ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা মাঞ্জিল ৩ দিনের রিমান্ডে

ফাইল ছবি
রাজধানীর রমনা মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীর আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন চার দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ডিবি পুলিশের ধানমন্ডি জোনাল টিমের পরিদর্শক আমজাদ হোসেন তালুকদার তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।
অন্যদিকে আসামিপক্ষে তার আইনজীবী কামাল হোসেন রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ২১ এপ্রিল তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর পর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। পরবর্তীতে গত ২৬ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলার বিবরণী থেকে জানা গেছে, সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও তার সব সহযোগী অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর দুপুর পৌনে ৩টার দিকে রমনা থানাধীন রূপায়ণ টাওয়ারের সামনে মিছিল করে।
সরকারবিরোধী বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিয়ে তাদের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করা, সরকার তথা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচার করছিল। পরে সোয়া ৩টায় ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করে। কয়েকজনকে সেখান থেকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল রাজধানীর মহাখালীর ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ১০ এপ্রিল নিউমার্কেট থানার ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে গোয়েন্দা বিভাগ। শুনানি শেষে আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই রিমান্ড শেষে গত ১৩ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। এই মামলায় গত ১৬ এপ্রিল তৃতীয় দফায় আরও পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত।



