রোনালদো বিস্ফোরণে কক্ষপথে পর্তুগাল

ছবি: রয়টার্স
কড়া সমালোচনার জবাব নিজের মত করেই দিলেন পর্তুগিজ মহারাজা। বয়সকে ভুল প্রমাণ করে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো করলেন জোড়া গোল। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৫-০ গোলের জয়ে রাখলেন বড় ভূমিকা। তাতেই কর্পূরের মত উড়ে গেল সব বিতর্ক।
কঙ্গোর সঙ্গে গোল পাননি বলে অনেক কটূক্তি শুনতে হয়েছে ৪২-এ পা রাখার রোনালদোকে। উজবেকদের বিপক্ষে তাকে একাদশে না রাখার রবও উঠেছিল। তবে কোচ রবার্তো মার্তিনেস আস্থা রাখেন রোনালদোয়। পাহাড়সম চাপ লহমায় ছিটকে দিয়ে রোনালদো ফিরেছেন স্বরূপে। ২০০৬ সালের পর থেকে খেলা টানা ছয় বিশ্বকাপেই গোল করার কীর্তি গড়তে সময় নেন মাত্র ছয় মিনিট। জোয়াও কানসেলোর ক্রস থেকে আসা বল চতুর রোনালদো ডান পায়ের সাইডভলিতে পৌঁছে দেনর দূরের পোস্টে।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান নুনো মেন্দেস। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে পাওয়া ফ্রি-কিককে গোলে পরিণত করেন পিএসজি ফরোয়ার্ড। ২৯ মিনিটে অবশ্য বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম গোলের কীর্তি গড়েই ফেলেছিলেন উজবেক ফরোয়ার্ড আজিজ গানিভ। বক্সের বাইরে থেকে তার শট জাল খুঁজে নেয়। তবে ভিএআর-এ সে গোল বাতিল হয়। তার নিঁখুত শটের আগেই ফায়জুল্লায়েভ ফাউল করেন পর্তুগালের এক ডিফেন্ডারকে।
৩৯ মিনিটে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দশম গোলের দেখা পান রোনালদো। ব্রুনো ফার্নান্দেসের বাড়িয়ে দেওয়া বল ধরে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের প্লেসিংয়ে দূরের পোস্ট কাঁপান। ফেরার ম্যাচে হ্যাটট্রিকও পেতে পারতেন তিনি। তবে প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে তার প্রচেষ্টা গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন উজবেক ডিফেন্ডার আবদুকদির খুসানব।
বিরতি থেকে ফিরেও প্রাধান্য রেখে খেলা পর্তুগিজ চতুর্থ গোলের দেখা পায় ৬০ মিনিটে। উজবেক ডিফেন্ডার খুসানভ আত্মঘাতী গোল উপহার দেন প্রতিপক্ষকে। আর ৮৭ মিনিটে বদলী রাফায়েল লেও গোল করলে বড় জয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগিজরা।




