নাম রাখা হয়নি, আলো দেখা হয়নি— চলে গেল ছয় নবজাতক

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
হাসপাতালের করিডোরে তখন শুধু কান্নার শব্দ। কাপড়ে মোড়ানো ছোট্ট নিথর দেহটি বুকে জড়িয়ে হাঁটছেন বাবা, মুখে প্রলাপ। যে কাঁধে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন ছিল, সেই কাঁধেই আজ উঠেছে তার লাশ।
মুন্সিগঞ্জ থেকে আসা সেই বাবা গণমাধ্যমের সামনে বললেন, 'আজকে রিলিজ দেওয়ার কথা ছিল। রাতে আমার স্ত্রী নার্সদের বাচ্চার অবস্থা জিজ্ঞেস করেছিল, তারা কিছু বলেনি। ফজরের নামাজ পড়ছিলাম, এরপর স্ত্রী ফোন করলেন। দৌড়ে এসে আইসিইউতে নিয়ে যেতে চাইলাম। যাওয়ার আগেই তারা অগ্রিম বিল করিয়ে নিল, ওষুধ কিনলাম। কিন্তু বাচ্চা তখন আর নেই — আমাকে জানায়নি।'
তার অভিযোগ, হাসপাতালের গাফিলতিতেই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিল করা হয়েছে ধাপে ধাপে, মোট গেছে ৩০ হাজার টাকা।
তিনি আরও বললেন, 'আইসিইউতে নেওয়ার পরপরই একে একে বাচ্চাগুলো মারা যায়। এ পর্যন্ত ১২-১৩ জন মারা গেছে। আমার বাচ্চার ওয়ার্ডে সবাই সুস্থ ছিল। কেন এমন হলো — ডাক্তার কিছু বলেননি।'
এক বা দুই নয়, ঢাকার আদ্-দ্বীন হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ছয় নবজাতকের। কারও নাম রাখা হয়নি। বাইরের আলো দেখা হয়নি। অভিভাবকদের অভিযোগ — এসি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেই শিশুগুলো মারা যায়।







