চৈত্র সংক্রান্তি আজ

সংগৃহীত ছবি
আজ বাংলা সনের শেষ দিন। বাংলা বছরের এ দিনটিতে উদযাপন করা হয় চৈত্র সংক্রান্তি। চৈত্র সংক্রান্তি বাঙালির একটি বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব।
নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে আবহমান বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য চৈত্র সংক্রান্তি। প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। মনে করা হয়, চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের এত আয়োজন।
বাংলা ১৪৩২ সনের শেষ দিনটি ঘিরে বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে লোকশিল্প প্রদর্শনী। প্রায় ৫০ জন যন্ত্রশিল্পীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে পরিবেশিত হবে অর্কেস্ট্রা ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’, যা বয়ে আনবে উৎসবের সম্মিলিত স্পন্দন।
উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে ৩০ জন নৃত্যশিল্পীর পরিবেশনায় পরিবেশন করা হবে ধামাইল নৃত্য। অনুষ্ঠানে থাকবে জারিগান, পটগান এবং পুঁথিপাঠ।
এদিন দেশের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে নানা ধরনের মেলা ও উৎসব হয়। লাঠিখেলা, গান, সংযাত্রা, নৃত্য, শোভাযাত্রাসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উদ্যাপিত হয় চৈত্র সংক্রান্তি। যাত্রাপালা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত ও লোকজ আয়োজনে ভরপুর থাকে এসব আয়োজন।
চৈত্র সংক্রান্তিতে নিজস্ব আচার-অনুষ্ঠান পালন করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এ দিন শাস্ত্র মেনে স্নান, দান, ব্রত, উপবাস করেন তারা। আমিষ বর্জন করে আহার করেন নিরামিষ।
নানা ধরনের ছাতু খাওয়ার রীতিও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে এদিন পালন করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এছাড়া ১৪ প্রকার শাক দিয়ে অন্ন গ্রহণ ও তেতো শাকসবজি খান তারা।
চড়ক পূজা, নীল পূজা, রঙিন উৎসব ও নানা আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন হয় চৈত্র সংক্রান্তিতে। যদিও এসব আর এখন ধর্মীয় আচার নেই। অনেক আচারই পরিণত হয়েছে সামাজিক অনুষ্ঠানে।
দেশীয় সংস্কৃতির অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নানা আয়োজনে উদ্যাপিত হবে দিনটি।















