Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
ঔষধি গাছপ্রেমী আবদুল কাদের
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিজ্ঞান+প্রযুক্তি

ল্যাপটপে মাছির মস্তিষ্ক

আখলাকুজ্জামান অনিক
আখলাকুজ্জামান অনিক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০
শেয়ার করুন:
ল্যাপটপে মাছির মস্তিষ্ক

মাছির মাথার ভেতরের পুরো জগৎ চলছে একটি সাধারণ ল্যাপটপের পর্দায়! কম্পিউটারের মাছির আচরণ এতটাই নিখুঁত যে বিজ্ঞানীরাও অবাক। তাহলে কি একদিন মানুষের মস্তিষ্কও কম্পিউটারে চলবে? লিখেছেন আখলাকুজ্জামান অনিক

চায়ের কাপের কিনারায় একটা ছোট্ট মাছি এসে বসল। আপনি হাত নাড়লেন, সে উড়ে গেল। আবার ফিরে এসে বসল ঠিক সেই মিষ্টি বিস্কুটের গুঁড়ার ওপর। কখনো কি ভেবেছেন, এই ছোট প্রাণীটা এত নিখুঁতভাবে বুঝল কী করে যে ওখানে মিষ্টি আছে? কে তাকে বলে দিল গুঁড়াটা খাওয়ার যোগ্য? কখন বসবে আর কখন উড়ে পালাবে, এটাই বা জানল কীভাবে?

উত্তরটা লুকিয়ে আছে তার মাথার ভেতরে, সূক্ষ্ম এক মস্তিষ্কে। সেটি সরষের দানার চেয়েও ছোট। কিন্তু তার ভেতরে আছে এক লাখ ঊনচল্লিশ হাজারের বেশি স্নায়ুকোষ, যাদের বলে নিউরন। এই নিউরনগুলো একে অপরের সঙ্গে প্রায় পাঁচ কোটি সুতার মতো সংযোগে জোড়া। এটা অনেকটা শহরের !

মাছিল্যাপটপমস্তিষ্ককম্পিউটার
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    পদোন্নতির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা

    পদোন্নতির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা

    মাতিস রঙের সুন্দর

    মাতিস রঙের সুন্দর

    আফ্রিকার শহরে শিকড়ের সুর: বন্ধুত্বের ডাকে নাইরোবি শিল্পী গোষ্ঠীর অনন্য আয়োজন

    আফ্রিকার শহরে শিকড়ের সুর: বন্ধুত্বের ডাকে নাইরোবি শিল্পী গোষ্ঠীর অনন্য আয়োজন

    মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে হলো না ‘জাতীয় চার নেতা স্মরণে প্রদর্শনী’, কারণ ‘নিরাপত্তা’

    মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে হলো না ‘জাতীয় চার নেতা স্মরণে প্রদর্শনী’, কারণ ‘নিরাপত্তা’

    গাজীপুরে আহত পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু

    গাজীপুরে আহত পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু

    উদয়ন স্কুলে ‘যৌন হয়রানির’ প্রতিবাদ করায় শাস্তির মুখে ১০ শিক্ষার্থী

    উদয়ন স্কুলে ‘যৌন হয়রানির’ প্রতিবাদ করায় শাস্তির মুখে ১০ শিক্ষার্থী

    সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

    সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণ, হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

    ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণ, হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

    ৭ নভেম্বর এক্সপ্রেসওয়েতে টোল ছাড়াই ৬ ঘণ্টা চালানো যাবে গাড়ি

    ৭ নভেম্বর এক্সপ্রেসওয়েতে টোল ছাড়াই ৬ ঘণ্টা চালানো যাবে গাড়ি

    গবেষণাপত্র প্রকাশে সঠিক জার্নাল নির্বাচন করবেন কীভাবে?

    গবেষণাপত্র প্রকাশে সঠিক জার্নাল নির্বাচন করবেন কীভাবে?

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    সক্রিয় হচ্ছে গ্রাম আদালত, ফিরছে গ্রাম পুলিশ

    সক্রিয় হচ্ছে গ্রাম আদালত, ফিরছে গ্রাম পুলিশ

    একই সড়ক সকালে উদ্বোধন জামায়াত এমপির, বিকালে বিএনপি নেতার

    একই সড়ক সকালে উদ্বোধন জামায়াত এমপির, বিকালে বিএনপি নেতার

    পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল, এসআরবির নেতৃত্বে ফারুক

    পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল, এসআরবির নেতৃত্বে ফারুক

    সব
    বিদ্যুতের
    তার
    একসঙ্গে
    জট
    পাকিয়ে
    একটা
    সরষের
    দানায়
    ঢুকানোর
    মতোই

    ২০২৪ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞানীরা এই জটিল জালের সম্পূর্ণ নকশা বানানোর কাজ শেষ করলেন। কাজটা সহজ ছিল না। ১০ বছর ধরে বিভিন্ন দেশের গবেষকরা একসঙ্গে খেটেছেন। একটি মাছির মস্তিষ্ককে প্রায় সাত হাজার অতি পাতলা টুকরোয় কেটে প্রতিটির ছবি তোলা হয়েছে শক্তিশালী মাইক্রোস্কোপে। তারপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে সেই ছবিগুলো জোড়া লাগিয়ে বোঝা গেছে কোন নিউরন কার সঙ্গে যুক্ত। এই নকশাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘কানেক্টোম’। সহজ করে বললে, এটি মস্তিষ্কের রোডম্যাপ, যেখানে প্রতিটি গলি আর মোড় আঁকা আছে।

    এবার আসে গল্পের মজার অংশ। ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষক ফিল শিউ ভাবলেন, নকশা তো হলো, এবার এটাকে কম্পিউটারে চালিয়ে দেখলে কেমন হয়? আসলে তার একটা ব্যক্তিগত ধাঁধা ছিল। মাছির স্বাদ বোঝার অংশের প্রায় একশটা নিউরনকে তিনি একে একে উত্তেজিত করেছিলেন। দেখা গেল, মাত্র পনেরোটার ক্ষেত্রে মাছি খাওয়ার জন্য শুঁড় বাড়ায়, বাকি পঁচাশিটায় কিছুই হয় না। কেন এমন হয়, কেউ বুঝতে পারছিল না। নকশা হাতে পেয়ে তিনি সেই ধাঁধার উত্তর খুঁজতে কম্পিউটারে পুরো মস্তিষ্কের একটা সিমুলেশন বানালেন।

    সিমুলেশন মানে হলো, কম্পিউটারের ভেতরে একটা নকল মস্তিষ্ক বানানো। সেখানে প্রতিটি নিউরন কার কাছ থেকে সংকেত পায় আর কার কাছে পাঠায়, সবই নকশা অনুযায়ী বসানো। তারপর একটা নিউরনে ধাক্কা দিলে দেখা যায় সংকেত কোন পথে ছড়ায়। চমকে দেওয়ার মতো কথা হলো, এই বিশাল হিসাব চালাতে কোনো দানবীয় সুপারকম্পিউটার লাগেনি। একটা সাধারণ ল্যাপটপই যথেষ্ট ছিল।

    ফলাফল অবাক করল সবাইকে। কম্পিউটারের মাছিকে চিনি-পানির স্বাদ ‘অনুভব’ করানো হলে সে ঠিক সেই নিউরনগুলোকেই জাগিয়ে তুলল, যেগুলো আসল মাছির শুঁড় বাড়িয়ে চুষে খাওয়ার কাজ করে। পরীক্ষাগারে জীবন্ত মাছির ওপর পরীক্ষা করে দেখা গেল, মিষ্টির সঙ্গে তেতো মেশানো হলে আরেক ধরনের নিউরন সংকেত পাঠিয়ে খাওয়া বন্ধ করে দিল। আসল মাছির বেলাতেও প্রকৃতির এই সতর্ক ব্যবস্থা কাজ করে, যাতে বিষ খেয়ে না ফেলে।

    গবেষকরা বলেছেন, তাদের মডেল আসলে খুবই সরল। মডেলটি ধরে নিয়েছে, সব নিউরন একই রকম, যদিও বাস্তবে তা নয়। প্রতিটি নিউরনের আকার আলাদা, স্বভাবও আলাদা। তবু এত সরল ধারণা নিয়েও মডেলটি আশ্চর্য ভালো ভবিষ্যদ্বাণী করেছে। শিউর মতে, এর মানে হলো মডেলকে যত নিখুঁত করা যাবে, মস্তিষ্ক বোঝার ক্ষমতাও তত বাড়বে।

    এখানেই প্রশ্নটা জেগে ওঠে, মাছির মস্তিষ্ক যদি কম্পিউটারে চালানো যায়, মানুষেরটা কেন নয়?

    উত্তর পেতে সংখ্যাগুলো দেখা দরকার। মাছির মস্তিষ্কে নিউরন প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার, ইঁদুরের প্রায় ৭ কোটি আর মানুষের প্রায় ৮ হাজার ৬০০ কোটি। নিউরনের সংখ্যায় মানুষের মস্তিষ্ক মাছির চেয়ে প্রায় ছয় লাখ গুণ বড়। সংযোগের হিসাবে ব্যবধান আরও বিশাল। কারণ, মানুষের মস্তিষ্কে সংযোগ আছে প্রায় ‘কোটি কোটি’। আজ পর্যন্ত মানুষের মস্তিষ্কের যে অংশের বিস্তারিত নকশা বিজ্ঞানীরা তৈরি করতে পেরেছেন, তা একটি চালের দানার চেয়েও ছোট। অথচ সেটুকুর তথ্য রাখতেই লেগেছে লাখ লাখ গিগাবাইট। পুরো মস্তিষ্কের তথ্য রাখতে লাগবে পৃথিবীর বড় বড় ডেটা সেন্টারের সমান জায়গা, হয়তো তারও বেশি।

    তাহলে বাধাগুলো কোথায়? প্রথম বাধা নকশা আঁকার কাজটাই। মাছির মস্তিষ্কের নকশা তৈরিতে লেগেছে ১০ বছর। মানুষের জন্য বর্তমান পদ্ধতিতে লাগবে হয়তো কয়েক হাজার বছর। তাই পুরো প্রক্রিয়াকে বহু গুণ দ্রুত করার নতুন উপায় বের করতে হবে।

    দ্বিতীয় বাধা বোঝার সীমাবদ্ধতা। মাছির সিমুলেশন সফল হয়েছে দশকের পর দশক গবেষণার কারণে। অতীতে কৃমি আর মাছির লার্ভার মস্তিষ্কের নকশা ছিল, কিন্তু তথ্যগুলো ভালো করে জানা ছিল না বলে তাদের সিমুলেশন তেমন কাজ করেনি। মানুষের মস্তিষ্কে আছে নানা রাসায়নিক পদার্থের জটিল খেলা, হরমোনের প্রভাব আর অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে সংযোগ বদলে যাওয়ার ক্ষমতা। শুধু নিউরনের নকশা দিয়ে এসব ধরা যাবে কি না, কেউ নিশ্চিত নয়।

    তৃতীয় বাধাটি সবচেয়ে গভীর। ধরুন, আমরা সত্যিই একজন মানুষের মস্তিষ্ক কম্পিউটারে চালালাম। সেটি কি কিছু অনুভব করবে? আনন্দ, ভয় বা কষ্ট পাবে? বিজ্ঞান আজও জানে না, চেতনা আসলে কী।

    প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না, তাই এ নিয়ে সবই অনুমান। নিকট ভবিষ্যতে মানুষের পুরো মস্তিষ্কের নকশা পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই। তবে ইঁদুরের মস্তিষ্ক নিয়ে আশা আছে। ২০২৫ সালেই ইঁদুরের মস্তিষ্কের একটি ছোট অংশের বিস্তারিত নকশা প্রকাশিত হয়েছে। আর বিজ্ঞানীদের পরবর্তী লক্ষ্য পুরো ইঁদুর-মস্তিষ্ক। একই সময়ে মানুষের মস্তিষ্কের ছোট ছোট অংশ নিয়েও কাজ এগোবে।

    কম্পিউটারের মাছিকে চিনি-পানির স্বাদ ‘অনুভব’ করানো হলে সে ঠিক সেই নিউরনগুলোকেই জাগিয়ে তুলল, যেগুলো মাছির শুঁড় বাড়িয়ে চুষে খাওয়ার কাজ করে

    আরও কিছুটা দূর ভবিষ্যতে সম্ভাবনা অনেক বাড়তে পারে, কারণ তখন প্রযুক্তিগত বাধাগুলো হয়তো কেটে যাবে। কিন্তু আসল প্রশ্ন তখন দাঁড়াবে বিজ্ঞানের— মস্তিষ্কের ঠিক কতটা সূক্ষ্ম খুঁটিনাটি নকল করলে সেটি সত্যিই ‘কাজ করবে’? এর চেয়ে দূরের কথা ভাবা প্রায় আন্দাজের খেলা। পাঁচশ বছর আগে আধুনিক বিজ্ঞানই শুরু হয়নি। তখনকার মানুষ কম্পিউটার তো দূরের কথা, ঠিকমতো বিদ্যুৎও জানত না। হতে পারে তখন মস্তিষ্ক বোঝার এমন কোনো নতুন পথ আসবে, যা আজকের এই নকশা-পদ্ধতিকেই অপ্রয়োজনীয় করে দেবে।

    তবে মানুষের মস্তিষ্ক সিমুলেট করা পর্যন্ত অপেক্ষা না করেও এই গবেষণা মূল্যবান। এখনই আমরা শিখছি, মস্তিষ্কের সংযোগ থেকে আচরণ কীভাবে তৈরি হয়। এতে মৃগীরোগের মতো সমস্যা বোঝার নতুন সুযোগ আসছে। মৃগীতে নিউরনের ভুল সংযোগের কারণে সংকেত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সমস্যা তৈরি করে। এমনকি শিউর প্রথম দিকের মডেলেও এমন সমস্যা হতো। নকশার ভুল ঠিক করার পরই তা সমাধান হয়ে যায়। গবেষক গ্যাব্রিয়েলা স্টার্ন বলেছেন, সুস্থ মস্তিষ্কের কাজ বুঝতে পারলেই শুধু জানা যাবে রোগে কোথায় গোলমাল বাধে। আজকের চ্যাটবটগুলো মস্তিষ্ক থেকে অনুপ্রাণিত হলেও আসল মস্তিষ্কের মতো সাজানো নয়। শিউর ভাষায়, এই মাছির মডেল একটি ‘সত্যিকারের নিউরাল নেটওয়ার্ক’, যা ভবিষ্যতে বুদ্ধিমান যন্ত্র বানানোর অন্য এক পথ দেখাতে পারে।