প্রতারণার মামলায় তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার দেখালেন আদালত

রাজধানীর ওয়ারী থানায় অর্থ আত্মসাতের মামলায় ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত শুনানি শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন তৌহিদ আফ্রিদিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তার উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি হয়। শুনানি শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে গত বছরের ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করা হয়। কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ১১ জুন ওয়ারী থানার এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. মাহফুজুর রহমান।
ওই আবেদনে বলা হয়, এই মামলায় তদন্তে সন্ধিগ্ধ আসামি নিশাদুজ্জামান নিশাদকে জিজ্ঞাসাবাদে তৌহিদ উদ্দিন আফ্রিদীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত স্বার্থে আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি হোয়াটসঅ্যাপে সৈয়দা আশফাহ তোয়াহা দ্যূতি ফ্রিল্যান্সিং কাজের অফার পান। আপওয়ার্ক ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানির মার্কেটিং হেড পরিচয়ে ফাতিমা আয়শা মেসেজ দেন৷ কাজের জন্য তাকে টেলিগ্রাম আইডি খুলতে বলা হয়। তাকে কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার পর ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রথমে তিনটি রিভিউ দেন তিনি। এজন্য তাকে বিকাশে দেড়শো টাকা পাঠানো হয়। ওইদিন আরও কয়েকটি কাজ করলে বিকাশে তাকে টাকা পাঠানো হয়। পরবর্তী সময়ে লিসা নামে একজন তাকে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করেন। মুনাফাসহ টাকা ফেরত পেলে গ্রুপে অন্য সদস্যরা স্ক্রিনশট দিতেন। তাদের দেখে ১৫ জানুয়ারি তিনি লিসার বিকাশ একাউন্টে দুই হাজার টাকা দেন। একইদিন তিনি লাভসহ দুই হাজার আটশো টাকা ফেরত পান। এইভাবে তাকে প্রলোভন দেখিয়ে মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে চক্রটি। ওই ঘটনায় গত বছরের ২১ জানুয়ারি সৈয়দা আশফাহ তোয়াহা দ্যূতি ওয়ারী থানায় মামলাটি করেন।


