সম্ভবত

অফিস মানেই ডেস্ক, ফাইল আর এক কাপ চা নিয়ে ব্যস্ত সকাল। কিন্তু ২০৩০ সালের অফিসে সম্ভবত দৃশ্যটা হবে অন্যরকম! ভবিষ্যতে চোখের পলকে রিপোর্ট তৈরি করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। মেশিন সামলাবে জটিল সব হিসাবনিকাশ। আর মানুষ? তারা শিখবে নতুন দক্ষতা, পরীক্ষা করবে নতুন ধারণা, তৈরি করবে নতুন সম্ভাবনা। এই নতুন দুনিয়ায় শুধু কাজ জানলেই চলবে না। প্রয়োজন হবে দ্রুত শেখার এবং বদলে যাওয়ার ক্ষমতা। এখানেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে ‘ক্যাপাবিলিটি বিল্ডিং’ বা কর্মীদের দক্ষতা ও সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রক্রিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক কৌশল ও ব্যবস্থাপনা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ম্যাককিনসির ‘ক্যাপাবিলিটি বিল্ডিং ইন ২০৩০’-বিষয়ক আলোচনায় উঠে এসেছে ভবিষ্যতের কর্মজগতে এই সক্ষমতা উন্নয়নের গুরুত্ব। চার বছর পর হতেও পারে এমন সম্ভাবনার পূর্বাভাস দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত জন গার্সিয়া, লিজ ম্যাকনালি, ড্যানিয়েল প্যাকথড এবং মাইকেল পার্ক। তাদের মতে, প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে বদলাতে পারে কাজের ধরন। এজন্য কর্মীদেরও প্রয়োজন হতে পারে নিয়মিত নতুন দক্ষতা অর্জনের। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ হয়তো সীমাবদ্ধ থাকবে না শুধু শ্রেণিকক্ষ বা কর্মশালায়।



