Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
অন্ধকারে আলোর দ্যুতি আবুল হোসেন
সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

দিল্লির কাছে হাদির খুনি ও হাসিনাকে ফেরত চাইল ঢাকা

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৩
দিল্লির কাছে হাদির খুনি ও হাসিনাকে ফেরত চাইল ঢাকা

ছবি: আগামীর সময়

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা এবং ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ফেরত দিতে দি‌ল্লিকে অনুরোধ করেছে ঢাকা। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে সাংবা‌দিকদের ব্রিফকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স‌ঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাতে এ অনু‌রোধ করা হ‌য়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে এখনো কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি।

খলিলুর রহমান বলছিলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করার বিষয়টি উঠে এসেছে। আমরা তাদের বলেছি, প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য। আশা করি, ভারত এ ব্যাপারে একটি ইতিবাচক দিকে এগোবে। এ ছাড়া হাদির সন্দেহভাজন হত্যাকারীরা ধরা পড়েছে। ভারত যেসব কাগজপত্র চেয়েছিল সবকিছু তাদের দিয়েছি। আমাদের জন্য এটা অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। আমরা বলেছি, হত্যাকারীদের যত দ্রুত সম্ভব আমাদের কাছে প্রত্যর্পণ করার জন্য।

আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব শুরুর দেড় মাসের মাথায় আজ প্রধানমন্ত্রীর স‌ঙ্গে প্রথম সাক্ষা‌ৎ করলেন দী‌নেশ ত্রিবেদী। সেই সাক্ষাতে দুদেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার জন্য যে সহায়ক পরিবেশ দরকার, সেই ধরনের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য গুরত্বারোপ করা হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সাক্ষাতে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন নিয়ে আলোচনার প্রশ্নে খলিলুর রহমান বলেন, এগুলো নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা হয়েছে। এগুলো তো প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনার বিষয় নয়। গতকাল আমার সঙ্গে তার (দীনেশ ত্রিবেদী) এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার মিডিয়ায় কথা বলার ঘটনা নিয়ে ভারতকে একটি চিঠির মাধ্যমে অসন্তোষ জানানো হয়েছে। আজকের আলোচনায় বিষয়টি এসেছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলছিলেন, ৫ আগস্টের ব্যাপারে আমাদের যে অবস্থান আমরা স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছি এবং সেটা ভারতীয় কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেছেন। এটা গতকালকে আমাকে তারা জানিয়েছেন, আজকেও তারা প্রধানমন্ত্রীকে সেটা বলেছেন।


আরও পড়ুন

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

১০ আগস্ট ২০২৬

৫ আগস্ট শেখ হাসিনা যা ঘটিয়েছেন সেটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, এখানে দুঃখ প্রকাশের ব্যাপার নেই। আপনাকে বুঝতে হবে কী হয়েছে। একটা রাষ্ট্রের তিনটা স্তম্ভ থাকে— নির্বাহী, আইন প্রণয়ন এবং বিচার বিভাগ। হাসিনা দণ্ডপ্রাপ্ত, তার জায়গা হলো জুডিশিয়ারি। বাংলাদেশের একটা কোর্ট তার বিচার করেছে, তাকে দণ্ড দিয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তার যদি কিছু বক্তব্য থাকে, আত্মপক্ষ সমর্থনের কিছু থাকলে সেটা আদালতে বলবে।



তার ভাষ্য, ৫ তারিখ হাসিনা যে কাজটা করেছে, সেটা হলো বাংলাদেশের জুডিশিয়ারি বা রাষ্ট্রের একটি স্তম্ভের প্রতি বিদ্বেষ ছড়িয়েছে। সেই কাজটি ভারত সরকার করতে দিয়েছে। গতকালও আমি বলেছি, আমাদের পুরো রাষ্ট্রের কাঠামোর প্রতি আসব দেশ শ্রদ্ধাশীল হোক এবং আমরা আশা করব, বিষয়টি ভারত সরকার অনুধাবন করতে পারবে।



খলিলুর রহমান বলেন, আমার ধারণা তারা বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। তাদের সঙ্গে আমার যা কথা হয়েছে আমি কিছুটা হলেও আশ্বস্ত, এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না।



সম্পর্ক স্বাভাবিক কবে নাগাদ হবে এমন প্রশ্নে তিনি জানান, প্রথম কথা হলো আমি গণক না। সুতরাং বলতে পারব না কোনদিন এটা হচ্ছে। দুই নম্বর বিষয় হলো, প্রধানমন্ত্রীকে বিমসটেকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি, দাওয়াত দেওয়া হয়েছে চেয়ারপারসন অব বিমসটেকে। এই পার্থক্যটা আপনাদের বোঝার চেষ্টা করতে হবে। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছিলেন, যা সরকার গঠনের দিন হস্তান্তর করা হয়েছিল, সেখানে তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আরেকটি আমন্ত্রণ আছে, সেটা আমরা দেখব।



প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, বৈঠকটি ছিল সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ। একজন হাইকমিশনারের সঙ্গে সরকারপ্রধানের বৈঠকে সাধারণত চুক্তি বা এ ধরনের সুনির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় না।


বাংলাদেশ-ভারতকূটনীতি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise