গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গুজ্বর হলে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
অন্তঃসত্ত্বার জন্য ডেঙ্গুজ্বর খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় অন্তঃসত্ত্বার শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে। এ সময় হরমোনের পরিবর্তনের ফলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও রক্তনালিতে পরিবর্তন ঘটে, যা ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণের জন্য সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করে। এ ছাড়া গর্ভাবস্থায় সব ওষুধ নিরাপদ নয়, তাই এ সময় সতর্কতার সঙ্গে চিকিৎসা নিতে হয়।
অন্তঃসত্ত্বার জটিলতা: গর্ভপাতের আশঙ্কা, অকাল প্রসব/প্রিটার্ম লেবার, প্রসব-পূর্ব ও পরবর্তী রক্তক্ষরণ (পিপিএইচ), নিউমোনিয়া, ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিবার, মাল্টি অরগান ফেইলর, ডেঙ্গু শক সিনড্রোম, মৃত্যু।
গর্ভস্থ শিশু ও নবজাতকের জটিলতা: গর্ভাবস্থায় বাচ্চার প্রত্যাশিত বৃদ্ধি না হওয়া, কম ওজনের অপরিপক্ব শিশু, গর্ভাবস্থায় মৃত্যু, শিশুর জন্মের পর রক্তক্ষরণের সমস্যা, ফুসফুসের ইনফেকশন ও অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকি।
চিকিৎসা: অন্তঃসত্ত্বাকে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। রোগীর হাইড্রেশন ঠিক রাখতে হবে। জ্বর ও ব্যথানাশক হিসেবে শুধু প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত তরল খাবার খেতে হবে। ভিটামিন ‘সি’ ও ‘ডি’ নিতে হবে। প্রয়োজনে রক্ত ও প্লাটিলেট দিতে হতে পারে।
প্রতিরোধে করণীয়
· ডেঙ্গু সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
· বাড়ির ভেতর-বাহির পরিচ্ছন্ন ও খোলামেলা রাখা।
· মশারি ব্যবহার করা।
· মশানাশক স্প্রে ব্যবহার করা।
লেখক: আলোক মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার, মিরপুর-৬






