সম্ভবত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
নিজের সৃষ্টির কাছেই ‘তেজপাতা’ হয়ে যাবে সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ। বুদ্ধিবৃত্তি-কর্মক্ষমতা সবকিছুতেই ছাড়িয়ে যাবে মালিককে। অবস্থা এমন হবে, মানুষ আর রোবটের মধ্যে পার্থক্য করার কোনো উপায় থাকবে না। কে যে রক্ত-মাংসের মানুষ, আর কোনটা রোবট— তফাত খুঁজে পাওয়া যাবে না। এমনই হবে নাকি ২০৪৫ সালের পৃথিবী। মানুষকেও অতিক্রম করে যাবে রোবট। ভয়ংকর এ ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের লেখক, কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও ভবিষ্যৎবিদ রেয় কার্যওয়েল। নাম দিয়েছেন ‘সিঙ্গুলারিটি’। বহুল আলোচিত এ ভবিষ্যৎ নিয়ে ২০১৭ সালেই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ‘ফিউচারিজম’ (প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট)।
কার্যওয়েলের বিশ্বাস, ২০৪৫ সালের মধ্যে আমরা এমন একটা জাগায় পৌঁছব, যেখানে রোবট বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু স্মার্টই হবে না; বরং মানুষের চেয়েও ‘দুই কাঠি’ ওপরে থাকবে তাদের চিন্তাভাবনা ও জ্ঞানবুদ্ধি। অর্থাৎ এসব রোবট কাজ সহজের পাশাপাশি নিজের মতামতও প্রকাশ করবে মানুষের কাছে! স্মার্টফোনে রিমাইন্ডার অ্যাপ আর অ্যালার্মের সঙ্গে চিৎকার করে বলবে, ‘ওঠো, এখন ঘুম থেকে ওঠার সময়’। কার্যওয়েলের মতে, রোবটের চিন্তাধারা ও জ্ঞান মানুষের চেয়ে এগিয়ে গেলে তা মানুষের জন্য ক্ষতিকর হবে না একদমই। উল্টো এমন দুনিয়া হলে ভালোই হবে মানুষের। আলাদা কাজ না করে মানুষ আর রোবট একসঙ্গে কাজ করলে আরও সুন্দর হবে পৃথিবী।




