জায়গা নেই আমাজন ক্লাউডে

এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামোর চাহিদা বাড়তে থাকায় আমাজন ওয়েব সার্ভিসেসের ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সক্ষমতা ২০২৭ সাল পর্যন্ত প্রায় পুরোটাই বুক হয়ে গেছে এবং ২০২৮ সাল পর্যন্ত বড় ধরনের বুকিং রয়েছে বলে জানিয়েছেন আমাজনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যান্ডি জেসি। সম্প্রতি এক ভিডিও পডকাস্টে তিনি জানিয়েছেন, এআই ল্যাব ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে আমাজন। চলতি বছরের শুরুতেই আমাজন জানিয়েছিল, তারা ২০২৬ সালে মূলধনি ব্যয় হিসাবে প্রায় ২২ হাজার কোটি ডলার খরচ করবে। অ্যান্ডি জেসি উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সক্ষমতা এর মধ্যেই পুরোপুরি বিক্রি হয়ে গেছে এবং কোম্পানি চাইলে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে পারত। তিনি আরও জানালেন, ২০২৭ সালের সক্ষমতাও প্রায় সম্পূর্ণ বিক্রি হয়ে গেছে এবং তারা সবসময় অন-ডিম্যান্ড ও ইনফারেন্স সার্ভিস যেমন— বেডরক কিংবা ইসিটুর জন্য কিছু অংশ খালি রাখলেও বড় অংশগুলো বুকড হয়ে গেছে। শুধু তা-ই নয়, ২০২৮ সালের একটি বড় অংশও বিক্রি হয়ে গেছে। ইসিটু হলো এডব্লিউএসের একটি সেবা, যা অ্যাপ্লিকেশন চালুর জন্য ক্লাউড সার্ভার প্রদান করে এবং বেডরক গ্রাহকদের জেনারেটিভ এআই অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে এআই মডেল ব্যবহারের সুযোগ দেয়।



