মেসির খেলা তারকাদের মিলনমেলা
- বিশ্বকাপে বিনোদন অঙ্গনের অনেক তারকার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। তাদের সবারই পছন্দের খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। তার খেলা হয়ে উঠছে তারকাদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসে সময় কাটানোর মিলনমেলা। লিখেছেন মীর রাকিব হাসান

দিলশাদ নাহার কনা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম
বিশ্বকাপে বিনোদন অঙ্গনের অনেক তারকার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। তাদের সবারই পছন্দের খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। তার খেলা হয়ে উঠছে তারকাদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসে সময় কাটানোর মিলনমেলা। লিখেছেন মীর রাকিব হাসান
মেসি জিতবে বিশ্বকাপ
আর্জেন্টিনার খেলা থাকলে পরিবারের সবাই একত্র হই। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি বাসায় কাছের মানুষজনকে নিয়ে দেখলাম। আমার ভাইয়ের বাচ্চারাও খেলাপাগল, আমাদের বাসায় সবাই আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। মেসির খেলা দেখাকে কেন্দ্র করেই আমাদের পারিবারিক আড্ডা হয়েছে। খেলা দেখতে বসে একেকজন একেক বিশ্লেষণ করছিল। সামনে মেসির আরও খেলা আছে। বন্ধুদের কাছ থেকে দাওয়াত পাচ্ছি। জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ বন্ধুদের এক গ্রুপের সঙ্গে দেখবো। পরের খেলাগুলো এভাবে বন্ধুদের আরেক গ্রুপের সঙ্গে উপভোগের পরিকল্পনা আছে। শুধু আর্জেন্টিনা না, জার্মানি, পর্তুগাল, জাপান, ফ্রান্সসহ সব দলের খেলা দেখার চেষ্টা করি। ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা আছে আমার। আমার আব্বা প্রচুর খেলা দেখেন। পরিবারের সঙ্গে বসে খেলা দেখার আনন্দই আলাদা। আমার বিশ্বাস ছিল, সাদা-আকাশিরা নিরাশ করবে না। তবে আরও গোল প্রত্যাশা করছিলাম। আর্জেন্টিনার এই দলটির আরও গোল দেওয়ার সক্ষমতা আছে। আমি মনে করি, মেসির হাতে উঠতে পারে ২০২৬ বিশ্বকাপ। ৩৯ বছর বয়সেও তিনি যেভাবে খেলছেন, গোল করছেন, দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, সেসব মুহূর্তের সাক্ষী হওয়ার অনুভূতি অসাধারণ। তার বেলায় বয়স শুধু একটা সংখ্যা।
মেসির প্রতিটি ম্যাচই আবেগের
আমার পরিবারের সবাই মোটামুটি আর্জেন্টিনার সমর্থক। তাই মেসির গোল বা আর্জেন্টিনার জয় মানেই বাসা জুড়ে অন্যরকম আনন্দ। বাচ্চারাও খুব উৎসাহ নিয়ে খেলা দেখে। তাদের উচ্ছ্বাস দেখে আরও ভালো লাগে। আমরা যারা দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করি, তাদের জন্য লিওনেল মেসির প্রতিটি ম্যাচই আলাদা এক আবেগের বিষয়। গত ম্যাচ দুটিও ব্যতিক্রম ছিল না। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষেও মেসির খেলা ছিল দর্শনীয়। পুরো ম্যাচে তিনি যেভাবে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং যেভাবে গোল করলেন, সেসব সত্যিই অসাধারণ। শেষ গোলটির মুহূর্ত এখনো চোখের সামনে ভাসছে। এমন গোলই আসলে মনে করিয়ে দেয়, কেন মেসিকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার বলা হয়। আর্জেন্টিনার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ থাকলে বন্ধুদের নিয়ে একসঙ্গে উপভোগ করি।
আমাদের বাসায় বন্ধু ও কাছের মানুষদের দাওয়াত দিয়েছিলাম। সেদিন আমাদের বাসায় মীর সাব্বির, তানভীন সুইটি, সুষমা সরকার, নওশিন-হিল্লোলের পরিবারসহ আরও অনেক বন্ধু ছিলেন। খেলার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে সবাই উল্লাস করেছে। সবাই মিলে খেলা দেখার আনন্দটাই আলাদা।





