পিবিআইর সংবাদ সম্মেলন
পরকীয়ার সন্দেহে বীথিকে হত্যা করেন স্বামী

সংগৃহীত ছবি
ঢাকার আশুলিয়ায় গার্মেন্টস কর্মী বীথি আক্তারকে (২২) পরকীয়ার সন্দেহের জেরে তার স্বামী তাকে হত্যা করেন। এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরায় পিবিআই ঢাকা জেলা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মো. মজনু রাজাকে (৩৯) চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ বলেছেন, গত ১৩ আগস্ট সকালে আশুলিয়া থানার জামগড়া রূপায়ন মাঠ-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসার কক্ষে বীথি আক্তারের মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদশা মিয়া মজনু রাজাকে আসামি করে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন। মজনু পলাতক ছিলেন। একপর্যায়ে মজনু চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। গত ৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভোলাহাট থানার খাসপাড়া বাজার এলাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করার পর তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। গত ১২ আগস্ট রাত ১১টার দিকে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে মজনু বীথিকে ধাক্কা দিয়ে খাটের ওপর ফেলে দেন। পরে খাটে থাকা একটি গামছা দিয়ে তার গলায় প্যাঁচ দিয়ে শ্বাসরোধ করেন।



