খালাস পেলেন নাসির-তামিমা

ছবি: আগামীর সময়
বিচ্ছেদের আগেই নতুন করে বিয়ে, ব্যভিচার ও জালিয়াতির অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ রায় দেন।
এদিন দুপুরে নাসির ও তামিমা আদালতে হাজির হন। এ সময় মামলার বাদী রাকিব হাসানও উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে বিচারক রায় পড়া শুরু করেন।
রায়ে নাসিরকে দণ্ডবিধির ৪৯৭ ও ৪৯৮ ধারায় খালাস দেন। পাশাপাশি তামিমাকে দণ্ডবিধির ৪৯৪, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় খালাস দেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মির স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা করেন। এরপর ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে পিবিআইর পুলিশ পরিদর্শক (নি.) শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে দোষী উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন।
২০২২ সালের ২৪ জানুয়ারি আদালত নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে এ মামলার অপর আসামি তামিমার মা সুমি আক্তারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
গত বছর ১৬ এপ্রিল মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। বিচার চলাকালে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। ১০ মার্চ মামলাটিতে আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি হয়। ৮ এপ্রিল তামিমার সাফাই সাক্ষী শেষে আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ৬ মে দিন ধার্য করেন। ৬ মে যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য ১০ জুন দিন ধার্য করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও নাসিরের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন। তার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা অবস্থায় নাসিরকে বিয়ে করেন তামিমা, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ বলে উল্লেখ করা হয়।
তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নাসির নিজের কাছে নিয়ে গেছেন। তামিমা ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে শিশুকন্যা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আসামিদের এ ধরনের কার্যকলাপে রাকিবের চরম মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।





