বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
এবারও কি ঢাকা ডোবাবে পলিথিন

এবারও কি ঢাকা ডোবাবে পলিথিন

বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • ইপেপার
EN
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিশ্ব
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • চট্টগ্রাম
  • শিক্ষা
  • বিচিত্রা
  • ইপেপার
  • EN

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলীগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সুস্থতা

মহামারির জন্য অপ্রস্তুত বিশ্ব, নামবে বড় বিপর্যয়

ইমরানুর রহমানপ্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ১৩:২৬
মহামারির জন্য অপ্রস্তুত বিশ্ব, নামবে বড় বিপর্যয়

ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি

বিশ্ব আবারও সেই পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তির দিকে এগোচ্ছে; ধীরে, নিশ্চুপে, কিন্তু বিপজ্জনকভাবে। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, বৈশ্বিক মহামারি মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি চূড়ান্ত করার সময়সীমা পেরিয়ে গেছে।

আলোচকরা এখনো একমত হতে পারেননি। আর ঠিক এই অচলাবস্থার মধ্যেই চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা- পরবর্তী মহামারি আসবেই, প্রশ্ন শুধু কবে।

এই সতর্কতা নতুন নয়। ইতিহাস বারবার একই বার্তা দিয়েছে- মানবসভ্যতা মহামারিকে অবমূল্যায়ন করে, আর তার মাশুল দেয় বিপুল প্রাণহানিতে।

চতুর্দশ শতাব্দীর ব্ল্যাক ডেথ ইউরোপের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষকে কেড়ে নিয়েছিল। ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লু বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি প্রাণ কেড়ে নেয়, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও বেশি মানুষ হত্যা করেছিল। সাম্প্রতিক সময়ের এইচআইভি/এইডস, ইবোলা কিংবা নিপাহ- সবকিছুই দেখিয়েছে, অদৃশ্য জীবাণু কত দ্রুত সভ্যতাকে অচল করে দিতে পারে।

সবচেয়ে বড় সতর্কবার্তা এসেছে কোভিড-১৯ থেকে। ২০২০ সালে বিশ্ব থমকে দাঁড়িয়েছিল।

শহরগুলো নিঃশব্দ, হাসপাতালগুলো উপচে পড়া, মরদেহের সারি- এই দৃশ্যগুলো এখনো মানবস্মৃতিতে তাজা। পর্যালোচনায় দেখা গেছে, দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ নিলে লাখ লাখ মানুষের জীবন রক্ষা করা যেত। অথচ দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা, তথ্য গোপন এবং বৈষম্যমূলক টিকা বণ্টন পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।

এই অভিজ্ঞতা থেকেই একটি বৈশ্বিক মহামারি চুক্তির প্রয়োজনীয়তা সামনে আসে। ২০২১ সালে বিশ্বনেতারা প্রতিশ্রুতি দেন- পরবর্তী মহামারির আগে তারা প্রস্তুত হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সেই প্রস্তুতির কেন্দ্রীয় উপাদান- ‘প্যাথোজেন অ্যাক্সেস অ্যান্ড বেনিফিট শেয়ারিং’ (প্যাবস) নিয়েই এখনো ঐকমত্য নেই।

এই প্যাবস ব্যবস্থার লক্ষ্য ছিল সহজ: কোনো দেশ যদি বিপজ্জনক ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার তথ্য শেয়ার করে, তাহলে সেই তথ্য ব্যবহার করে তৈরি টিকা, ওষুধ ও পরীক্ষার সুবিধা সে দেশ নিশ্চিতভাবে পাবে।

কিন্তু এই ‘ন্যায্যতা’ নিয়েই তৈরি হয়েছে গভীর বিভাজন।

উন্নয়নশীল দেশগুলো বলছে- তারা আর আগের মতো প্রতারিত হতে চায় না। কোভিডের সময় তারা দেখেছে, ধনী দেশগুলো টিকা মজুত করে রেখেছে, আর দরিদ্র দেশগুলো মাসের পর মাস অপেক্ষা করেছে। তাই তারা চায় বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা, যাতে ওষুধ কোম্পানিগুলো প্রযুক্তি ও পণ্য ভাগাভাগি করতে বাধ্য থাকে।

অন্যদিকে উন্নত দেশগুলোর একটি অংশ আশঙ্কা করছে, এমন বাধ্যবাধকতা গবেষণা ও উদ্ভাবনকে নিরুৎসাহিত করবে। তারা একটি ‘হাইব্রিড’ মডেলের কথা বলছে- যেখানে কিছু বাধ্যতামূলক, কিছু স্বেচ্ছাসেবী।

এই দ্বন্দ্বই এখন বৈশ্বিক নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে নতুন রোগজীবাণু আবির্ভাবের ঝুঁকি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। জলবায়ু পরিবর্তন, বন উজাড়, বন্যপ্রাণীর আবাস ধ্বংস এবং বিশ্বায়নের কারণে মানুষের সঙ্গে নতুন জীবাণুর সংস্পর্শ বাড়ছে। একটি ভাইরাস এখন কয়েক দিনের মধ্যেই এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে পৌঁছে যেতে পারে।

তার ওপর আছে ভ্রান্ত তথ্যের বিস্তার। কোভিডের সময় দেখা গেছে, গুজব ও ষড়যন্ত্রতত্ত্ব শুধু জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে দুর্বল করেনি, বরং মানুষের আচরণকেও বিপজ্জনকভাবে প্রভাবিত করেছে।

মহামারি চুক্তি নিয়েও একই ধরনের ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে- যেন এটি দেশের সার্বভৌমত্ব কেড়ে নেবে। বাস্তবে, এটি ছিল সমন্বিত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করার একটি প্রচেষ্টা।

২০২৫ সালে অবশেষে একটি মহামারি চুক্তি পাস হলেও মূল বিতর্কিত বিষয় ‘প্যাবস’ স্থগিত রাখা হয়।

পরিকল্পনা ছিল, ২০২৬ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সমাবেশে এই ইস্যুতে সমাধান হবে। কিন্তু আলোচকরা জানিয়েছেন, তারা এখনো প্রস্তুত নন। নতুন লক্ষ্য ধরা হয়েছে ২০২৭ সাল।

অর্থাৎ, বিশ্ব আবারও অপেক্ষা করছে- যখন হুমকি দরজায় কড়া নাড়ছে।

প্রশ্ন হলো, তখন কি আমরা প্রস্তুত থাকব?

নাকি আবারও হাসপাতালের করিডোরে শ্বাসকষ্টে ছটফট করতে থাকা মানুষ, অক্সিজেনের জন্য হাহাকার, এবং গণকবরে পরিণত হওয়া শহরের দৃশ্য দেখতে হবে?


মহামারিচিকিৎসা বিজ্ঞান
    শেয়ার করুন:
    একই স্থানে শ্মশান, কবর ও সমাধিস্থল, কমলগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিরল দৃষ্টান্ত

    একই স্থানে শ্মশান, কবর ও সমাধিস্থল, কমলগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিরল দৃষ্টান্ত

    ০৬ মে ২০২৬, ০০:১২

    অতি ঝুঁকিপূর্ণ নগর ভবনে নাগরিক সেবা

    অতি ঝুঁকিপূর্ণ নগর ভবনে নাগরিক সেবা

    ০৬ মে ২০২৬, ০০:১৭

    ফুরাচ্ছে ‘ফাঁকিবাজি’র দিন

    ফুরাচ্ছে ‘ফাঁকিবাজি’র দিন

    ০৬ মে ২০২৬, ০৮:৩৬

    পাঠকশূন্য লাইব্রেরি

    পাঠকশূন্য লাইব্রেরি

    ০৫ মে ২০২৬, ২৩:৫৩

    বাংলাদেশি তকমা, বিজিপির ক্রোধে ওসমান পরিবার

    বাংলাদেশি তকমা, বিজিপির ক্রোধে ওসমান পরিবার

    ০৫ মে ২০২৬, ২৩:৪১

    তিস্তা নিয়ে আর ভারতের অপেক্ষা নয়, সামনে চীন

    তিস্তা নিয়ে আর ভারতের অপেক্ষা নয়, সামনে চীন

    ০৫ মে ২০২৬, ২৩:৫৩

    ভারত ও চীনে বিশ্বকাপ সম্প্রচার অনিশ্চিত, শঙ্কায় বাংলাদেশও

    ভারত ও চীনে বিশ্বকাপ সম্প্রচার অনিশ্চিত, শঙ্কায় বাংলাদেশও

    ০৫ মে ২০২৬, ১৭:৩৮

    মসজিদ নির্মাণে বিএনপি নেতার বাধা, ক্ষোভ মুসল্লিদের

    মসজিদ নির্মাণে বিএনপি নেতার বাধা, ক্ষোভ মুসল্লিদের

    ০৫ মে ২০২৬, ১৫:৪৫

    হামে বাড়ছে শিশুমৃত্যু, দায়টা কে নেবে?

    হামে বাড়ছে শিশুমৃত্যু, দায়টা কে নেবে?

    ০৫ মে ২০২৬, ২৩:৪৯

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল তিতুমীর কলেজ

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল তিতুমীর কলেজ

    ০৬ মে ২০২৬, ০০:২১

    অভিযুক্ত সেই মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

    অভিযুক্ত সেই মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

    ০৬ মে ২০২৬, ০৯:৫৩

    সবার আগে ভুটান-ভারত নাকি চীন

    সবার আগে ভুটান-ভারত নাকি চীন

    ০৫ মে ২০২৬, ২৩:৩২

    চার দিন মর্গে পড়েছিল মরদেহ, তবু বাবাকে নিতে এলেন না ছেলে

    চার দিন মর্গে পড়েছিল মরদেহ, তবু বাবাকে নিতে এলেন না ছেলে

    ০৫ মে ২০২৬, ২৩:১৪

    ঘরে ঘরে যাচ্ছে সুপেয় পানি

    ঘরে ঘরে যাচ্ছে সুপেয় পানি

    ০৬ মে ২০২৬, ০০:৩৯

    নওগাঁয় উজানের ঢলে তলিয়ে যাচ্ছে বোরো ধান, ফসল রক্ষায় লড়ছেন কৃষকরা

    নওগাঁয় উজানের ঢলে তলিয়ে যাচ্ছে বোরো ধান, ফসল রক্ষায় লড়ছেন কৃষকরা

    ০৬ মে ২০২৬, ০০:০৯

    advertiseadvertise