Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
সুনীল নিজেই ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি’
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সহযোগীদের খবর

গরুর মাংসের শুঁটকি— সময় বদলালেও যে খাবার এখনো হারিয়ে যায়নি

বিবিসি বাংলা
agamir somoy
প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৬, ১৬:০৪
গরুর মাংসের শুঁটকি— সময় বদলালেও যে খাবার এখনো হারিয়ে যায়নি

সংগৃহীত ছবি

'গরুর মাংসের শুঁটকি'— কথাটি লিখে ফেসবুকে সার্চ দিতেই সামনে চলে আসে অসংখ্য ছবি, ভিডিও আর বিজ্ঞাপন। কেউ অনলাইনে বিক্রি করছেন গরুর মাংসের শুঁটকি, কেউ বিক্রি করছেন গরুর মাংসের আচার। অনেকে আবার ভিডিও পোস্ট করে তাতে দেখাচ্ছেন যে কীভাবে তৈরি করতে হয় মাংসের শুঁটকি ভুনা, ভর্তা বা ঝাল রান্না।

একসময় যে খাবারটি মূলত গ্রামের ঘরোয়া সংরক্ষণ পদ্ধতির অংশ ছিল, এখন সেটিই ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে অনলাইন ব্যবসা, ফুড ব্লগ আর শহুরে খাবারের তালিকায়। বিশেষ করে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার সময় কোরবানির মাংস সংরক্ষণের উপায় হিসেবে অনেক পরিবার গরুর মাংসের শুঁটকি তৈরি করত।

আগেকার দিনে আজকের মতো ধনী-গরিব নির্বিশেষে ঘরে ঘরে রেফ্রিজারেটর ছিল না। তাই, মানুষ তখন মাংসে লবণ, হলুদ ও বিভিন্ন মসলা মাখিয়ে রোদে শুকাত। এতে মাংস দীর্ঘদিন ভালো থাকত এবং পরে রান্না করেও খাওয়া যেত।

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল, উপকূলীয় অঞ্চল ও কিছু গ্রামীণ এলাকায় যুগ যুগ ধরে এভাবেই মাছের পাশাপাশি মাংসের শুঁটকিও করা হতো এবং কোথাও কোথাও এখনো তা টিকে আছে। তবে শুধু বাংলাদেশেই নয়, এশিয়া, আফ্রিকা, আমেরিকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে এর প্রচলন আছে এবং রোদে বা কৃত্রিম উপায়ে শুকানো মাংসের বেশ কদরও রয়েছে বিশ্ব জুড়ে।

রোদ, ধোঁয়া আর স্মৃতিতে টিকে থাকা এক খাবার

সময় বদলেছে। রেফ্রিজারেটরের বদৌলতে বদলেছে খাবার সংরক্ষণের পদ্ধতিও। কোরবানির ঈদে মাংস রান্না ও বিতরণ করার পর এখন আর মানুষকে সেগুলো সংরক্ষণ করা নিয়ে ভাবতে হয় না।

কিন্তু কেউ কেউ আছেন, যাদের গরুর মাংসের শুঁটকির প্রতি আগ্রহ কমেনি। সে কারণেই এই রেফ্রিজারেটরের যুগেও তারা নিজেদের খাওয়ার জন্য গরুর মাংসের শুঁটকি তৈরি করেন।

আর এটি বোঝা যায় অনলাইনে গরুর মাংসের শুঁটকি বিক্রির হিড়িক দেখে। এটি এখন হলফ করে বলা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন ব্যবসার কারণেও এটি নতুন করে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। অনেকেই এখন এটিকে ঐতিহ্যবাহী খাবার হিসেবেও তুলে ধরছেন।

বর্তমানে যশোরের বেনাপোলে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা মো. কাউসার আহমেদ, যার জন্ম ও বেড়ে ওঠা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর জেলায়। তিনি বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, ছোটবেলায় তিনি কোরবানির ঈদে তাদের গ্রামের প্রত্যেক ঘরে ঘরেই গরুর মাংসের শুঁটকি বানাতে দেখতেন, কারণ তখন ফ্রিজ ছিল না।

গরুর মাংসের শুঁটকি তৈরির জন্য সাধারণত মাংস পাতলা বা ছোট টুকরো করে কাটা হয়। এরপর লবণ, মরিচ, হলুদসহ বিভিন্ন মসলা মাখিয়ে কয়েক দিন রোদে শুকানো হয়।

কাউসার আহমেদ নিজেও নানা ধরনের খাবার রান্না করতে বা নতুন নতুন খাবার নিয়ে পড়াশোনা করতে পছন্দ করেন। তিনি তার স্মৃতি থেকে বলছিলেন, ‘সবসময় যে হলুদ-মরিচ মাখানো হতো, তা না। শুধু লবণ দিয়েও মেটালের চিকন তারের মাঝে ঝুলিয়ে কড়া রোদে দেওয়া হতো।’

কোথাও কোথাও ধোঁয়ায় শুকানোর পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়। এতে মাংস বা মাছ সরাসরি আগুনে পোড়ানো হয় না। বরং, আগুনের একটু ওপরে বা পাশে ঝুলিয়ে রাখা হয়, যাতে আগুনের ধোঁয়া ও তাপে পানি কমে গিয়ে ধীরে ধীরে মাংস বা মাছ শুকিয়ে যায়।

বাংলাদেশের কিছু গ্রামীণ এলাকায়, বিশেষ করে যেখানে দীর্ঘদিন খাবার সংরক্ষণের প্রয়োজন হতো, সেখানে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হতো। এতে এক ধরনের আলাদা ধোঁয়ার স্বাদও যোগ হয়।

কাউসার আহমেদ এই প্রক্রিয়ায়ও শুঁটকি করতে দেখেছেন জানিয়ে বলেছেন, ‘গ্রামের মাটির চুলায় যখন রান্না হতো, সেই চুলার ওপরে একইভাবে মাংস ঝুলিয়ে রাখা হতো। রান্নার যে তাপ, তাতে সেই রোদের কাজ হয়ে যেত। যারা স্মোকি ফ্লেভার চান, তারা এভাবে করত।’

তিনি জানান, এভাবে গরুর মাংসের শুঁটকি করতে অনেক সময় দিতে হয় এবং সেই সময়টা দেওয়া অনেকের জন্য এখন কঠিন।

‘আগে এই শুঁটকি খেতে হলে এত কষ্ট করে সব নিজেরই করা লাগত। এখন যেকোনো ঐতিহ্যবাহী খাবার অনলাইনে পাওয়া যায়”— হাসতে হাসতে বলছিলেন মি. আহমেদও।

চাঁদপুরের স্থানীয় সাংবাদিক কাদের পলাশ, যিনি সেখানকার ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে কাজও করেছেন, বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন যে তিনিও তার মা-চাচিদের কোরবানি এলেই মাংসের শুঁটকি তৈরি করতে দেখেছেন। কিন্তু গত ২০ বছর ধরে তার পরিবারের আর কেউ তা বানান না।

প্রয়োজন ফুরিয়েছে, টিকে আছে স্বাদ ও ঐতিহ্য

এটি স্পষ্ট যে গরুর মাংস সংরক্ষণের পুরনো পদ্ধতি 'শুঁটকি' অনেকের কাছে শুধু একটি খাবার না; বরং, পারিবারিক ও আঞ্চলিক ঐতিহ্যের অংশ।

দিনের পর দিন রোদে-ধোঁয়ায় মাংস শুকিয়ে আসছে দিনের জন্য সংরক্ষণ করার প্রয়োজনীয়তা এখন ফুরিয়েছে। তবুও এটি টিকে রয়েছে এর স্বাদ ও ঐতিহ্যের কারণে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া এ নিয়ে বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, আজ থেকে ৫০ বছর আগে ফ্রিজ অপ্রতুল ছিল। অনেক পরিবারের কেনার সামর্থ্যও ছিল না। তখন মানুষ মাছ-মাংস শুঁটকি করে রেখে দিত।

‘অনেকে এখনো সেই আগের প্রসেসটাই ফলো করছে বা ওই খাদ্যসংস্কৃতিকে রক্ষা করছে, তা মূলত এর (গরুর মাংসের শুঁটকির) স্বাদের কারণে’— বলছিলেন তিনি।

তবে তিনি মনে করেন, যেকোনো খাবার আসলে মানুষের অভ্যাসের ব্যাপার।

‘বরিশাল অঞ্চলে সেভাবে শুঁটকি খায় না, চরাঞ্চলগুলোতে অনেকে খায়। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, নেত্রকোনা— এই বেল্টে শুঁটকি খায়। চট্টগ্রাম মানেই শুঁটকি। এর মূল কারণ, হয়তো তাদের পূর্বপুরুষরা শুঁটকি খেত। অথচ সেখানেও কিন্তু সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যায়, সেখানকার মাছ রপ্তানি করা হচ্ছে। অর্থাৎ যেখানে সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, সেখানেই মানুষ খায়।’

গরুর মাংসের শুঁটকি কীভাবে এসেছে, এর ‘আভিধানিক কোনো ব্যাপার নেই।’

তবে আগে মানুষ ‘গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে প্রসেস করে শুঁটকি নিয়ে যেত। শুধু গরুর মাংস না, মুরগীর মাংস, মহিষের মাংসও নিয়ে যেত’— যোগ করেন এই অধ্যাপক।

শুঁটকির পশ্চিমা সংস্করণ 'জার্কি'


এই অঞ্চলের পরিচিত গরুর মাংসের শুঁটকির সঙ্গে মিল রয়েছে পশ্চিমা বিশ্বের জনপ্রিয় খাবার বিফ জার্কির। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে এটি বেশ পরিচিত একটি খাবার।

বিফ জার্কি বলতে সাধারণত এমন শুকনো গরুর মাংসকে বোঝানো হয়, যা পাতলা করে কেটে মসলা বা সস মাখিয়ে মেরিনেট করে পরে শুকানো হয়, যাতে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়।

এটি সাধারণত স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়া হয়। তবে এই খাবারের ধারণা অনেক পুরনো।

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির একটি প্রকাশনায় বলা হয়েছে, ‘জার্কি’ (শুকনো মাংস) মূলত উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার আদিবাসীদের মাংস সংরক্ষণের ঐতিহ্য থেকে এসেছে। তারা স্থায়ীভাবে এক জায়গায় থাকত না।

কখনো খাবারের সন্ধানে বা ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তারা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করত। সেসময় তাদের খাদ্যের বড় উৎস ছিল মহিষ, এল্ক ও হরিণের মতো প্রাণী।

এসব প্রাণী শিকার করে তারা মাংস খেত। একসঙ্গে এত মাংস খেয়ে শেষ করতে পারত না, কিংবা শীতকাল বা দীর্ঘ ভ্রমণের প্রস্তুতি নিত, তখন তারা সেই মাংস সংরক্ষণ করত।

রেফ্রিজারেশন বা ফ্রিজিং পদ্ধতি আবিষ্কারের আগে মাংস সংরক্ষণের উপায়ই ছিল সেটি শুকিয়ে ফেলা।

সেখানেও মাংস পাতলা করে কেটে উঁচুতে বেঁধে ঝুলিয়ে রোদে শুকানো হতো। কখনো মাছি তাড়াতে ও ধোঁয়ার স্বাদ যোগ করতে সেগুলো ধোঁয়ার ওপরেও রাখা হতো।

মূলত, মাংস শুকানো ও স্বাদ তৈরির নিজস্ব পদ্ধতি প্রতিটি পরিবারেরই আলাদা ছিল।

তবে বর্তমানের এই 'জার্কি' শব্দটি এসেছে দক্ষিণ আমেরিকার কেচুয়া ভাষার ‘চ'আর্কি’ শব্দ থেকে, যার অর্থ শুকনো মাংস, যেটিকে স্প্যানিশরা ‘চারকি’ হিসেবে উচ্চারণ করত।

কেচুয়া ছিল ইনকা সভ্যতার ইনকাসহ বহু আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা। ঐতিহ্যগতভাবে চ'আর্কি তৈরি হতো লামা বা গরুর মাংসের পাতলা টুকরো রোদে শুকিয়ে ও ঠান্ডা রাতে জমিয়ে।

পরে স্প্যানিশরা যখন দক্ষিণ আমেরিকায় আসে, তখন সেখানকার আদিবাসীদের কাছ থেকে এই পদ্ধতি সম্পর্কে জানে এবং পরে আমেরিকাসহ নানা জায়গায় এটি ছড়িয়ে যায়।

একসময় এই জার্কি কাউবয় (যারা গরু বা অন্যান্য গবাদিপশু চরানো, দেখাশোনা করা ও এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কাজ করে) ও ভ্রমণকারীদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কারণ খাবারটি সহজে বহন করা যেত এবং দ্রুত নষ্ট হতো না।

সুতরাং, মূল ধারণার দিক থেকে বিফ জার্কি আর বাংলাদেশের গরুর মাংসের শুঁটকি অনেকটাই একই ধরনের খাবার। দু'টোতেই মাংস শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়, যাতে দীর্ঘদিন খাওয়া যায়।

তবে প্রস্তুত প্রণালি ও খাওয়ার ধরনে অঞ্চল ও সংস্কৃতিভেদে কিছু পার্থক্য রয়েছে।

গরুর মাংসের শুঁটকিতে পুষ্টিগুণ একই থাকে?

পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, গরুর মাংসে রয়েছে আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিনস, মিনারেলস বা খনিজ উপাদান। যেমন– জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, আয়রন। আবার ভিটামিনের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি২ বি৩, বি৬, এবং বি১২।

আর এই পুষ্টিকর উপাদানগুলো–

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
পেশি, দাঁত ও হাড়ের গঠনে ভূমিকা রাখে
ত্বক/চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
শরীরের বৃদ্ধি ও বুদ্ধি বাড়াতে ভূমিকা রাখে
ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে
দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে
অতিরিক্ত আলসেমি/ক্লান্তি বা শরীরের অসাড়তা দূর করে কর্মোদ্যম রাখে
ডায়রিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে
রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে
খাবার থেকে দেহে শক্তি জোগান দেয়
স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
অবসাদ/ মানসিক বিভ্রান্তি/ হতাশা দূর করে

এ বিষয়ে অধ্যাপক মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া বলছিলেন, ‘গরুর মাংসের শুঁটকিতেও প্রোটিন গুণাবলি প্রায় একই রকম থাকে, খুব একটা নষ্ট হয় না।’

‘কিন্তু এর সঙ্গে আবার বিভিন্ন ফুড অ্যাডিটিভস (খাবারে ব্যবহৃত সংযোজক উপাদান) যোগ করা হয়, যেজন্য এটা সুস্বাদু হয়। যেমন, টেস্টিং সল্ট। নরমাল মাংসের স্বাদ একরকম, শুঁটকির স্বাদও ভিন্নরকম। এজন্যই অনেক মানুষ শুঁটকি খেতে পছন্দ করে’— যোগ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদ সামিয়া তাসনিম বলেছেন, গরুর মাংসের শুঁটকি করা হলে সেখান থেকে পানির পরিমাণ বের হয়ে যায়। অর্থাৎ, ‘একই ওজনের গরুর মাংসে যে ৬৫ শতাংশ পানি, সেটা বের হয়ে ওজন কমে যাচ্ছে এবং সাধারণ মাংসের তুলনায় পুষ্টিও তুলনামূলক বেড়ে যাচ্ছে।’

শুঁটকি করার সময় অতিরিক্ত লবণ দেওয়া হলে সোডিয়ামের পরিমাণ তাতে বাড়বে। তাই, রান্নায় করার সময় বাড়তি লবণ ব্যবহার না করাটাই ভালো বলে জানান সামিয়া তাসনিম।

কারণ গরুর মাংসে এমনিতেই প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম থাকে, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। আর উচ্চ রক্তচাপ থেকে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও কিডনি জটিলতা দেখা দিতে পারে।

আর, মাংস ঠিকভাবে শুকানো বা সংরক্ষণ না হলে ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস জন্মাতে পারে।

    শেয়ার করুন:
    আজ পবিত্র ঈদুল আজহা

    আজ পবিত্র ঈদুল আজহা

    ২৮ মে ২০২৬, ০০:১১

    ইরানের সরকার পরিবর্তনের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

    ইরানের সরকার পরিবর্তনের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

    ২৮ মে ২০২৬, ০১:০৮

    কোরবানির জবাইয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তির সহায়তা, যা জানা জরুরি

    কোরবানির জবাইয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তির সহায়তা, যা জানা জরুরি

    ২৮ মে ২০২৬, ০০:৩৬

    বিলবোর্ড ভেঙে পড়ার খেসারত দিতে হচ্ছে পুরো একটি গ্রামকে

    বিলবোর্ড ভেঙে পড়ার খেসারত দিতে হচ্ছে পুরো একটি গ্রামকে

    ২৭ মে ২০২৬, ২৩:৫২

    কোরবানির আগে শরিকদের নাম উচ্চারণ কি জরুরি?

    কোরবানির আগে শরিকদের নাম উচ্চারণ কি জরুরি?

    ২৮ মে ২০২৬, ০০:২৫

    সুন্দর, মানবিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে হতে হবে ঐক্যবদ্ধ

    সুন্দর, মানবিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে হতে হবে ঐক্যবদ্ধ

    ২৮ মে ২০২৬, ০০:৩৬

    একামতের ধ্বনি নয়, গুলির শব্দে নামাজের ডাক আসে যেখানে

    একামতের ধ্বনি নয়, গুলির শব্দে নামাজের ডাক আসে যেখানে

    ২৭ মে ২০২৬, ২৩:৪২

    কোরবানির পশু কে জবাই করা উত্তম?

    কোরবানির পশু কে জবাই করা উত্তম?

    ২৮ মে ২০২৬, ০০:১৭

    সুনীল নিজেই ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি’

    সুনীল নিজেই ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি’

    ২৬ মে ২০২৬, ০৩:৫৫

    কুষ্টিয়ায় নছিমনের ধাক্কায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা নিহত

    কুষ্টিয়ায় নছিমনের ধাক্কায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা নিহত

    ২৮ মে ২০২৬, ০০:১০

    ভাসমান জীবনের ঈদ আনন্দে এক চিলতে হাসি, উপহার পেল মেঘনা পাড়ের মানতা সম্প্রদায়

    ভাসমান জীবনের ঈদ আনন্দে এক চিলতে হাসি, উপহার পেল মেঘনা পাড়ের মানতা সম্প্রদায়

    ২৭ মে ২০২৬, ২৩:৪৮

    ভাইরাল মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ যাচ্ছে জাতীয় চিড়িয়াখানায়

    ভাইরাল মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ যাচ্ছে জাতীয় চিড়িয়াখানায়

    ২৭ মে ২০২৬, ২২:৫৬

    ঈদের আনন্দে বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি

    ঈদের আনন্দে বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি

    ২৭ মে ২০২৬, ২৩:৩১

    ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বিজিবি

    ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বিজিবি

    ২৮ মে ২০২৬, ০২:০০

    যে ভুলে নষ্ট হতে পারে কোরবানি

    যে ভুলে নষ্ট হতে পারে কোরবানি

    ২৮ মে ২০২৬, ০০:০৬

    advertiseadvertise