্টিফাইড হবে কীভাবে,‘’ বলছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, আইএমএফের সঙ্গে ২০২৩ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় চার দশমিক সাত বিলিয়ন বা ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি সই করেছিল বাংলাদেশ।

পরে ২০২৪ সালের আগস্টে আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ওই সময় ঋণের পরিমাণ আরও ৮০০ মিলিয়ন ডলার বাড়ানো হয়।

এই অর্থের মধ্যে এখন পর্যন্ত আইএমএফ বাংলাদেশকে ঋণছাড় করেছে তিন দশমিক ৬৪ বিলিয়ন বা ৩৬৪ কোটি ডলার।

গত ডিসেম্বরে ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি অর্থ পাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু তখন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ঋণের অর্থ ছাড় করেনি আইএমএফ। এখন ষষ্ঠ ও সপ্তম কিস্তির টাকা একসঙ্গে পাওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে।

চলতি বছরের মার্চে ঢাকায় এসেছিলেন আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন। ওই বৈঠকের পরেই সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী ওয়াশিংটনে এপ্রিলের বৈঠকে আইএমএফের কাছে বাড়তি সহায়তা চাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

সেই বৈঠক থেকে দেশে ফিরে গত ১৯ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছেন, অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আবার আলোচনা হবে। ‘আইএমএফের কোনো শর্ত যদি জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণে বাধা হয়, সে সিদ্ধান্ত বিএনপি সরকার নেবে না,’ বলেছিলেন তিনি।

যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, ঋণ চুক্তিতে যেসব শর্ত ছিল সেগুলো থেকে আইএমএফ সরে আসবে-এমনটি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তাদের মতে, বরং বাংলাদেশ সরকারকেই নতুন করে বলতে হবে যে সংস্কারের শর্তগুলো তারা কীভাবে বাস্তবায়ন করবে।

আইএমএফনতুন ঋণ
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১০ জুলাই ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    মরক্কো
    ০
    ১১ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    স্পেন
    ০
    বেলজিয়াম
    ০
    ১২ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    নরওয়ে
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    advertisement
    advertisement
    হাসপাতাল ছাড়া জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়

    হাসপাতাল ছাড়া জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০০:৩০

    শোকের মধ্যেই ইরানে পাল্টা হামলা, ভাঙনের মুখে যুদ্ধবিরতি সমঝোতা

    শোকের মধ্যেই ইরানে পাল্টা হামলা, ভাঙনের মুখে যুদ্ধবিরতি সমঝোতা

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০০:৪৯

    আবার কাঁদল কারবালা

    আবার কাঁদল কারবালা

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:১১

    খামেনি অমর, অম্লান তার আদর্শ

    খামেনি অমর, অম্লান তার আদর্শ

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭

    প্রবাসী বাকারের টাকায় শিক্ষার প্রসার

    প্রবাসী বাকারের টাকায় শিক্ষার প্রসার

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৫

    বিপিডিবির সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের চুক্তি

    বিপিডিবির সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের চুক্তি

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৭

    বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান সম্পর্ক বহুমুখীকরণে জোর

    বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান সম্পর্ক বহুমুখীকরণে জোর

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৭

    ‘কপালে ভাঁজ’ প্রশাসনের হাজার কর্মকর্তার

    ‘কপালে ভাঁজ’ প্রশাসনের হাজার কর্মকর্তার

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৮

    ভারতের সরকার ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে জবাবদিহির নির্দেশ হাইকোর্টের

    ভারতের সরকার ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে জবাবদিহির নির্দেশ হাইকোর্টের

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:১৫

    পরিকল্পনার গলদে মিলছে না মুক্তি

    পরিকল্পনার গলদে মিলছে না মুক্তি

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৩

    মাঠে তার হাঁটুজল থাকে

    মাঠে তার হাঁটুজল থাকে

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩০

    ছুটির ঘণ্টার আগেই শিশুদের মৃত্যুঘণ্টা

    ছুটির ঘণ্টার আগেই শিশুদের মৃত্যুঘণ্টা

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৮

    আজকের নামাজের সময়সূচি (০৯ জুলাই)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (০৯ জুলাই)

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৬

    বৃহস্পতিবার ঢাকার যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ

    বৃহস্পতিবার ঢাকার যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৪

    ট্রাম্পের হুমকির পরপরই ইরানে ফের বোমা হামলা

    ট্রাম্পের হুমকির পরপরই ইরানে ফের বোমা হামলা

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৯

    advertiseadvertise