১৫ আগস্ট ঘিরে ঢাকায় বাড়তি নিরাপত্তা

সংগৃহীত ছবি
১৫ আগস্টকে সামনে রেখে রাজধানীতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ডিএমপি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবিলায় পুরো রাজধানীকে কঠোর নিরাপত্তাবলয়ের আওতায় আনা হয়েছে। রাজধানী জুড়ে পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি পরিচালনা করা হচ্ছে। নগরের সব প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিবি ও সিটিটিসির সদস্যরা মাঠে থাকবেন।
ডিএমপি জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও জনসমাগমস্থলে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও কে-নাইন ইউনিটের সদস্যরা সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস ও সরকারি ছুটি ঘোষণা করে। ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময় জাতীয় শোক দিবস ও সরকারি ছুটি বাতিল করা হয়।
এরপর ২০০৮ সালে একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ওই আদেশ বাতিল করে দেন হাইকোর্ট। এর পর থেকে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও সরকারি ছুটি হিসেবে পালন করা হচ্ছিল।
তবে জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০০৮ সালের হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে লিভ টু আপিল করে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। এর ফলে ১৫ আগস্টের জাতীয় শোক দিবস ও সরকারি ছুটি বাতিল হয়ে যায়।
এদিকে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে গত বছরের মতো এবারও রাজধানীর একাধিক স্থানে ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও দলটির ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এসব মিছিল থেকে ধরপাকড়ের ঘটনাও ঘটেছে। ডিএমপি জানিয়েছে, এরই মধ্যে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ৫২ জন এবং মহাখালী থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।






