প্রধানমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পেরেছি

সংগৃহীত ছবি
‘আমরা ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সরকার গঠন করতে পারলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করব। সেই ধারাবাহিকতায় সরকার গঠনের এক মাসের কম সময়ে আজ ৩৭ হাজার নারীর হাতে এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে পেরেছি’- ফ্যামিলি কার্ড নারীদের হাতে তুলে দিয়ে এভাবেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মহাখালীর টিএন্ডটি মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। দিলেন ভোটের সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আশ্বাস।
‘পর্যায়ক্রমে সব পরিবারপ্রধান নারীর কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। একে একে আমরা সব প্রতিশ্রুতি পূরণের চেষ্টা করব। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিন্দুমাত্র ব্যত্যয় হবে না। হয়তো বৈশ্বিক কারণে কিছুটা সময় লাগতে পারে।’
‘নারীরদের ক্ষমতায়ন যদি না করতে পারি, তাহলে দেশের উন্নয়ন কোনোভাবেই সম্ভব না। খালেদা জিয়াও নারীদের মাধ্যমিক পর্যায়ে বিনামূল্যে পড়াশোনার ব্যবস্থা করেছিলেন’- বললেন তারেক রহমান।
অনুষ্ঠান মঞ্চে ১৭ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার পাশে ছিলেন সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ আরও অনেকেই।
এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হলো প্রতি পরিবারের একজন নারীপ্রধানের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দেয়ার কার্যক্রম। পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রাথমিকভাবে সুবিধাভোগীরা মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। ভবিষ্যতে সমমূল্যের খাদ্য সহায়তাও যুক্ত করার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
প্রতিটি পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই করতে জেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়। তারা সরেজমিনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান ও গৃহস্থালি সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করছেন।




