Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় লাইফস্টাইল

মন খারাপ থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ১৯:৫২
মন খারাপ থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

ছবি: এআই

মন খারাপ মানুষের জীবনের খুব স্বাভাবিক একটি অনুভূতি। সম্পর্কের টানাপোড়েন, কাজের চাপ, ব্যর্থতা, একাকীত্ব কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা। নানা কারণেই হতে পারে মন ভার। দীর্ঘদিন এই খারাপ লাগা নিজের ভেতরে জমিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ফেলতে পারে নেতিবাচক প্রভাব। তাই সময় থাকতে নিজের অনুভূতির যত্ন নিন। কিছু সহজ অভ্যাস ও ইতিবাচক চর্চা মন খারাপ থেকে বেরিয়ে এসে নিজেকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

সচেতনভাবে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস আবেগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে

খুব বেশি খারাপ লাগার অনুভূতি কাটানোর অন্যতম কার্যকর উপায় গভীরভাবে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস। মন অস্থির লাগলে ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নিন এবং আস্তে আস্তে ছাড়ুন। কয়েক মিনিট এভাবে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করলে উদ্বেগ কমে এবং মন কিছুটা ভালো হয়।

আরও পড়ুন

সবসময় ইতিবাচক থাকার চেষ্টা কি মানসিক বিপর্যয়ের কারণ

০৯ মে ২০২৬

মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গোলম্যান মনে করেন, সচেতনভাবে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস আবেগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মন খুব খারাপ লাগলে ঘরে বসে না থেকে একটু বাইরে হাঁটতে যেতে পারেন। হাঁটা শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌঁছাতে সাহায্য করে। এমনকি ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলেও মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃতির মাঝে হাঁটাহাঁটি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং মনকে সতেজ রাখে।

অনুভূতি লিখে প্রকাশ করা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। নিজের নেতিবাচক চিন্তার পাশাপাশি ভালো গুণগুলোও লিখে রাখুন। এতে নিজের ইতিবাচক দিকগুলো নতুনভাবে উপলব্ধি করা সহজ হয়

মন খারাপের সময় সাধারণত কোনো কিছুই ভালো লাগে না। তখন মনে হতে পারে চারপাশে সবকিছুই নেতিবাচক। তবে এই সময়টাতেই ছোট ছোট ইতিবাচক বিষয় খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। প্রিয় গান শোনা, পছন্দের বই পড়া, কাছের মানুষের সঙ্গে কথা বলা কিংবা পুরোনো ভালো স্মৃতি মনে করা।
অনুভূতি চেপে না রেখে লিখে ফেলাও হতে পারে মানসিক চাপ কমানোর একটি উপায়। ডায়েরিতে নিজের কষ্ট, ভয় বা হতাশার কথা লিখলে ভেতরের অস্থিরতা কিছুটা কমে যায়।

মনোবিজ্ঞানী জেমস পেনেবেকার গবেষণায় দেখিয়েছেন, অনুভূতি লিখে প্রকাশ করা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। নিজের নেতিবাচক চিন্তার পাশাপাশি ভালো গুণগুলোও লিখে রাখুন। এতে নিজের ইতিবাচক দিকগুলো নতুনভাবে উপলব্ধি করা সহজ হয়।

বর্তমান সময়ে অনেক মানুষ অতীতের অনুশোচনা কিংবা ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তায় ভোগেন। মাইন্ডফুলনেস বা মননশীলতার চর্চা মানুষকে বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগী হতে সাহায্য করে। এটি উদ্বেগ ও হতাশা কমাতেও কার্যকর।

মনোবিজ্ঞানী জন কাবাট-জিন মাইন্ডফুলনেসকে মানসিক চাপ কমানোর গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আত্ম-সহানুভূতি মানুষের মানসিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং হতাশা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে

নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়াও জরুরি। অনেকেই নিজের ভুলের জন্য নিজেকেই সবচেয়ে বেশি দোষারোপ করেন। কিন্তু ভুল মানুষের জীবনেরই অংশ। তাই ভুলগুলো স্বীকার করে নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন।

মনোবিজ্ঞানী ক্রিস্টিন নেফ বলেছেন, আত্ম-সহানুভূতি মানুষের মানসিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং হতাশা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে।

আরও পড়ুন

শরীর ভালো, মন কেমন? বদলাচ্ছে নারী স্বাস্থ্যের সংজ্ঞা

০৭ এপ্রিল ২০২৬

মন খারাপের সময় একা না থেকে কাছের মানুষের সঙ্গে কথা বলা ভালো। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে নিজের অনুভূতি ভাগাভাগি করলে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং নিয়মিত শরীরচর্চাও মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তবে যদি দীর্ঘদিন ধরে মন খারাপ থাকে, কোনো কিছুতেই আগ্রহ না পান কিংবা দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হয়, তাহলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ দীর্ঘস্থায়ী হতাশা কখনও কখনও বিষণ্ণতার লক্ষণও হতে পারে।

মানসিক সুস্থতা ভালো থাকার অন্যতম শর্ত হলো নিজের অনুভূতিগুলোর প্রতি যত্নশীল হওয়া। খারাপ সময় আসতেই পারে, কিন্তু সেই সময় থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টাই মানুষকে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনে।

মন খারাপমুক্তিসুস্থতা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise