২৫০-৩০০ টাকায় চলত মাস থেকেছি সহকর্মীদের বাসায়

সালাহউদ্দিন লাভলু -সাজ্জাদ হোসেন
অসংখ্য জনপ্রিয় চরিত্র উপহার দিয়েছেন দর্শককে। নির্মাতা হিসেবেও তৈরি করেছেন স্বতন্ত্র পরিচয়। তবে খ্যাতির আড়ালে রয়েছে সংগ্রাম। জীবনের সেসব জানা-অজানা অধ্যায়ের কথা শোনাতে স্মৃতির ঝাঁপি খুললেন অভিনেতা ও নির্মাতা সালাহউদ্দিন লাভলু। সংগ্রামী দিনগুলো প্রসঙ্গে তিনি বললেন, ‘একসময় মাত্র ২৫০ বা ৩০০ টাকায় পুরো মাস চলতাম। তখন জীবন চালাতে এত টাকা লাগত না। সারা দিন শিঙাড়া, পুরি আর চা খেতে ৪-৫ টাকা খরচ হতো। ব্যাচেলর ছিলাম। ঢাকায় বিভিন্ন জায়গায় থেকেছি। মামুনুর রশীদ, ফজলুর রহমান বাবু, আজিজুল হাকিমসহ অনেক কাছের মানুষের বাসায়ও থেকেছি।’
আগামীর সময় এন্টারটেইনমেন্টের নিয়মিত আয়োজন ‘স্টার স্টোরিজ’-এর নতুন পর্বের অতিথি হিসেবে অজানা অনেক গল্প বলেছেন সালাহউদ্দিন লাভলু। আড্ডায় নিজের প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আমি শান্ত ও লাজুক স্বভাবের মানুষ। চুলের প্রতি আমার আলাদা আকর্ষণ আছে। অনেকে আমার গোঁফ নিয়ে কথা বলেন। মাঝেমধ্যে মনে হয়, আমি বোধহয় গোঁফ নিয়েই জন্মেছি! এটি আমার কাছে অন্যরকম একটা বিষয়। যেসব চরিত্রে অভিনয় করেছি, তার মধ্যে ৯০ শতাংশই নেতিবাচক। কারণ, এ ধরনের চরিত্র করতে আমার ভালো লাগে।’
আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় আগামীর সময় এন্টারটেইনমেন্টের ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে আসবে ‘স্টার স্টোরিজ’-এর এই পর্ব। এতে সালাহউদ্দিন লাভলুর সঙ্গে প্রাণবন্ত আড্ডায় থাকবেন সাংবাদিক পান্থ আফজাল
শিল্পীদের মূল্যায়ন করতে গিয়ে নিজের পছন্দের তারকাদের কথা বলেছেন লাভলু। তার কথায়, ‘আমার চোখে অভিনেতা হিসেবে তারকা হলেন শ্রদ্ধেয় হুমায়ুন ফরীদি। নাট্যকার হিসেবে হুমায়ূন আহমেদ ও মামুনুর রশীদ তারকাদের তারকা। মঞ্চে আলী যাকের সাহেব, আবদুল্লাহ আল মামুন, মুস্তাফিজুর রহমান সাহেব, গোলাম মুস্তাফার সান্নিধ্যে থাকার সুযোগ হয়েছে। তারা আমাদের আইডল, কিন্তু আমরা কারও আইডল হতে পারিনি।’
অনুষ্ঠানে আলাপচারিতায় আরও উঠে এসেছে সালাহউদ্দিন লাভলুর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের নানা বাঁক, অভিনয় ও পরিচালনার অভিজ্ঞতা, নাটক নির্মাণের নেপথ্যের গল্প, ব্যক্তিজীবন, প্রেম-বিয়ে, নিজের ইউটিউব চ্যানেল, নাট্যাঙ্গনের পরিবর্তন এবং ইন্ডাস্ট্রির নানা সমসাময়িক প্রসঙ্গ। পাশাপাশি থাকছে সিন্ডিকেট, তারকাদের অবস্থান ও বর্তমান নাট্যাঙ্গনের সংকট প্রসঙ্গ।




