দীর্ঘায়ুতে বিজ্ঞানসম্মত জীবনযাপনের গুরুত্ব তুলে ধরে বনানীতে স্বাস্থ্য সেমিনার

সংগৃহীত ছবি
সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করার উপায় নিয়ে বনানীতে বিশেষ স্বাস্থ্য সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) ক্লাব নটরডেমিয়ান্স বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিএনবিএল) আয়োজনে ‘সায়েন্টিফিক লাইফস্টাইল অ্যান্ড দ্য সায়েন্স অব লিভিং লংগার’ শীর্ষক এ সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন কোয়ান্টাম হার্ট কেয়ারের সমন্বয়ক ডা. মনিরুজ্জামান।
সন্ধ্যায় ক্লাবের ফাদার পিসেতো হলের (লেভেল-৮) এ আয়োজনে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট, নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাধারণ সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যসহ শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
সেমিনারে ডা. মনিরুজ্জামান সুস্থ ও দীর্ঘ জীবনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম, পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, মেডিটেশন ও ইতিবাচক জীবনধারার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রোগমুক্ত ও দীর্ঘায়ু জীবনের জন্য বৈজ্ঞানিক উপায়ে ইতিবাচক জীবনধারা গড়ে তোলা জরুরি। অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ। তিনি সদস্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়াতে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মসূচি আয়োজনের ওপর জোর দেন।
মূল আলোচনা শেষে প্রশ্নোত্তর ও মতবিনিময় পর্বে অংশগ্রহণকারীরা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, রোগ প্রতিরোধ ও মানসিক সুস্থতা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। এ সময় বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেন তারা।
ক্লাবের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খাদ্য ও স্বাস্থ্যবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত ডা. মো. জোবায়ের হোসেন জানান, সদস্য ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়ানো এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ধারণা ছড়িয়ে দেওয়াই এ ধরনের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। ভবিষ্যতে অস্টিওপোরোসিস, হৃদ্রোগ, কিডনি ও লিভারের স্বাস্থ্য, নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এবং ছুটি গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত সেমিনারের শেষ পর্যায়ে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য, নৈশভোজ, র্যাফেল ড্র ও ধন্যবাদ জ্ঞাপনের আয়োজন করা হয়।
ক্লাব কর্তৃপক্ষের আশা, এ ধরনের উদ্যোগ সদস্য ও তাঁদের পরিবারকে সুস্থ ও ইতিবাচক জীবনধারায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।




