চট্টগ্রামে বই পড়ে পুরস্কার পেল ৫ হাজার ৮৯৫ শিক্ষার্থী

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আয়োজনে এবং গ্রামীণফোনের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো স্কুল পর্যায়ের বইপড়া কর্মসূচির বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণ উৎসব। আজ শুক্রবার নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে দিনব্যাপী এ আয়োজনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয়।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, উৎসবে ১০১টি স্কুলের মোট ৫ হাজার ৮৯৫ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৯৪টি স্কুলের শিক্ষার্থীদের সরাসরি মঞ্চ থেকে পুরস্কার দেওয়া হয়। অন্যদিকে, ৭টি স্কুলের ৩০৮ জন শিক্ষার্থীর পুরস্কার সংশ্লিষ্ট স্কুলের সংগঠকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৪ হাজার ৬১৬ জন ‘শুভেচ্ছা’, ১ হাজার ১৫০ জন ‘অভিনন্দন’ এবং ১২৯ জন ‘সেরা পাঠক’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে। তাদের মধ্যে ছেলে ১ হাজার ৭৫২ জন এবং মেয়ে ৪ হাজার ১৪৩ জন।
এ বছর প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অনলাইন সেফটি ফান্ডামেন্টালস’ শীর্ষক সচেতনতামূলক অনলাইন কোর্স চালু করা হয়। এর মাধ্যমে অভিভাবক ও শিশু-কিশোররা নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও সচেতন ইন্টারনেট ব্যবহারের মৌলিক জ্ঞান লাভ করবে। অনুষ্ঠানস্থলে ‘অনলাইন সেফটি কর্নার’-এ অভিভাবক ও শিক্ষকদের জন্য শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার এবং দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ বিষয়ে সচেতনতামূলক তথ্যও দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা; সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রশাসন) মু. বিল্লাল হোসেন খান; ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের প্রথম নারী সভাপতি ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি পারভীন মাহমুদ; আর্কিটেক্ট, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসি ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি অধ্যাপক মুহাম্মাদ আলী নকী; বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. আবদুন নূর তুষার; চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা কিসিঞ্জার চাকমা; চট্টগ্রামের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবদুল আজিজ; ছড়াকার ও শিশু সাহিত্যিক অরুণ শীল; গ্রামীণফোন লিমিটেড, চট্টগ্রামের রিজিওনাল হেড মো. মিনহাজ উল আলম এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, চট্টগ্রাম মহানগরের সংগঠক অধ্যাপক আলেক্স আলীম।
অর্পণাচরণ সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে অতিথিরা বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং তাদের উদ্দেশে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন।
দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন এবং পুরস্কারের বই স্পন্সর করেছে গ্রামীণফোন লিমিটেড।







