ডিএমপি কমিশনার
সহযোগীরাই শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজতে চাইছে

সংগৃহীত ছবি
‘দেশে শীর্ষ সন্ত্রাসী তেমন নেই। যারা আছে তারা আগের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সহযোগী বা তাদের মতো সাজতে চাইছে।’ এমনই মন্তব্য করলেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার। আজ শনিবার ঢাকার কারওয়ান বাজারে পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধনের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন তিনি।
শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকার বিষয়ে জানতে চাইলে মো. সরওয়ার বললেন, ‘সব সময় আমাদের তালিকা হালনাগাদ হচ্ছে। আমাদের মনিটরিং, অবজারভেশন … ব্যবস্থা সবই নেয়া হয়েছে এবং হালনাগাদ করা হচ্ছে।’
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে চিন্তিত হওয়ার ‘কিছু নেই’ বলে আশ্বস্ত করছিলেন কমিশনার। ‘আমরা যেভাবেই হোক, যারা তাদের (শীর্ষ সন্ত্রাসীদের) নাম ভাঙাচ্ছে অথবা মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করছে, তার আগেই তাদের দমন করব।’
ডিএমপি কমিশনারের ভাষ্য, কারওয়ানবাজার এলাকায় অপরাধ শূন্যে নামাতেই ক্যাম্প চালু করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই ক্যাম্পে গোপনে বা প্রকাশ্যে অভিযোগ করলে সে অনুযায়ী নেওয়া হবে ব্যবস্থা। ক্যাম্পে ২০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর পেছনে কাজ করছে ডিবিসহ পুলিশের অন্যান্য সংস্থা।
রাজধানীতে চাঁদাবাজসহ সকল অপরাধীদের ধরতে বিশেষ অভিযান চলছে। অচিরেই স্বস্তি আসবে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘ব্যবসা-বাণিজ্য যারা করেন, তাদের আমরা কমফোর্ট দিতে পারব। এর ফলে দ্রব্যমূল্যের ওপর প্রভাব পড়বে, দ্রব্যমূল্য কমে যাবে বলে আমরা আশা করছি।’
থানায় পুলিশের মামলা নিতে অনীহার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মো. সরওয়ার বলেন, ‘থানার কাজই হলো মামলা নেওয়া। মামলা যদি না নেয় আমাদের ২৪ টা জোনাল এসির অফিস আছে, এই অফিসে আপনারা যাবেন। আমাদের ৮টা ক্রাইম ডিভিশনের ডিসি আছেন। এখানে আপনারা অভিযোগ করবেন বা যোগাযোগ করবেন।’
পুলিশ সদস্যের অপরাধে জড়িয়ে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন করা হয় তাকে। ‘অপরাধের সাথে পুলিশের জড়ানোর কোনো সুযোগ নাই। তারপরও যদি ‘গোপনে বা অন্যভাবে’ অপরাধে জড়ালে বিভাগীয় ব্যবস্থাসহ আইনি ব্যবস্থা হবে। এমনকি কোন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মৌখিক অভিযোগ পেলেও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ সময় ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) এস এন মো. নজরুল ইসলাম ও ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।



