আরেক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সাবেক এমপি সুমনকে

ফাইল ছবি
রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার সোহেল রানা হত্যাচেষ্টা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে নওগাঁ-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. ওমর ফারুক সুমনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম শুনানি শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ওমর ফারুক সুমনকে। এরপর থেকে কারাগারে আটক রয়েছেন তিনি। গত ৬ জুলাই মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, আসামি ওমর ফারুক সুমন শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে মোহাম্মদপুর থানাধীন তিন রাস্তা মোড় এলাকায় উপস্থিত থেকে নিরীহ আন্দোলনকারীদের ওপর মারপিটসহ জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। তার ক্যাডার ও দলীয় বাহিনী দিয়ে আন্দোলনকারীদের গুরুতর আহত করেন মর্মে তদন্তে প্রতীয়মান হয়। আসামি জামিনে থাকলে এলাকায় পুনরায় সাধারণ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত ঘটাতে পারে। এজন্য তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে মোহাম্মদপুর থানাধীন তিন রাস্তার মোড়ে ময়ূর ভিলার সামনে মিছিলে অংশ নেন ভুক্তভোগী সোহেল রানা। এ সময় শেখ হাসিনা সরকারের নির্দেশে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। তাদের ছোড়া গুলিতে আহত হন সোহেল রানা। এরপর তিনি হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১১ জুন রাজধানীর মোহাম্মদ থানায় বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামলায় শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ২২২ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন— সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন, ডা. দিপু মনি, কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম, অভিনেত্রী শমী কায়সার, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ।




