ধর্ষণ মামলায় কারাগারে লাখাই বিএনপির সাধারণ সম্পাদক

অভিযুক্ত লাখাই বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী সামছুল ইসলাম। ছবি: আগামীর সময়
আইনি সহায়তা নিতে যাওয়া নারীকে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় বিএনপি নেতা ও আইনজীবী সামছুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত আইনজীবী হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
বুধবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের এমএম-২৭-এর বিচারক মো. ইসমাইল হোসেন সামছুল ইসলামের স্থায়ী জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একটি মামলার আসামি ও কাপড় ব্যবসায়ী ওই নারী গত ২৯ জানুয়ারি রাজধানীর বিজয়নগরে আইনজীবী সামছুল ইসলামের চেম্বারে যান। সেখানে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় রাখার পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরে পল্টন থানায় মামলা করেন ওই নারী।
মামলা হওয়ার পর সামছুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হলেও পরে অভিযোগপত্র দাখিল পর্যন্ত তিনি জামিনে মুক্তি পান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রয়েল হোসেন গত ২৯ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে ফরেনসিক পরীক্ষায় বাদীর পোশাকে পাওয়া শুক্রাণুর নমুনার সঙ্গে অভিযুক্ত সামছুল ইসলামের ডিএনএর মিল পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
আদালতে কর্মরত পল্টন থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) জাকির হোসেন খোয়াইকে বলেন, অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সামছুল ইসলাম আদালতে হাজির হয়ে স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মো. সামছুল ইসলাম লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াহিদের ছেলে। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লাখাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।




