কী জানি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ফার্মেসি। মূলত ওষুধ কেনার প্রতিষ্ঠান হলেও অনেক সময় জ্বর, ঠান্ডা বা ছোট কাটাছেঁড়ার চিকিৎসায় অনেকে গিয়ে থাকেন এখানে। কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে প্রেসক্রিপশন এগিয়ে দিলেই কেউ না কেউ ওষুধের প্যাকেট গুছিয়ে দেয়। কখন কোন বেলায় কোন ওষুধ খেতে হবে, তাও বুঝিয়ে দেয় ঠান্ডা মাথায়। তবে ভবিষ্যতের ফার্মেসিতে কাউন্টারের ওপারে আর কোনো ব্যক্তির দেখা মিলবে না। মানুষের বদলে সেখানে থাকতে পারে রোবট। তার পাশেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংযুক্ত একটি সিস্টেম। প্রেসক্রিপশন না দেখে মানবদেহে লাগানো ডিভাইসটি দেখেই সেই রোবট বলতে পারবে কী রোগ এবং কোন ওষুধ লাগবে। ভবিষ্যতের ফার্মেসি নিয়ে এই পূর্বাভাস ২০২১ সালে দিয়েছে ইংল্যান্ডের লন্ডনে অবস্থিত একটি বহুজাতিক পেশাদার পরিষেবা নেটওয়ার্ক ডেলয়েট।
তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করে, নানা বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি যুক্ত হবে ভবিষ্যতের ফার্মেসিতেও। আসছে বিশ্বে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় ফার্মেসি ও ফার্মাসিস্টের ভূমিকা ক্রমশ হবে পরিবর্তন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ভার্চুয়াল হেলথের মতো প্রযুক্তিগুলো ব্যাপক ও দ্রুত বদলে দেবে স্বাস্থ্য খাতকে। ভবিষ্যতের ফার্মেসিতে শুধু ওষুধ বেচাকেনা হবে, তা না। সেখানে ছোট থেকে বড় রোগ নির্ণয়ে ব্যস্ত থাকবে রোবট এবং বিভিন্ন যন্ত্র। ডেলয়েটে বলা হয়, গবেষকরা বর্তমানে স্মার্ট আয়না তৈরি করতে ব্যস্ত, যেটি ভবিষ্যতে উন্নত ক্যামেরা এবং শ্বাসপ্রশ্বাস ব্যবহার করে স্বাস্থ্যের পরিবর্তন শনাক্ত করতে পারবে। একাধিক কোম্পানি বের করবে তাদের হোম হেলথ কেয়ার বট। এই বিশেষ রোবটগুলো সক্ষম হবে ফার্মেসির পাশাপাশি ঘরে বসেই সাধারণ চিকিৎসা প্রদান করতে। ভবিষ্যতের ফার্মেসিতে সবচেয়ে বিস্ময়কর যে যন্ত্রটি থাকবে, সেটি হলো অরিগামি রোবট। ক্ষুদ্র এই রোবটটি নিয়োজিত থাকবে দ্রুত ক্ষত সারানোর কাজে। তবে মজার বিষয়, কাটাছেঁড়া নিরাময় করতে অরিগামি রোবট গিলে খেতে হবে!







