পররাষ্ট্র সচিব
নিউইয়র্কের উদ্দেশে কাল ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী, ভাষণ দেবেন ২৪ সেপ্টেম্বর

সংগৃহীত ছবি
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামীকাল সোমবার রাতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর বিকালে সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেবেন তিনি। সফরে তার সঙ্গে চার মন্ত্রীসহ ৩৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল থাকবে।
আজ রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
এ সফরে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বর্তমান সরকারের জন্য জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মঞ্চে এটি প্রথম অংশগ্রহণ।
এর মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সামনে নতুন সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানালেন পররাষ্ট্র সচিব।
তিনি জানান, অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের বিষয় গুরুত্ব পাবে। পারস্পরিক আস্থা ফিরিয়ে আনা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
নিউইয়র্কে পৌঁছে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে। সকালে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের আয়োজনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের জন্য দেওয়া স্বাগত প্রাতঃরাশে অংশ নেবেন। এরপর সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে যোগ দেবেন। সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের আয়োজনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের সহধর্মিণীদের সম্মানে দেওয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকে মতবিনিময় করবেন। এরপর ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে ও স্পেনের আয়োজিত বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা বিষয়ক একটি সভায় বক্তব্য দেবেন। বিকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের সভায় অংশ নেবেন।
২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তার বক্তব্যে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহি, বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কারের মতো বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।
নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে দেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।




