একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র
- জ্ঞানমূলক এবং অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

১. যে সম্পদ আরও সম্পদ অর্জনে ব্যবহৃত হয় তাকে বলে মূলধন।
২. শিল্প বাণিজ্যের জীবনীশক্তি বলা হয়— অর্থ বা পুঁজিকে।
৩. ইনপুট হলো উৎপাদনের উপকরণ।
৪. উৎপাদনের পঞ্চম উপাদান বলা হয়— মানবসম্পদকে।
৫. উৎপাদনের উপাদান— ৪টি। যথা— ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন।
৬. উৎপাদনের মানবীয় উপাদান হলো— শ্রম।
৭. উৎপাদনের উৎপাদিত উপাদান হলো— মূলধন।
৮. শ্রমিকের সশরীরে উপস্থিত থাকার কারণ হচ্ছে— শ্রম ও শ্রমিক।
৯. উৎপাদনের যে উপাদানটি প্রকৃতির দান— ভূমি।
১০. ভূমির অন্যতম বৈশিষ্ট্য— স্থানান্তর অযোগ্য।
১১. উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত প্রকৃতির সব দানকে বলে— ভূমি।
১২. মূলধনের বৈশিষ্ট্য হলো— উৎপাদনশীলতা।
১৩. উৎপাদনের যে উপকরণ ঝুঁকি গ্রহণ করে— সংগঠন।
১৪. সংগঠন হলো ভূমি, শ্রম ও মূলধনের সমন্বয়।
১৫. তাঁতির কাপড় বুনন পেশাগত শ্রমবিভাগের অন্তর্ভুক্ত।
১৬. সর্বনিম্ন দুইজনকে নিয়ে অংশীদারি সংগঠন গড়ে ওঠে।
১৭. ব্যক্তিক অংশীদারি সংগঠনের সর্বোচ্চ অংশীদার— ১০ জন।
১৮. সংরক্ষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সময়গত উপযোগ— সৃষ্টি হয়।
১৯. মূলধন গঠনের সূত্র হলো: মোট উৎপাদন— ভোগ।
২০. সংগঠনের মাধ্যমে সব মানবীয় ও অমানবীয় সম্পদ একত্রিত করা হয়।
২১. সংগঠনের বৈশিষ্ট্য হলো— অপরিবর্তনশীলতা।
২২. যন্ত্রপাতি একটি মূলধন জাতীয় উপকরণ।
২৩. শ্রমবিভাগ প্রধানত ৪ ধরনের। যথা— সাধারণ শ্রমবিভাগ, জটিল শ্রমবিভাগ, পেশাগত শ্রমবিভাগ, ভৌগোলিক শ্রমবিভাগ।
২৪. মূলধন গঠনের পর্যায়— ৪টি।
২৫. আলো, বাতাস, বনজ ও খনিজ সম্পদ ভূমির অন্তর্ভুক্ত।
২৬. ভূমির উৎপাদন ক্ষমতায় তারতম্য দেখা দেয়— প্রকৃতির কারণে।
২৭. ভূমির ক্ষেত্রে প্রান্তিক হ্রাস-বৃদ্ধিজনিত উৎপাদন রেখা বিধিটি প্রযোজ্য।
২৮. ভূমির জোগান প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল।
২৯. যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ক্রয় ও শ্রমিক নিয়োগ প্রভৃতি নিয়ে কাজ করে সংগঠন।
৩০. একজন শিক্ষক শিক্ষকতা ছেড়ে ব্যবসা শুরু করলেন। একে পেশাগত গতিশীলতা বলে।
৩১. শ্রমিকের দাম নির্ধারণ করে দক্ষতা।
৩২. আবহাওয়া, জলবায়ু, সূর্যের আলো, পানি ইত্যাদি ভূমি উপাদানের অন্তর্ভুক্ত।
৩৩. একজন ডাক্তার রোগীদের যে পরামর্শ দেন, তা মানবিক শ্রমের অন্তর্ভুক্ত।
৩৪. একজন শ্রমিক এক পেশা ত্যাগ করে অন্য পেশায় নিযুক্ত হলে তাকে বলে পেশাগত গতিশীলতা।
৩৫. পণ্য রূপান্তরকরণ প্রক্রিয়ার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত— উৎপাদন ব্যবস্থাপনা।
৩৬. পণ্য বা দ্রব্যের বৈশিষ্ট্য হলো বিক্রয়যোগ্যতা, ভাণ্ডার মজুদের ক্ষমতা, মুনাফার আকাঙ্ক্ষা, অর্থনৈতিক মূল্য, ভোক্তার সন্তুষ্টি।
৩৭. সেবার বৈশিষ্ট্য— অস্পর্শনীয়তা, নশ্বরতা, বৈচিত্র্যতা, নিত্যতা।
৩৮. দ্রব্য ও সেবার মধ্যে সাদৃশ্য— উপযোগিতা।
৩৯. চিরাচরিত ব্যবস্থাপনায় বৈজ্ঞানিক মতবাদ প্রতিষ্ঠা করেন— ফ্রেডরিক উইন্সলো টেইলর।
৪০. কার্যক্ষেত্রে সময় নিরীক্ষণের ওপর জোর দেন— হেনরি গ্যান্ট।
৪১. উৎপাদন ব্যবস্থাপনার ইতিহাসে প্রথম শ্রম বিভাগের ধারণা দেন— এডাম স্মিথ।
৪২. ইতিহাসে উৎপাদন মান নিয়ন্ত্রণে পরিসংখ্যানিক পদ্ধতির ব্যবহারের ধারণা দেন— ওয়াল্টার শিউহার্ট।
৪৩. শ্রম বিভাগের সাথে সাথে পৃথক মজুরি ও বেতনব্যবস্থা থাকার প্রয়োজনীয়তা প্রথম তুলে ধরেন— চার্লস ব্যাবেজ।
৪৪. উৎপাদিত পণ্য ও উপকরণের অনুপাতকে বলে উৎপাদনশীলতা।
৪৫. যন্ত্রপাতি বিন্যাস উৎপাদন ব্যবস্থাপনার অন্তর্গত।
৪৬. বাংলাদেশে সম্প্রতি সেবা খাতের ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটেছে।
৪৭. শিল্প বিপ্লব শুরু হয় অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে।
৪৮. মানসম্পন্ন দ্রব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো দ্রব্যের উপযোগিতা।
৪৯. উৎপাদনের প্রধান খাত ৩টি; যথা: শিল্প, কৃষি ও সেবা।
৫০. 6M অর্থ Man, Money, Machine, Materials, Methods and Market।
৫১. উৎপাদন ব্যবস্থাপনার বর্তমান নাম কার্য ব্যবস্থাপনা।
৫২. শিল্প বিপ্লব শুরু হয় ১৭৮০ সাল থেকে।
৫৩. উৎপাদনশীলতা ব্যবস্থাপনায় প্রথম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন— Adam Smith।
৫৪. Adam Smith-এর ‘The Wealth of Nations’ ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
৫৫. শ্রম বিভাগের উপর গুরুত্ব দেন— এডাম স্মিথ।
৫৬. Principles of Scientific Management গ্রন্থটি রচনা করেন এফ ডব্লিউ টেইলর।
৫৭. বিশেষ গ্রাহকের বিশেষ চাহিদা পূরণের নাম— কাস্টমাইজেশন।
৫৮. অধ্যাপক Philip Kotler-এর মতে সেবার বৈশিষ্ট্য ৪টি।
(বাকি অংশ আগামী সংখ্যায়)




