যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার

সংগৃহীত ছবি
আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গবেষণা, নিজস্ব কৌশল উদ্ভাবন, উন্নত প্রশিক্ষণ ও পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।
আজ বুধবার চট্টগ্রামের হালিশহরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুলে আয়োজিত আর্টিলারি রেজিমেন্টের ৪৫তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন, ষষ্ঠ পুনর্মিলনী ও সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে এ নির্দেশনা দেন তিনি।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর থেকে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, ৩-৫ নভেম্বর তিন দিনব্যাপী এসব আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই অনুষ্ঠানে আর্টিলারি রেজিমেন্টের ১১তম কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুল প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে উদ্যাপন করা হচ্ছে সুবর্ণজয়ন্তী।
সম্মেলনে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্টিলারি রেজিমেন্টের অবদান, গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আধুনিক যুদ্ধের বাস্তবতায় রেজিমেন্টকে প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা অর্জনে আরও মনোযোগী হতে হবে। এ জন্য গবেষণা, নিজস্ব কৌশল উদ্ভাবন, উন্নত প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের বিকল্প নেই।’
বর্তমান সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সততা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালনের নির্দেশনাও দেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা। পাশাপাশি অস্ত্র ও সরঞ্জামের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, নেতৃত্বের বিকাশ এবং সেনাসদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড; কর্নেল কমান্ড্যান্ট ও মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া; সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আর্টিলারি রেজিমেন্টের কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সদস্য, তাদের পরিবারের সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।



