হাসির আড়ালে অটিজম ও সিজোফ্রেনিয়া

ষোলো বছরের কিশোর রাইসুল ইসলাম দিনার। এমনিতে হাসিখুশি। কিন্তু আর দশটা কিশোরের মতো জীবন কাটছে না তার। জন্মের পর থেকেই সে অটিজমে আক্রান্ত। কৈশোরে পা দেওয়ার পর তার মধ্যে দেখা দেয় সিজোফ্রেনিয়া। অটিজম ও মানসিক ব্যাধির এই জোড়া আঘাতে এক বিষাদময় লড়াইয়ে লিপ্ত সে ও তার পরিবার।
দিনারের পৈতৃক বাড়ি বগুড়া জেলায় হলেও উন্নত চিকিৎসার আশায় পরিবারটি এখন ঢাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছে। বাবা মো. রবিউল ইসলাম একজন স্বল্প বেতনের কর্মজীবী। অভাবের সংসারে সন্তানের চিকিৎসা ও পড়াশোনার খরচ চালাতে মা রিনা আক্তার অনলাইনে পুরনো বই বিক্রি করেন, যেখান থেকে দিনে আয় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। বর্তমান বাজারে এমন আয়ে সংসার চালানোই যেখানে সাধ্যের বাইরে, সেখানে প্রতি মাসে দিনারের শুধু ওষুধের জন্যই খরচ হয় প্রায় তিন হাজার টাকা। আর ডাক্তারের ফি বা অন্যান্য খরচে লাগে আরও দুই হাজার টাকা।
এ পর্যন্ত কিশোরটির চিকিৎসার পেছনে প্রায় সাত লাখ টাকা খরচ করে পরিবার সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দিনারকে দীর্ঘ মেয়াদে হাসপাতালে ভর্তি রেখে নিয়মিত চিকিৎসার পাশাপাশি দিতে হবে দীর্ঘমেয়াদি অকুপেশনাল থেরাপি। কিন্তু এই ব্যয়বহুল চিকিৎসার ভার বহন করা পরিবারের পক্ষে আর কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না।
একদিকে সন্তানের কষ্ট, অন্যদিকে চিকিৎসার অসামর্থ্য— সব মিলিয়ে দিশাহারা এই কিশোরের মা-বাবা। দিনারের সুস্থতা এবং স্বাভাবিক জীবনের আশায় তারা সমাজের বিত্তবান ও সহানুভূতিশীল মানুষের মানবিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
সাহায্যের জন্য
বিকাশ: ০১৭৩৯৩১১৫৪৪
হাত বাড়িয়ে দাও ডেস্ক



