এআই মডেল গবেষণায় গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল কাজ স্থানীয়ভাবে পরিচালনার জন্য ‘এআই টপ অ্যাটম’ নামের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সিস্টেম বাজারে এনেছে শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গিগাবাইট। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই প্রযুক্তির একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে বড় এআই মডেল এবং বৈজ্ঞানিক সিমুলেশনের মতো মেমোরি-নির্ভর বড় কাজগুলো সহজেই করা সম্ভব।
এআই টপ অ্যাটম সাধারণ কোনো ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়। এটি মূলত এআই মডেল পরিচালনা, বিশাল ডেটা প্রসেসিং এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল হিসাব-নিকাশের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি ওয়ার্কস্টেশন। প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে এর কম্পিউটিং সক্ষমতা আরও বাড়িয়ে নেওয়া যায়। গিগাবাইটের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি এআই টপ অ্যাটম নোডে রয়েছে ১ পিফ্লপস এফপি৪ এআই পারফরম্যান্স এবং ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমোরি। এছাড়া ২০০ গিগাবিট ইথারনেটের মাধ্যমে চারটি নোড পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়। ফলে একটিমাত্র কম্পিউটারের সীমানা ছাড়িয়ে আরও বড় ও জটিল কাজ পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়।
এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা দেখাতে গিগাবাইট ও এনভিডিয়া যৌথভাবে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজ প্রদর্শন করেছে। এতে এআই ব্যবহার করে গবেষণার সম্ভাব্য ধারণা তৈরি করা হয় এবং পরবর্তীতে ‘গ্রোম্যাক্স’ (GROMACS) সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই ধারণার ওপর ভিত্তি করে বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন চালানো হয়। বিশেষ করে, উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের জন্য ‘থার্মাল ইন্টারফেস ম্যাটেরিয়াল’ বা টিআইএম (TIM) উন্নয়নের উদাহরণ এতে দেখানো হয়েছে। এ ধরনের গবেষণায় কোনো উপাদানের অণুগুলো কীভাবে আচরণ করে, তা কম্পিউটারে সিমুলেশনের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব।
সাধারণ একক সিস্টেমে সাধারণত ১ কোটি পরমাণুর সিমুলেশনের পরই মেমোরি সীমাবদ্ধতা বা বাধা দেখা দেয়। তবে চার নোডের এআই টপ অ্যাটম ক্লাস্টার ব্যবহার করে ৩ কোটিরও বেশি পরমাণুর সিমুলেশন সফলভাবে চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে। এর ফলে সেমিকন্ডাক্টর, উপাদান বিজ্ঞান, এআই গবেষণা এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক খাতে বিশাল পরিসরের কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি, স্থানীয়ভাবে তথ্য ও গবেষণার কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হওয়ায় সংবেদনশীল ডেটার ওপর ব্যবহারকারীর নিজস্ব নিয়ন্ত্রণও পুরোপুরি বজায় থাকে।
গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, বাংলাদেশের বাজারে এআই টপ অ্যাটমের ৯০০০, ৯০০১ ও ৯০০২—এই তিনটি ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাচ্ছে। ভ্যারিয়েন্ট ভেদে এগুলোর দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তাঁর মতে, এআই টপ অ্যাটম কেবল এআই প্রযুক্তির উন্নয়নেই নয়, বরং ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশনের ক্ষেত্রেও বিপ্লব আনবে।
এআই টপ অ্যাটম সাধারণ কোনো ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়। এটি মূলত এআই মডেল পরিচালনা, বিশাল ডেটা প্রসেসিং এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল হিসাব-নিকাশের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি ওয়ার্কস্টেশন। প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে এর কম্পিউটিং সক্ষমতা আরও বাড়িয়ে নেওয়া যায়। গিগাবাইটের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি এআই টপ অ্যাটম নোডে রয়েছে ১ পিফ্লপস এফপি৪ এআই পারফরম্যান্স এবং ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমোরি। এছাড়া ২০০ গিগাবিট ইথারনেটের মাধ্যমে চারটি নোড পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়। ফলে একটিমাত্র কম্পিউটারের সীমানা ছাড়িয়ে আরও বড় ও জটিল কাজ পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়।
এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা দেখাতে গিগাবাইট ও এনভিডিয়া যৌথভাবে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজ প্রদর্শন করেছে। এতে এআই ব্যবহার করে গবেষণার সম্ভাব্য ধারণা তৈরি করা হয় এবং পরবর্তীতে ‘গ্রোম্যাক্স’ (GROMACS) সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই ধারণার ওপর ভিত্তি করে বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন চালানো হয়। বিশেষ করে, উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের জন্য ‘থার্মাল ইন্টারফেস ম্যাটেরিয়াল’ বা টিআইএম (TIM) উন্নয়নের উদাহরণ এতে দেখানো হয়েছে। এ ধরনের গবেষণায় কোনো উপাদানের অণুগুলো কীভাবে আচরণ করে, তা কম্পিউটারে সিমুলেশনের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব।
সাধারণ একক সিস্টেমে সাধারণত ১ কোটি পরমাণুর সিমুলেশনের পরই মেমোরি সীমাবদ্ধতা বা বাধা দেখা দেয়। তবে চার নোডের এআই টপ অ্যাটম ক্লাস্টার ব্যবহার করে ৩ কোটিরও বেশি পরমাণুর সিমুলেশন সফলভাবে চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে। এর ফলে সেমিকন্ডাক্টর, উপাদান বিজ্ঞান, এআই গবেষণা এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক খাতে বিশাল পরিসরের কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি, স্থানীয়ভাবে তথ্য ও গবেষণার কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হওয়ায় সংবেদনশীল ডেটার ওপর ব্যবহারকারীর নিজস্ব নিয়ন্ত্রণও পুরোপুরি বজায় থাকে।
গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, বাংলাদেশের বাজারে এআই টপ অ্যাটমের ৯০০০, ৯০০১ ও ৯০০২—এই তিনটি ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাচ্ছে। ভ্যারিয়েন্ট ভেদে এগুলোর দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তাঁর মতে, এআই টপ অ্যাটম কেবল এআই প্রযুক্তির উন্নয়নেই নয়, বরং ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশনের ক্ষেত্রেও বিপ্লব আনবে।



