প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর ফেরাল সুলতানি-মোগল আমল

ছবি: আগামীর সময়
কেমন হয় প্রাগৈতিহাসিককাল থেকে সুলতানি ও মোগল আমল পর্যন্ত যারা বেঁচে ছিলেন, তাদের ব্যবহার্য দ্রব্য আপনি হাতে ছুঁতে পারছেন? মনে হবে না, আপনি সে সময় ফিরে গেছেন? আপনার এই অনুভূতি জাগিয়ে দিতে ঢাকায় যাত্রা শুরু করল 'প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর'।
আজ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এর উদ্বোধন করেছেন। করা হয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত।
জাদুঘরে স্থান পেয়েছে খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত সময়ের মৃৎপাত্র, ধাতব পাত্র, সিল বা সিলিং এবং পোড়ামাটির বল। এ ছাড়া দশম-একাদশ শতাব্দীর অমূল্য 'বিষ্ণু' মূর্তি এবং অষ্টম-নবম শতাব্দীর 'তারা' মূর্তিসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন। মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর, উয়ারী-বটেশ্বরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগৃহীত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনও রয়েছে।
নিতাই রায় বলেছেন, ‘বাংলাদেশের প্রাগৈতিহাসিক সময়কাল থেকে শুরু করে সুলতানি ও মোগল আমলের অমূল্য নিদর্শন এই জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে, যা সাংস্কৃতিক গৌরবের বহিঃপ্রকাশ।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রে প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর এক অনন্য ভূমিকা পালন করবে।’
উদ্বোধন শেষে অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজন করা হয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা। সভাপতিত্ব করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাবিনা আলম। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
সভায় মন্ত্রী অধিদপ্তরের কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধির ওপর করেন গুরুত্বারোপ এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানান দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ রক্ষায় ও গবেষণায় আরও নিবেদিত হয়ে কাজ করতে।





