নতুন ফ্লাইং একাডেমি চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার, বললেন মন্ত্রী

ছবি: আগামীর সময়
দেশে পাইলট প্রশিক্ষণের ব্যয় তুলনামূলক বেশি হওয়ায় নতুন একটি ফ্লাইং একাডেমি চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। সেখানে কম খরচে পাইলট প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।
মঙ্গলবার রাজধানীর প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশে (পিআইবি) বাংলাদেশ এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বাটজা) আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
আফরোজা খানম রিতা বলেন, দেশে পাইলট প্রশিক্ষণের ব্যয় অনেক বেশি। এ কারণে শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে কম খরচে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করতে নতুন একটি ফ্লাইং একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেখানে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে।
দায়িত্ব নেওয়ার পর বিমান ও পর্যটন খাতের বিভিন্ন সেক্টরে নানা ধরনের সমস্যা দেখেছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি যখন দায়িত্ব নিই, তখন বিমান ও পর্যটন–সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সেক্টরে দুরবস্থা দেখেছি। কোথাও কোনো ফান্ড বা টাকা ছিল না। তৎকালীন সরকার আমাদের ওই অবস্থায় রেখে গেছে। আমি চেষ্টা করছি সেই দুরবস্থার ইতি ঘটাতে।’
দীর্ঘদিনের শাসনামলের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসন থেকে আমরা বের হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাচ্ছেন প্রতিটি সেক্টরে উন্নতি করতে।’
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগের সরকার টার্মিনালটির কাজ অসম্পূর্ণ ও সমস্যাজর্জরিত অবস্থায় রেখে গেছে। পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারও এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ করেনি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টার্মিনালটি চালু করতে বর্তমান সরকার কাজ করছে।
মন্ত্রী জানান, আগামী ১৬ ডিসেম্বর তৃতীয় টার্মিনাল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।
দেশে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহোলিং (এমআরও) সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান আফরোজা খানম রিতা। তিনি বলেন, লালমনিরহাটে এমআরও সুবিধা গড়ে তোলার বিষয়ে বোয়িং ও এয়ারবাসের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতসুবিধা বাড়বে।






