বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চায় ‘আন্ডারডগ’ নরওয়ে
- কেন নরওয়েকে সমর্থন করবেন বাংলাদেশিরা

ম্যানচেস্টার সিটির গোলমেশিন আর্লিং হাল্যান্ডকে, যিনি এবার নরওয়ের জার্সিতে বিশ্বকাপ মাতাবেন
ফিফা বিশ্বকাপ এলেই বাংলাদেশজুড়ে তৈরি হয় ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা, যার অনেকটাই থাকে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা নিয়ে। বিশ্ব মিডিয়ায় দেশের ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা উঠে আসে গুরুত্বের সঙ্গে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারের বিশ্বকাপে ‘আন্ডারডগ’ নরওয়েকে সমর্থনের আহ্বান জানাল ঢাকায় অবস্থিত রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাস। সম্প্রতি ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন আহ্বান তাদের।
ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ায় নরওয়েকে আদর্শ বিকল্প দল হিসেবে বেছে নিতে পারে সমর্থকরা। দীর্ঘ ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে বিশ্বকাপে ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন করেছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি।
কেন নরওয়েকে সমর্থন করবেন বাংলাদেশিরা
নিজেদের ‘আন্ডারডগ’ হিসেবে উপস্থাপন করলেও নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের ভিন্নধর্মী প্রচারণা নজর কেড়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। বাংলাদেশি সমর্থকরা কেন নরওয়েকে তাদের ‘দ্বিতীয় দল’ হিসেবে বেছে নেবেন, তার পক্ষেও যুক্তি তুলে ধরেছে দূতাবাস।
তারা বলছে, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে দ্রুততম সময়ে যেসব রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছিল নরওয়ে তার অন্যতম। এছাড়া বৈশ্বিক শান্তি, মধ্যস্থতা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে উভয় দেশ।
দূতাবাস এই ‘ক্রীড়া জোট’ কূটনৈতিক সম্পর্কের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছে। দুই দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, জীবনযাত্রা এবং স্বপ্নের মাঝেও সুন্দর কিছু মিল তুলে ধরা হয় পোস্টে।
বলা হয়, বাংলাদেশ ও নরওয়ে উভয়ই নদী এবং সমুদ্রবেষ্টিত উপকূলীয় দেশ। দুই দেশের সংস্কৃতিতে আছে মাছের প্রতি গভীর ভালোবাসা। অপরদিকে বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে ছোট। নরওয়ের আছে সীমিত জনসংখ্যা। কিন্তু উভয় দেশই বিশ্বমঞ্চে বড় স্বপ্ন দেখে। একই সঙ্গে দুই দেশই সমর্থন করে ন্যায্যতার নীতি।
আর বাংলাদেশি সমর্থকদের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে তারা সামনে এনেছে ম্যানচেস্টার সিটির গোলমেশিন আর্লিং হাল্যান্ডকে, যিনি এবার নরওয়ের জার্সিতে বিশ্বকাপ মাতাবেন। পোস্টের শেষে তারা আহ্বান জানিয়েছে, এবার আন্ডারডগদের পাশে দাঁড়িয়ে একসঙ্গে বড় স্বপ্ন দেখার সময় এসেছে।
২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়ে খেলবে ফ্রান্সের গ্রুপে, যেখানে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ ইরাক ও সেনেগাল এবং আগামী ১৬ জুন ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে হাল্যান্ডদের এই ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ অভিযান।




