সাতসকালে রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি

সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকা থেকে ছবিটি তুলেছেন হাসান আদিল।
রাত থেকেই কালো মেঘে ঢেকে ছিল রাজধানী ঢাকার আকাশ। ভোর হতেই শুরু হয় ঝুমবৃষ্টি। সকাল সাড়ে ৮টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময়ও অব্যাহত রয়েছে বৃষ্টি।
কয়েকদিন ধরে থেমে থেমেই বৃষ্টি ঝরছে রাজধানীতে। এতে প্রচণ্ড গরম থেকে মুক্তি মিললেও অনেকটা থমকে গেছে জনজীবন। বুধবার সকালে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে অফিস ও স্কুলগামী যাত্রীরা পড়েছে ভোগান্তিতে।
কারওয়ান বাজারে অবস্থিত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ইয়াসির আরাফাত। অফিসের যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বেরিয়েই পড়েন বৃষ্টির কবলে। আগামীর সময়কে তিনি বলেছেন, ‘বাসা থেকে ছাতা নিয়েই বের হয়েছিলাম। কিন্তু এত বৃষ্টি যে, ছাতা থাকার পরও ভিজে গেছি। অফিসে যাওয়ার সময় বৃষ্টি হলে ভোগান্তি বেশি হয়।’
দুই সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দিতে বের হয়েছিলেন মিরপুর ১২ নম্বরের বাসিন্দা রাবেয়া আক্তার। আগামীর সময়কে তিনি বলেছেন, ‘বাসে উঠতে উঠতেই আমি ভিজে গেছি। কোনো রকমে ছেলে দুটোর ভেজা ঠেকিয়েছি। ওরা ভিজলে তো আর স্কুল করতে পারত না।’
কারওয়ান বাজার এলাকার আরেকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সায়মুম হাসান বলেছেন, ‘বৃষ্টির কারণে রাস্তায় গাড়ি অনেক কম। রিকশা পেতে কষ্ট হয়েছে আমার। তবে রাস্তা ফাঁকা থাকায় আসতে বেশি সময় লাগেনি।’
এদিকে আজ বুধবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এদিন আকাশ মেঘলা ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার আভাসও মিলেছে পূর্বাভাসে।
দুপুর ১টার মধ্যে দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।





