ছায়ানটে ‘বর্ষামুখর সন্ধ্যা’

সংগীত, নৃত্য ও প্রকৃতির আবহে বর্ষামুখর সন্ধ্যা পরিণত হয় এক নান্দনিক সাংস্কৃতিক আয়োজনে
বর্ষার আবহ, শাস্ত্রীয় সংগীত ও নৃত্যের সমন্বয়ে ছায়ানট সংস্কৃতিভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো ‘বর্ষামুখর সন্ধ্যা’। আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় ‘ভোরের আলোয়’-এর নিবেদনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন লিলি ইসলাম। নৃত্য পরিচালনা করেন শিবলী মোহাম্মদ ও তার শিষ্য স্নাতা শাহরিন।
একক ও সম্মিলিত পরিবেশনার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে ছিল সংগীত ও নৃত্যের সমন্বিত পরিবেশনা। ‘আহ্বান আসিল মহোৎসবের’ সম্মেলক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় আয়োজন। এরপর সম্মেলক শিল্পীরা পরিবেশন করেন ‘আজ তালের বনের করতালি’। ফারজানা অপরাজিতা পরিবেশন করেন ‘চক্ষে আমার তৃষ্ণা’।
এ ছাড়া পরিবেশিত হয় ‘আজ নবীন মেঘের সুর লেগেছে’, ‘গহন ঘন ছাইল/হৃদয়ে মন্দ্রিল ডমরু’, ‘গোপনে গোপনে আপনার মনে’, ‘আষাঢ় কোথা হতে আজ পেলি ছাড়া’, ‘এসো এসো ওগো শ্যামছায়া ঘন দিন’সহ একাধিক গান। একক শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন অনুপম কুমার পাল, জেসমিন রোজ, রাকিবুল হাসান রঞ্জু, প্রমীলা রায়, সৌরেন্দ্র বাড়ৈ, মৌমিতা পাল ও সৌরভ শিকদার।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে পরিবেশিত হয় ‘তিমির অবগুণ্ঠনে বদন তব’, ‘শাওন গগনে ঘোর ঘনঘটা’, ‘আজি শ্রাবণ ঘন গহন মোহে’, ‘কে দিল আবার আঘাত’, ‘আজি বরিষণ মুখরিত’, ‘মনমোর মেঘের সঙ্গী’, ‘আঁধার অম্বরে প্রচণ্ড ডমরু’, ‘আজি বর্ষারাতের শেষে’ এবং ‘মরু বিজয়ের কেতন উড়াও’সহ আরও কয়েকটি পরিবেশনা।
আয়োজনে অংশ নেয় ‘গানে গানে আড্ডা’ (ছোটদের), উত্তরায়ণ, ভোরের আলোয় ও নৃত্যাঞ্চল। গ্রন্থনা ও পাঠে ছিলেন অনন্যা সাহা এবং মো. হাফিজুর রহমান।
বর্ষার স্নিগ্ধ আবহে সংগীত ও নৃত্যের এই আয়োজন দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে প্রশংসা ও মুগ্ধতা সৃষ্টি করে। সংগীত, নৃত্য ও প্রকৃতির আবহে বর্ষামুখর সন্ধ্যা পরিণত হয় এক নান্দনিক সাংস্কৃতিক আয়োজনে।





