আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার পেলেন দুই কৃতি লেখক

ছবি: আগামীর সময়
আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার ২০২৬-এ ভূষিত হয়েছেন দুই কৃতি লেখক ও কবি। এ বছর এ পুরস্কার পেয়েছেন প্রখ্যাত কবি আবিদ আনোয়ার এবং শিশুসাহিত্যিক, গল্পকার ও নাট্যকার মাসুম মাহমুদ। আজ শনিবার রাজধানীর কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ে ডেইলি স্টার ভবনের এস মাহমুদ সেমিনার হলে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন অতিথিরা।
‘আবু খালেদ পাঠান ফাউন্ডেশন’, কিশোরগঞ্জের উদ্যোগে তৃতীয়বারের মতো আয়োজিত এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি ফরিদ কবির এবং সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লেখক আরিফ খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুরস্কার প্রদান কমিটির আহ্বায়ক, লেখক ও সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ।
স্বাগত বক্তব্যে আবু খালেদ পাঠান ফাউন্ডেশনের সভাপতি নায়লা ইয়াসমিন বলেন, ‘এই পুরস্কার মূলত কিশোরগঞ্জের কবি-সাহিত্যিকদের উৎসাহ দেওয়ার জন্যই প্রবর্তন করা। সবার আন্তরিক সহযোগিতায় এ পুরস্কার প্রদানের উদ্যোগটি আরও এগিয়ে যাবে বলে আমি আশা করি।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘যাদের জন্য এ সাহিত্য পুরস্কার, তাদের প্রাপ্তির মাত্রা বাড়ানো উচিত। অনেক সাহিত্য পুরস্কার বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু অনেকেই এখন ভালো লিখছেন। তাদের স্বীকৃতির জন্যই পুরস্কারের মূল্যটা যেন সম্মানজনক ও যথাযথ হয়।’
তিনি আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার টাকা করার পরামর্শ দেন।
কবি ফরিদ কবির বলেন, ‘মানুষের মধ্যে দুটি শ্রেণি আছে। একটি শ্রেণি দেয়, আরেকটি শ্রেণি নেয়। আবু খালেদ পাঠান তেমনই একজন মানুষ ছিলেন, যিনি হয়তো কেবল দিতেই এসেছিলেন। এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত ভিড় সেটাই প্রমাণ করে।’
এ পুরস্কার প্রদান নতুন লেখক ও কবিদের অনুপ্রাণিত করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লেখক আরিফ খান বলেন, ‘কিছু ব্যক্তি আছেন, যাঁরা সমাজকে সমৃদ্ধ করেন। আবু খালেদ পাঠান তেমনই একজন ছিলেন। তিনি কিশোরগঞ্জে বসে তাঁর সাহিত্যসাধনা করে গেছেন।’
তিনি সংবিধানের তিনটি অনুচ্ছেদ তুলে ধরে এর মধ্য দিয়ে সাহিত্য ও সাহিত্যসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অধিকারের বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।
আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কারের যাত্রা শুরু হয় ২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর। প্রথম আয়োজনে এ পুরস্কার দেওয়া হয় কবি ও সংগীতশিল্পী কফিল আহমেদ এবং কবি ও প্রাবন্ধিক আফরোজা সোমাকে। গত বছর দ্বিতীয় আয়োজনে এ পুরস্কার অর্জন করেন কথাসাহিত্যিক সৈয়দ কামরুল হাসান এবং গল্পকার, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার গোলাম শফিক।



