Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অরক্ষিত রেলক্রসিং পাহারায় ইসলাম
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিবিধ

এবং

জহির ইলিয়াছ খান
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৬
এবং

জাতিসংঘ কী? জাতিসংঘ হলো সেই সংস্থা, যার কাজ বিশ্বে শান্তি আনা। এটা সবারই জানা। কিন্তু তারা তা করছে কি? হ্যাঁ করছে। তবে তাদের কাজের ধরনটা একটু আলাদা। এই ধরুন যুদ্ধ শুরু হলে তারা গভীরভাবে ‘উদ্বিগ্ন’ হয়। উদ্বেগের মাত্রা অনেক গভীর হয়। এত গভীর হয় যে, সেটি প্রকাশ করতে লাগে কমপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি, দুই পাতার বিবৃতি আর একটা প্রেস কনফারেন্স। পৃথিবীর সব মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করে, মহাসচিবের ছবিতে থাকে ভাবগাম্ভীর্য। মলিন মুখের দিকে তাকানো যায় না। যুদ্ধের ক্ষতির শঙ্কায় তিনি থাকেন অত্যন্ত বিষণ্ন।

প্রথম সপ্তাহে বলা হয়, ‘আমরা পরিস্থিতির দিকে গভীরভাবে নজর রাখছি।’ নজর এত গভীর যে, সেটি আর ওপরে ওঠে না। দ্বিতীয় সপ্তাহে বলা হয়, ‘সবপক্ষকে সংযম দেখাতে আহ্বান জানাচ্ছি।’ ওদিকে বোমা ততক্ষণে সংযমের বদলে ওভারটাইম খাটছে, মানে দিনরাত সমানে মেরে যাচ্ছে একপক্ষ আরেকপক্ষকে।

তৃতীয় সপ্তাহে জরুরি সভা বসে। সভার আগে ঠিক হয় কে কোথায় বসবে, কে আগে কথা বলবে, আর কফির বিরতি কখন। শান্তি প্রস্তাব আনা হলে এক সদস্য রাষ্ট্র হাত তুলে বলে, ‘আমি এর বিরুদ্ধে ভেটো দিলাম।’ প্রস্তাব ওখানেই থেমে যায়। সভা শেষ হয় একটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে! ‘আমরা আগামী সপ্তাহে আবার বসব।’

খাদ্যসহায়তার গল্পটাও কম মজার নয়। ক্ষুধার্ত এলাকায় ত্রাণ পাঠাতে প্রথমে লাগে ছয় মাসের সমীক্ষা। তারপর আসে বাজেট অনুমোদন, তারপর চুক্তি। শেষে ত্রাণ যখন পৌঁছায়, ততদিনে এলাকার শিশুরা বড় হয়ে নিজেরাই ত্রাণ বিতরণের চাকরিতে ঢুকে গেছে। কিন্তু তার আগে হাজার-লক্ষ নারী-শিশু বোমার আঘাতে, গোলাবারুদে দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে যুদ্ধ শেষ হলে জাতিসংঘ সবচেয়ে কর্মতৎপর হয়ে ওঠে। ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে ছবি তোলে কর্তাব্যক্তিরা, তারপর একটা পুনর্গঠন সম্মেলনের ঘোষণা দেন। সম্মেলনের ভেন্যু সুইজারল্যান্ডের পাঁচ তারকা হোটেল। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তো একটু আরামদায়ক পরিবেশ লাগেই!

সব মিলিয়ে জাতিসংঘ এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। আগুন লাগলে সে দমকল ডাকে না, বরং আগুনের তীব্রতা নিয়ে একটা গবেষণাপত্র লেখে। আগুন নিভে গেলে লেখে ধন্যবাদ-বিজ্ঞপ্তি— ‘সবার সহযোগিতায় সমস্যার সমাধান হয়েছে।’ সেই ‘জাতিসংঘ’ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল আজকের এই দিনে। ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে জাতিসংঘ।

 

    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    বনমালী

    বনমালী

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার

    আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার

    সৌদি কারাগারে বন্দি সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ

    সৌদি কারাগারে বন্দি সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ