তাহসিফ হত্যা মামলায় দ্বীপ আরও ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন

ফাইল ছবি
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় উত্তরখান থানায় করা হত্যা মামলায় ব্যবসায়িক অংশীদার ও বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপের আরও সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গাজীপুরের টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন এ আবেদন করেন। গত শনিবার প্রথম দফায় তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
রিমান্ড আবেদনে আটটি কারণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, সংগৃহীত সিসিটিভি ফুটেজগুলো দ্বীপের উপস্থিতিতে যাচাই-বাছাই, বিশ্লেষণ ও পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। তাহসিফের সঙ্গে নেস্ট বারে অবস্থানের সময় ১৫-২০ মিনিট অন্যত্র সরে গিয়ে কোথায় গিয়েছিলেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মোবাইল সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি আলামত উদ্ধার, মামলার রহস্য উদঘাটন, হত্যার কারণ, উদ্দেশ্য ও স্থান নির্ধারণ এবং অজ্ঞাতনামা অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে আসামি দীপের রিমান্ড প্রয়োজন।
এর আগে গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন তাহসিফ সাউরি। পরদিন বুধবার তুরাগ নদী থেকে উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাহসিফ সাউরির বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
৩০ অক্টোবর রাতে উত্তরখান থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেন তাহসিফের বাবা এ কে এম এনায়েতুল করিম। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় দ্বীপকে। ৩১ অক্টোবর তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গাজীপুরের টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াস তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এই হত্যা হামলায় গ্রেপ্তার করা হয় তাহসিফের বান্ধবী জেরিকা তাসনিম দিশাকে (১৯)। ঘটনার রাতে উত্তরার নেস্ট রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে তাহসিফ ও দ্বীপের সঙ্গে দিশাও ছিলেন। ১ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত দিশার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।



