প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বাস্তবায়নে ঢাকা মহানগরীর ২০ জোনে বিশেষ কমিটি

সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগে পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর। ছবি: স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুশাসন অনুযায়ী ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার, খালের সীমানা নির্ধারণ ও পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এর আলোকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতায় প্রতিটি আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এলাকাভিত্তিক মোট ২০টি জোনে ২০টি বিশেষ তদারকি কমিটি গঠন করা হবে।
ঢাকা উত্তরে ১০টি এবং ঢাকা দক্ষিণে ১০টি কমিটি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা এসব জোনাল কমিটির প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেবেন। জোনাল কমিটিগুলোতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, ঢাকা ওয়াসা, মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মেডিকেল উইং ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধি যুক্ত থাকবেন। কমিটির সাথে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আজ রবিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে এক পর্যালোচনা সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয় বলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ঢাকা মহানগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জোরদারকরণ, খালের সীমানা নির্ধারণ ও পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০টি জোনাল কমিটির সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পরিচালনা ও সমন্বয়ের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে একটি উচ্চপর্যায়ের মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে। এই মনিটরিং কমিটিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধি, সিটি কর্পোরেশনের অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা, ঢাকা ওয়াসা, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
এসব কমিটি সরেজমিনে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, খালের সীমানা চিহ্নিতকরণ ও খননকাজ জোরদার করার পাশাপাশি মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।
পর্যালোচনায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব শহীদুল হাসান ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, ঢাকা ওয়াসা এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



